Logo
শিরোনাম

রিজার্ভ নিয়ে মিথ্যা বলছে সরকার: মান্না

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘করোনাকালে সরকার আমাদের সান্ত্বনা দিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভালো আছে। বেশি বেশি রেমিট্যান্স আসছে। এখন বোঝা যাচ্ছে রিজার্ভ নিয়ে সরকার মিথ্যা বলছে।’

শুক্রবার (২০ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নাগরিক যুব ঐক্য আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার দেউলিয়া হতে বসেছে দাবি করে মান্না বলেন, ‘বাংলাদেশে যে পরিমাণ রিজার্ভ আছে, তা দিয়ে মাত্র ৫-৬ মাস বিদেশি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এরপর আর ব্যয় মেটাতে পারবে না। তার মানে সরকার দেউলিয়া হতে বসছে।’

তিনি বলেন, ‘যখন পদ্মা সেতু বানানোর কাজ শুরু করেছিলেন, তখন বলেছিলেন ১২ হাজার কোটি টাকায় আপনারা এ কাজ করতে পারবেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে এ সেতুর পেছনে খরচ হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা। পদ্মা সেতুর ব্যয় মেটাতে ১৫-২০ বছর বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।’


আরও খবর



সেন্সরে প্রশংসিত অনন্ত-বর্ষার ‘দিন: দ্য ডে’, কোরবানি ঈদেই মুক্তি

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে অনন্ত-বর্ষার ১০০ কোটি টাকার সিনেমা। এর নাম ‘দিন: দ্য ডে’ সিনেমা। বহুল আলোচিত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ইরানি নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজম।

ছবিটি সেন্সর থেকে মুক্তির অনুমতি পাওয়ায় বেশ খুশি অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ‘সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা সিনেমাটির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। আনকাট সনদও পেলাম। কোরবানির ঈদেই ছবিটি মুক্তি দেবো।’

ছবিটি নির্মিত হয়েছে ইরানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায়। যার নির্মাণ ব্যায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা। এ ছবির বাংলাদেশ অংশের প্রযোজক অনন্ত জলিল।

প্রায় দুই বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে ছবিটি। ২০১৮ সালের শেষ দিকে ইরানের ফারাবি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হন অনন্ত। ছবিতে বাংলাদেশ থেকে অনন্ত ও বর্ষার সঙ্গে নবাগত সুমন ফারুকও অভিনয় করছেন। পাশাপাশি ইরান ও লেবাননের বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীও রয়েছেন।

এখানে অনন্তকে দেখা যাবে আন্তর্জাতিক সংস্থার পুলিশ অফিসারের চরিত্রে। নানারকম ভুল মতবাদে আসক্ত সন্ত্রাসগোষ্ঠিদের দমনে অভিযানে অংশ নিতে দেখা যাবে তাকে। ছবিটিতে ইসলাম ধর্মের সঠিক ও সুন্দর বার্তা তুলে ধরা হবে। ধুন্ধুমার অ্যাকশানে ভরপুর ছবিটিতে থাকবে পারস্য সভ্যতার আমেজ।

২০১৯ সাল থেকে শুটিং শুরু হয় ছবিটির। ইরানের হেরাতের দুর্গম পাহাড় ও মরুভূমি, আফগানিস্তান সীমান্তে শুটিং চলেছে ছবিটির। এছাড়াও ঐতিহাসিক স্থানের জন্য বিখ্যাত দেশটির আরও অনেক লোকেশনই দেখা যাবে এ ছবিতে।

পাশাপাশি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা ব্রিজ, ৩০০ ফিট, হেমায়েতপুরে শিল্প পার্কসহ বিভিন্ন লোকেশনে হয়েছে ছবিটির দৃশ্যায়ন।


আরও খবর

আবারও সিনেমা পরিচালনায় অজয়

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ডাকাতি করা ট্রাক দিয়ে ফের ডাকাতি, গ্রেফতার ৪

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর শাহআলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের তেজগাঁও জোনাল টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। ওই চক্রটি ডাকাতি করা ট্রাক দিয়েই আবার ডাকাতি করতো।

রোববার (১২ জুন) রাজধানীর বেইলি রোডে ডিএমপির মিডিয়া কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদ এসব তথ্য জানান।

