Logo
শিরোনাম

রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১০২জন দেখেছেন
Image

বৈশাখের শুরুতেই রাজশাহীতে চলমান তাপপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে। শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে সর্বোচ্চ ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যা গত ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. আব্দুস সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ২৯ এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আট বছর পর আবার এ তাপমাত্রা রাজশাহীতে রেকর্ড হয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত একই তাপমাত্রা বিদ্যমান ছিল। এর আগে সকালের দিকে তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিকেলের পর থেকে সন্ধ্যা ও রাতের দিকে ধীরে ধীরে এই তাপমাত্রা কমবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, গত ১২ এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ ডিগ্রি। ১৩ এপ্রিলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন ছিল ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি। গত ১৪ এপ্রিলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর আজ হঠাৎ করে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রিতে ওঠে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামীকাল তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির নিচে থাকবে। তবে রাজশাহীর প্রকৃতিতে মৃদু তাপদাহ বিরাজ করবে।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানিয়েছে, মার্চের মধ্যভাগ থেকে এপ্রিলের মধ্যভাগ পর্যন্ত বরেন্দ্র অঞ্চলে একই মাত্রায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাবে। এর মধ্যে গত ৪ এপ্রিল রাজশাহীতে মাত্র শূন্য দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়। এর আগে ও পরে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু রাজশাহীতে বৃষ্টির দেখা মেলেনি।

সাধারণত দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে মৃদু তাপদাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ভেতর থাকলে তাকে মাঝারি তাপদাহ হিসেবে ধরা হয়। আর ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে তীব্র তাপদাহ হিসেবে ধরা হয়। ফলে মাঝারি তাপপ্রবাহ রাজশাহীতে আজ তীব্র তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার থেকে পাওয়া তথ্য মতে, ১৯৪৯ সাল থেকে দেশে তাপমাত্রার রেকর্ড শুরু হয়। এর মধ্যে ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। যা এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বলেও ওই পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০০০ সালে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তারপর তাপমাত্রা বাড়লেও এখন পর্যন্ত রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা আর ৪২ ডিগ্রি অতিক্রম করেনি।

চল্লিশোর্ধ্ব রিকশাচালক হালিম মিয়া। তীব্র গরমে ক্লান্ত হয়ে নগরীর বড় একটি ভবনের নিচে বসেছেন। জানতে চাইলে বলেন, এত গরম যে রিকশা চালাতে গা পুড়ে যাচ্ছে। রোজা থেকে গলাও শুকিয়ে কাঠ। রাস্তায় ভাড়া মেরে দু-পয়সা কামাবো, কিন্তু গরমে মানুষজন বের হচ্ছে কম। তাই ছায়ায় বসে একটু আরাম করছি।

নগরীর শালবাগান বাজারের ইফতারের পণ্যসামগ্রী বিক্রেতা আবুল কাশেম জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত লোকজন খুব কমই আসে। সূর্যের তাপ কমলে বিকেলের দিকে লোকজন এসে ভিড় জমান। আজ তাপমাত্রা অনেক, তাই বসে বসে হাত পাখায় বাতাস খাচ্ছি।

এদিকে, শুক্রবার সকালে নগরীর হাট-বাজারে খানিকটা ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও দুপুরের পর নগরী ছিল প্রায় ফাঁকা। কাঁচাবাজার ও ফলের দোকানগুলো খোলা থাকলেও তেমন ক্রেতা সমাগম চোখে পড়েনি। তবে তরমুজ-আনারস ও কলার দোকানে দেখা গেছে কিছু ক্রেতা।

Raj-Weather-2.jpg

শালবাগানে তরমুজ কিনতে যাওয়া জারিক হোসেন ও মাজিদ রহমান বলেন, এই গরমে শরীরের জন্য রসালো ফল খুবই প্রয়োজন। তাই তরমুজ কিনতে এসেছি। কিন্তু পিচঢালা রাস্তা থেকে যেই আগুনের লেলিহান শিখা শরীরে লাগছে যেন গা ঝলসে যাচ্ছে। তাই দ্রুত তরমুজ নিয়ে সটকে পড়া ছাড়া উপায় নেই।

অপরদিকে তরমুজ বিক্রেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলছেন, গরমে দোকানে টিকে থাকায় দায়। আড়তে টিনের নিচে লাগানো সিলিং ফ্যান ও পাশে রাখা স্ট্যান্ড ফ্যানের বাতাস যেন গায়েই লাগে না। বাতাসও যেন আগুন। কোনোরকম ছায়ার পাশে দাঁড়িয়ে আছি। দোকানে ক্রেতা আসলে দৌড়ে গিয়ে বিক্রি করছি আবার ছায়ায় এসে দাঁড়াচ্ছি।

এদিকে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী উপ-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ হিল কাফি জানান, হঠাৎ করেই রাজশাহীর প্রকৃতিতে সূর্যের তাপ বেড়েছে। এসময় বৃষ্টি খুবই প্রয়োজন, অন্যথায় কৃষকের ফসল পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।