গ্রেফতাররা হলেন- মকবুল হোসেন প্রকাশ ওরফে মঙ্গল হোসেন বাবু, আসলামুল হক আসলাম, রফিকুল ইসলাম ও হাসান হাওলাদার। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ডাকাতি করা ৩টি প্রাইভেটকার, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি হায়েস মাইক্রোবাস, একটি ছোরা, দুইটি চাকু, দুইটি লাঠি ও দুইটি গামছা উদ্ধার করা হয়।

ডিআইজি হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেফতাররা ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় লেজার লাইট ব্যবহার করে ট্রাক থামিয়ে ডাকাতি করতেন। লেজার লাইট ব্যবহার করায় ট্রাক চালকরা পুলিশের লোক মনে করে গাড়ি থামাতেন। এরপর হুমকি-ধামকি দিয়ে ট্রাক ও মালামাল দুটোই নিয়ে যেতেন ডাকাতরা। ডাকাতি করা ট্রাক দিয়েই আবার তারা ডাকাতি করতেন।

ডাকাতি করা ট্রাক দিয়ে ফের ডাকাতি, গ্রেফতার ৪

ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. হারুন অর রশিদ

তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় গ্রেফতাররা শাহআলী থানাধীন বেড়িবাঁধ এলাকায় চালবাহী ট্রাক ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছিলেন।

ডিআইজি হারুন অর রশিদ আরও বলেন, ডাকাতদের দলনেতা বর্তমান সময়ের মোস্ট ওয়ান্টেড ডাকাত আসলামুল হক আসলাম। তাকে অন্যান্য ডাকাতরা মাস্টার নামে ডাকেন। আসলামের নেতৃত্বে গ্রেফতাররা বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, টাঙ্গাইল, জামালপুর, ময়মনসিংহ, মানিকগঞ্জ, ধামরাই, সাভার, আশুলিয়া, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও যশোর এলাকায় ডাকাতি করেন। তাদের প্রধান কাজ ডাকাতি করা। তারা গাড়ি দিয়ে মালবাহী ট্রাকের ধান, চাল, গরু, মাছের খাবার ইত্যাদি ডাকাতি করতেন।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে শাহআলী থানায় ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।


আরও খবর



ইভ্যালির শামীমা-রাসেলের নামে লক্ষ্মীপুরে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনসহ চারজনের বিরুদ্ধে ১১ লাখ ৩৩ হাজার টাকার তিনটি চেক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন লক্ষ্মীপুর আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লক্ষ্মীপুর সদর আদালতের বিচারক শামছুল আরেফিন এ আদেশ দেন। মামলার আইনজীবী ও ভুক্তভোগী মুহাম্মদ মাহমুদুল হক সুজন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মামলাগুলো আমলে নিয়ে বিচারক সমন জারি করেন। মঙ্গলবার আসামিদের আদালতে উপস্থিত হওয়ার জন্য আদালত নোটিশ পাঠায়। কিন্তু তারা আদালতে উপস্থিত হননি। এতে আদালতের বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন।

গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত অন্যরা হলেন- ইভ্যালির ম্যানেজার ফাইন্যান্স জায়েদ হাসান, সিনিয়র ম্যানেজার ফাইন্যান্স আব্দুল্যা আল মাসুদ।

সূত্র জানায়, চলতি বছর ২৭ ও ২৮ মার্চ মুহাম্মদ মাহমুদুল হক সুজন বাদী হয়ে ইভ্যালির চেয়ারম্যানসহ চারজনের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লক্ষ্মীপুর সদর আদালতে তিনটি মামলা করেন। বাদী মাহমুদুল হক লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাহমুদুল হক এসি, টিভি, ফ্রিজ ও মোটরসাইকেল কেনার জন্য ইভ্যালিতে অগ্রিম টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু পণ্যগুলো দিতে ইভ্যালি ব্যর্থ হয়। এতে ইভ্যালির কর্মকর্তা জায়েদ হাসান ও আব্দুল্যা আল মাসুদের যৌথ স্বাক্ষরে মিডল্যান্ড ব্যাংক হিসাবে ১১ লাখ ৩৩ হাজার টাকার তিনটি চেক রেডেক্স কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে মাহমুদুল হকের কাছে পাঠায়। এতে চেকগুলো নগদায়নের জন্য তিনি ১৩ জানুয়ারি নিজের ওয়ান ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। এরমধ্যে ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা, ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকার পৃথক চেক ছিল।