এ তাপদাহে আমের পরিচর্যার বিষয়ে তিনি বলেন, এসময় আমের বেশ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। গাছে বেশি বেশি ওষুধযুক্ত পানি ছিটাতে হবে যাতে গুটি আম ও ছোট ছোট আমগুলো ঝরে না যায়। যদিও প্রথম দিকে রাজশাহীর গাছগুলোতে প্রচুর আমের মুকুল ধরেছিল। কিন্তু কয়েক সপ্তাহের তীব্র তাপদাহে আমের বেশ ক্ষতি হয়েছে। আর তাই আমের পরিচর্যায় চাষিদের যত্নশীল হতে হবে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্রের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৭জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে মো. আউয়াল (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্রকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১৮ মে) সন্ধ্যা ৭টায় চন্দনাইশের দক্ষিণ জোয়ারা জিহস ফকির পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আওয়ালের নিকটাত্মীয় মো. নাছির উদ্দীন বলেন, আওয়াল চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। হয়তো পূর্ব শত্রুতার জেরে তাকে আজ সন্ধ্যা ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুপক্ষের মধ্যে একটি ড্রেনের জায়গা নিয়ে পূর্ব শত্রুতা ছিল। আজ হয়তো মারামারি করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আউয়াল নামে একজন মারা গেছেন। আমরা জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা করছি।


আরও খবর



রুমানার ঘূর্ণি জাদুতে বার্মি আর্মির রোমাঞ্চকর জয়

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

ফেয়ারব্রেক আমন্ত্রণমূলক টুর্নামেন্টে আবারও বল হাতে জাদু দেখালেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের তারকা অলরাউন্ডার রুমানা আহমেদ। এবার তার ঘূর্ণিতে কাবু হয়েছে স্যাফায়ার্স ওমেন। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ৬ রানে জিতেছে রুমানার বার্মি আর্মি ওমেন।

মঙ্গলবার রাতে দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান করে বার্মি আর্মি। জবাবে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৮ রানে থেমে যায় স্যাফায়ার্স। চার ওভারে এক মেইডেনসহ ২২ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন রুমানা।

১৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছিল স্যাফায়ার্স। ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান করে ফেলে তার। ফলে জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে বাকি আর মাত্র ৭০ রান।

তখনই নিজের জাদু দেখান রুমানা। পরপর দুই ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন গ্রেস হ্যারিস (২০ বলে ৩১), ব্যাবেট ডি লিড (১৫) ও ট্যাশ ফারান্টকে (৪)। মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় স্যাফায়ার্স। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা।

শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানে থামে স্যাফায়ার্সের ইনিংস। বার্মি আর্মির পক্ষে রুমানার তিন উইকেট ছাড়াও ফাতিমা সানা, দেয়ান্দ্র ডটিন ও তারা নরিস নিয়েছেন একটি করে উইকেট। চার ম্যাচে এটি তাদের তৃতীয় জয়।

এর আগে বার্মি আর্মিকে দেড়শ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ এনে দেন লরা উলভার্ট। তার ব্যাট থেকে আসে ১০টি চারের মারে ৪৫ বলে ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস। এছাড়া দেয়ান্দ্র ডটিন ২৮ ও হিদার নাইট করেন ২০ রান। রুমানা ১ রান করে অপরাজিত থাকেন।

স্যাফায়ার্সের পক্ষে ইনিংসের ১৯তম ওভারে হ্যাটট্রিক করেন গ্রেস হ্যারিস। পরপর তিন বলে রবার্ত অ্যাভেরি, লরা উলভার্ট ও ফাতিমা সানাকে ফিরিয়ে আসরের প্রথম হ্যাটট্রিক তুলে নেন তিনি। সবমিলিয়ে ২২ রানে ৫ উইকেট নেন হ্যারিস।


আরও খবর



আনজাম মাসুদের ঈদের অনুষ্ঠানে নিথর মাহবুবের মূকাভিনয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৮জন দেখেছেন
Image

ঈদের অনুষ্ঠানমালায় নাটক, সিনেমা, নাচ, গান নানা অনুষ্ঠান থাকলেও থাকে না মূকাভিনয় নিয়ে কোনো আয়োজন। তবে এবার ঈদের আয়োজনের অষ্টম দিনে এটিএন বাংলার পর্দায় দেখা যাবে এক ঝলক মূকাভিনয়।

যেখানে মূকাভিনয় নিয়ে হাজির হবেন নিথর মাহবুব ও তার ছাত্র রিপন। ঈদের অষ্টম দিন রাত ১১টায় এটিএন বাংলার পর্দায় ‘আমি কথা বলতে চাই’ নামে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে দেখা যাবে মূকাভিনয়ের এই অংশটি।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা ও পরিচালনায় আছেন আনজাম মাসুদ, প্রযোজনায় শাহেদ দৌলা খান।

‘আমি কথা বলতে চাই’ অনুষ্ঠানটির একটি পর্যায়ে দেশের জনপ্রিয় ১৪ জন অভিনয় শিল্পীর সামনে পরিবেশিত হবে মূকাভিনয়টি। এটি দেখার পর ১৪ জনকে বলতে হবে এখানে কি কি করা হয়েছে। যে সবচেয়ে বেশি বলতে পারবে সে হবেন বিজয়ী।

নিথর মাহবুব বলেন, ‘এর আগেও আনজাম মাসুদ ভাইয়ের পরিবর্তন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানে মূকাভিনয় করেছি। ঈদের এই অনুষ্ঠানে আমাকে যুক্ত করায় আনজাম ভাইকে ধন্যবাদ টিভি চ্যানেলগুলোতে বর্তমানে শিল্পের চেয়ে শিল্পীর মুখের পরিচিতির গুরুত্বটাই বেশি। তাই মূকাভিনয়ের মতো নান্দনিক শিল্পের এখানে জায়গা নেই।’

মূকাভিনয় ছাড়াও নিথর মাহবুব বর্তমানে নিয়মিত টিভিনাটকে অভিনয় করছেন। এবার ঈদের আয়োজনে বাংলা টিভিতে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত নাটক ‘বিয়াই সাব’। স্বপ্নের কারিগরের প্রযোজনায় এটি রচনা করেছেন রাজীব মণি দাস। পরিচালনায় মীর সাখাওয়াত ও জাদু ফরিদ। এছাড়াও নিথর মাহবুব অভিনীত কয়েকটি একঘণ্টার নাটক ঈদে প্রচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


আরও খবর



রূপপুর প্রকল্পে আউটার কন্টেইনমেন্ট ডোম স্থাপনের কাজ শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৪জন দেখেছেন
Image

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে আউটার কন্টেইনমেন্ট ডোমের সংযোজন কাজ শুরু হয়েছে।

সোমবার (১৬ মে) বিকেলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আশা করছি অক্টোবর মাসে এই ডোম স্থাপন সম্ভব হবে। ডোমের সংযোজন এবং স্থাপনের দায়িত্ব পালন করছে রসাটম প্রকৌশল শাখার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান স্ট্রেট রসেম।

এটমোস্ত্রয় এক্সপোর্টের (এএসই) ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের রাশিয়ান পরিচালক আলেক্সি দেইরি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণে আউটার কন্টেইনমেন্ট ডোম স্থাপন সিভিল ওয়ার্কের চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপর স্বয়ংক্রিয় (প্যাসিভ) তাপ অপসারণ ব্যবস্থার কাঠামো ও যন্ত্রপাতি স্থাপন সম্ভব হয়ে থাকে, যা ফিজিক্যাল স্টার্ট-আপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আউটার কন্টেইনমেন্ট ডোম ওপর এবং নিচ দু’টি অংশ নিয়ে গঠিত, যা নির্মাণ কর্মীদের কাছে ‘হেড পিস’ এবং ‘স্কার্ট’ হিসেবে পরিচিত। নীচের অংশে থাকে ১২টি আলাদা সেগমেন্ট এবং কংক্রিট রিইনফোর্সমেন্টসহ প্রতিটির ওজন ১৮ টন। অন্যদিকে ওপরের অংশটি ১৭টি সেগমেন্টে বিভক্ত। পুরো ডোমটির সংযোজন হবে মাটিতেই। উভয় অংশ ইন্সটলেশনের পর কংক্রিট ঢালাই শেষ হবে।

তিনি আরও বলেন, আউটার কন্টেইনমেন্ট ডোমের প্রস্তুতি, সংযোজন, ইন্সটলেশন এবং কংক্রিটিংয়ের জন্য সাধারণত প্রয়োজন হয় ১ হাজার ১৫১ দিন, যা বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মাণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দীর্ঘ সময়। তবে এ সময়কাল ৫৮৪ দিনে কমিয়ে আনার জন্য রূপপুর এনপিপিতে একটি বিশেষ আরপিএস প্রকল্পের অধীনে কাজ চলছে।

রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রসাটমের প্রকৌশল বিভাগ এর ডিজাইন প্রণয়ন ও জেনারেল কন্ট্রাক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।


আরও খবর



সেমিফাইনালে স্বাগতিকদের পেলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৭জন দেখেছেন
Image

এশিয়ান গেমস বাছাই হকি টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক থাইল্যান্ড। শনিবার ব্যাংককে দুই দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে। অন্য সেমিফাইনালে খেলবে ওমান ও ইন্দোনেশিয়া।

বাংলাদেশ গ্রুপ ‘বি’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ থাইল্যান্ডকে পেয়েছে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে। লাল-সবুজ জার্সিধারীরা গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ জিতেছে ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে।

বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ড গ্রুপ ম্যাচে জিতেছে কাজাখস্তানের বিপক্ষে। দুটি ম্যাচ ড্র করেছে উজবেকিস্তান ও হংকংয়ের বিপক্ষে। হেরেছে ওমানের কাছে।

এই টুর্নামেন্ট থেকে ৬টি দল এশিয়ান গেমসে খেলবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ, ওমান, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড এশিয়ান গেমসের টিকিট পেয়েছে।


আরও খবর