ওয়ান ব্যাংক থেকে চেকগুলো নগদায়নের জন্য মিডল্যান্ড ব্যাংকে পাঠালে জানা যায় ইভ্যালির হিসাব বন্ধ রয়েছে। এতে ডিজঅনারপূর্বক চেকগুলো ফেরত আসে। ১০ ফেব্রুয়ারি মাহমুদল হক আইনজীবীর মাধ্যমে পাওনা টাকার জন্য অভিযুক্তদের লিগ্যাল নোটিশ দেন। কিন্তু তারা পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি ও চেকগুলোও ফেরত নেয়নি। এতে ইভ্যালির ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকা ও হিসাব বন্ধ থাকা সত্ত্বেও চেক দেওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এদিকে, ৬ এপ্রিল গুলশান থানার একটি এবং ধানমন্ডি থানার পাঁচটি মামলায় বাদীর সঙ্গে মীমাংসার ভিত্তিতে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা ও তার স্বামী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেলের জামিন দিয়েছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।


আরও খবর



যারা সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র চায় তাদের বর্জন করুন: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২০জন দেখেছেন
Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে লালন-পালন করে, সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে যারা দেশে গণ্ডগোল পাকায়, যারা এই অসাম্প্রদায়িক দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, অতীতে করেছিল, তাদের আপনারা চেনেন, তাদের বর্জন করুন।

শুক্রবার (১ জুলাই) বিকেলে নগরের প্রবর্তক মোড়ে চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) উদ্যোগে আয়োজিত রথযাত্রা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামে রথযাত্রা উৎসবের গৌরবোজ্জ্বল অতীত প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, রথযাত্রা চট্টগ্রামে একটি বড় উৎসব। যুগ যুগ ধরে এই রথযাত্রা উৎসব হয়ে আসছে। চট্টগ্রামে রথযাত্রা উৎসব বেশ বড় হয়। চট্টগ্রামে হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ রথযাত্রায় অংশ নেন। নগরীতে এ উৎসব নগরীর প্রতিটি মানুষ বুঝতে পারেন। প্রকৃতপক্ষে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নানাবিধ অনুষ্ঠান আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। এই রথযাত্রাও আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে। অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্যই বাংলাদেশের অভ্যুদয়। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে এসে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র রচনার জন্যই বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কেউ স্বীকার করুক আর না করুক ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগ হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে। হিন্দুদের জন্য একটি রাষ্ট্র আর মুসলিমদের জন্য আরেকটি রাষ্ট্র। কিন্তু বিভাজনের পর আমরা বাঙালিরা অনুধাবন করেছি, এই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমাদের জন্য নয়। কারণ আমাদের প্রথম পরিচয় হচ্ছে আমি কে, আমি বাঙালি, আমি বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই। দ্বিতীয় পরিচয় হচ্ছে আমি কে, আমি হিন্দু না মুসলিম, না বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পাকিস্তানে সেই সংস্কৃতি ও পরিচয় যখন হুমকির মুখে পড়লো তখন জাতির পিতার নেতৃত্বে এই বাংলাদেশ রচিত হলো।

তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে যেই চেতনার ভিত্তিতে, যে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে বুকে ধারণ করে আমাদের পূর্বসূরিরা দেশ রচনা করেছিলেন, লাল-সবুজ পতাকার জন্ম হয়েছিল সেই চেতনার মূলে আঘাত হানা হলো। রাষ্ট্রের পরিচয় বদলে দেয়া হলো। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বানানোর অপচেষ্টা হলো, অনেক ক্ষেত্রে তারা সফলও হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর যেই চেতনার ভিত্তিতে রাষ্ট্র রচিত হয়েছিল সেই রাষ্ট্রকে মূল চরিত্র ফিরিয়ে আনার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা চেষ্টা চালিয়েছেন। গত সাড়ে ১৩ বছর ধরে দেশ পরিচালনার প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রের যে পরিচয় নষ্ট করা হয়েছিল সেটি আবার পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে। এখন বাংলাদেশে সব মানুষের সমান অধিকার, সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমাদের সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করছে।

‘আমাদের এই দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করে এবং এ অপশক্তি মাঝেমধ্যে সাপের মতো ছোবল মারার চেষ্টা করে। বিভিন্ন সময় সেই অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করেছে। আমরা যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে কঠোর হস্তে দমন করতে বদ্ধপরিকর।’

আক্ষেপ করে মন্ত্রী বলেন, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই দেশে যারা সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে, তাদের রাজনীতির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা ও ভারত বিরোধিতা, যখন নির্বাচন আসে তখন তারা সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে আসে নির্বাচনের মাঠে। বলতে শুরু করে আওয়ামী লীগ হচ্ছে হিন্দুদের দল, আওয়ামী লীগ হচ্ছে ভারতের চর। যদিও এসব ট্যাবলেট আগের মতো কাজ করে না।

আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন অতি সন্নিকটে। তারা আবারও একই স্লোগান নিয়ে হাজির হবে। আমাদের সরকার হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য অনেক কাজ করেছে। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর একটি আইন করা হয়েছিল পাকিস্তান আমলে, শত্রু সম্পত্তি আইন। দেশের তিন কোটি মানুষকে শত্রু আখ্যা দিয়ে কোনো আইন হতে পারে না। সে কারণে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেই আইন পাল্টে দিয়েছেন। সেই আইনের সুযোগ নিয়ে যে সম্পত্তিগুলো বেহাত হয়েছিল সেগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। আরও নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। যেমন পূজার সময়ের বরাদ্দ এই সরকারের সময়ে কতটুকু এবং আগের সরকারের সময়ে কতটুকু ছিল। এখন চাকরির ক্ষেত্রেও সচিবালয় থেকে শুরু করে বিচার বিভাগ, সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, প্রশাসনে দেখলে বুঝা যায়, সেখানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হার এখন কতটুকু, আগে কতটুকু ছিল। এই বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, আমাদের সরকার সবার অধিকার নিশ্চিতের জন্য কী কাজ করছে।

তিনি বলেন, আপনারা ভালো করে জানেন ও বোঝেন কারা এ দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। আর দুর্যোগ দুর্বিপাকে প্রয়োজনের সময় কারা আপনাদের পাশে থাকে, সেই কথাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

ইসকন প্রবর্ত্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান, চট্টগ্রামের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন ও ইসকন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী।


আরও খবর



‘এবারের আর্জেন্টিনা গত বিশ্বকাপের চেয়ে শক্তিশালী’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৬জন দেখেছেন
Image

কিছুদিন আগে লাতিন আমেরিকার চেয়ে ইউরোপের ফুটবলকে বেশি কঠিন হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার কাইলিয়ান এমবাপে। তার মতে, ইউরোপিয়ান দলগুলোই লাতিন আমেরিকার দলগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকবে।

তবে ফরাসি তরুণের সঙ্গে একমত নন গত ফুটবল বিশ্বকাপের রানার্সআপ দল ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। তার মতে, ইউরোপের মতো লাতিন আমেরিকায়ও কড়া পরীক্ষায় পড়তে হয় দলগুলোকে। পাশাপাশি এবার আর্জেন্টিনার বেশ ভালো সুযোগ দেখছেন মদ্রিচ।

সোমবার রাতে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে ফ্রান্সকে ১-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। পেনাল্টি থেকে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন অধিনায়ক মদ্রিচই। ম্যাচ শেষে আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

এমবাপের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মূল্যায়ন জানতে চাওয়া হলে মদ্রিচ বলেন, ‘আমিও জানি এখানে পার্থক্য আছে। একেক মহাদেশে একেক ধরনের ফুটবল খেলা হয়। আমি নিশ্চিত লাতিন আমেরিকায়ও অনেক ভালো দল রয়েছে, দারুণ সব প্রতিভার দেখা মেলে। ইউরোপের মতো সেখানেও সব ম্যাচ কঠিন।’

২০১৮ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার সঙ্গে একই গ্রুপে ছিল ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হয় দুই দল। যেখানে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেয় মদ্রিচের দল। তবে সেই দলের সঙ্গে এবারের দলে বেশ পার্থক্য দেখছেন মদ্রিচ।

এ তারকা মিডফিল্ডার বলেছেন, ‘সবশেষ বিশ্বকাপে আমরা আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলেছি। সেই ম্যাচে আমরা জিতেছিলাম। তবে এখন আমি দেখছি তারা খুবই ভালো দল। আমার মনে হয়, গত বিশ্বকাপের চেয়ে এবার তারা অনেক শক্তিশালী।’

মদ্রিচ আরও যোগ করেন, ‘(লিওনেল) মেসির নেতৃত্বে তারা দারুণ একটি দল তৈরি করেছে। মেসি খুবই ভিন্ন ধরনের খেলোয়াড়। তারা সবাই এখন ঐক্যবদ্ধ। তারা খুব বেশি ম্যাচ হারেনি। এটিই অনেক কিছু প্রমাণ করে। মেসি থাকায় তারা সবসময়ই বিশ্বকাপে ফেবারিট।’


আরও খবর