Logo
শিরোনাম

রমনা বটমূলে হামলা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি শফিকুল গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১২৯জন দেখেছেন
Image

রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মুফতি শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২০০১ সালে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা হয়।

এ হামলার মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামি শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পালিয়ে ছিলেন। আজ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত শেষে ২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলায় দন্ডবিধি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলা দুটিতে একইবছরের ১৬ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু হয়। এরমধ্যে হত্যা মামলায় বিচার শেষে ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত রায় দেন। রায়ে মুফতি হান্নানসহ আটজনকে মৃত্যুদণ্ড ও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


আরও খবর



কামরুল আহসানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২ মে) এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

সোমবার ভোর ৫টার দিকে ৮৫ বছর বয়সে কামরুল আহসান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি স্ত্রী, ছয় ছেলে ও অত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।


আরও খবর



ডেসটিনির অর্থ আত্মসাৎ মামলার রায় পড়া শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া শুরু করেছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় পড়া শুরু করেন।

গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দুটি করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন ও ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল এক হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে এক হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে আট লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দুই হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



হাসপাতাল থেকে টেনেহিঁচড়ে হাজতে: ৪ এসআই বহিষ্কার

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩২৩জন দেখেছেন
Image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামিদের টেনেহিঁচড়ে হাজতে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত চার পুলিশ উপ-পরিদর্শককে সাময়িক বহিষ্কার ও দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বহিষ্কৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন, পুলিশ উপ-পরিদর্শক আলতাফ হোসেন (এসআই), সাইফুল ইসলাম (এসআই), ওয়াজেদ আলী (এসআই) ও মুনতাজ (এসআই)। এছাড়াও মোজাম্মেল হক (কনস্টেবল) ও সাথী আক্তারকে (নারী কনস্টেবল) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার (১১ মে) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাকির হোসেন সুমন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, এমন অমানবিক ঘটনায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। উক্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার পুলিশ কর্মকর্তাকে সাময়িক বহিষ্কার এবং দুজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়াও আমাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে যাদের নাম আসবে তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে মঙ্গলবার (১০ মে) বসতভিটার জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত ভিক্ষুক পরিবারকে উল্টো মামলায় জড়ানোর অভিযোগ ওঠে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহতরা চিকিৎসাধীন থাকলেও তাদের আসামি করায় পুলিশ তাদের পিটিয়ে ও টেনেহিঁচড়ে হাসপাতাল থেকে হাজতে পাঠায়। পুলিশের এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, সরিষাবাড়ী পৌরসভার বাউসি বাজার এলাকার মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে ভিক্ষুক আব্দুল জলিল (৬৪) ২০ শতক জমিতে বসতভিটা বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। প্রতিপক্ষ মুজিবুর রহমান সম্প্রতি ওই জমি তাদের দাবি করায় দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে মামলা হলে আদালত আব্দুল জলিলের পক্ষে ডিক্রি দেন।
আদালতের আদেশ অমান্য করে সোমবার সকালে প্রতিপক্ষ মুজিবুর রহমান দলবল নিয়ে আব্দুল জলিলের পরিবারের ওপর হামলা চালান। এসময় রামদা, লোহার রড় ও লাঠির আঘাতে আব্দুল জলিলসহ পরিবারের সবাই আহত হন।

গুরুতর আহত আহত আব্দুল জলিল (৬৪), তার স্ত্রী লাইলী বেগম (৫০), বড় ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক (৩০), মেজো ছেলে ওয়ায়েজ করোনি (২৫), ছোট ছেলে হামদাদুল হককে (১৬) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরিবারের অন্য সদস্য জসিম মিয়াকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনার পর মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে চিকিৎসাধীন ৪ জনসহ ১৫ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। মামলার পর মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ হাসপাতালে ঢুকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এজাহারভুক্ত ৪ আসামিকে আটক করে। হাসপাতালের বিছানা থেকে পুলিশ তাদের ‘চ্যাং দোলা’ করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাখানেক তাদের হাজতে রাখার পর বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আব্দুল জলিলের জামাতা চান মিয়া, মেয়ে জুলেখা বেগম ও ভাতিজা রানা মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, তারা মামলা করতে গেলেও পুলিশ তাদের মামলা নেয়নি। উল্টো আব্দুল জলিলকে থানায় আটকে রাখা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি হন। রাতে উল্টো অভিযুক্তরা মামলা করে।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর রকিবুল হক জাগো নিউজকে বলেন, মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে সোমবার রাতে আব্দুল জলিলসহ অন্যদের আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এরপর হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে আসামিদের আটক করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় টেনেহিঁচড়ে আটকের বিষয়ে তিনি বলেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ায় তাদের আটক করা হয়েছে। না হলে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হতো।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দেবাশীষ রাজবংশী বলেন, আহতদের চিকিৎসা চলাকালীনই পুলিশ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়েছে। চিকিৎসাধীন আসামিদের যেভাবে আটক করা হয়েছে তা অমানবিক।


আরও খবর



মিশরে ঈদুল ফিতর উদযাপন

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

পিরামিড নীলনদ আর তিন ধর্মের ঐতিহাসিক দেশ মিশর। আফ্রো এশিয়ার ইসলামিক ঐতিহ্যবাহী দেশটিতে করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই ঈদ উদযাপন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। এবার করোনার সংক্রমণ কমে যাওয়ায় আনন্দ উচ্ছ্বাসে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মিশরবাসী।

সোমবার (২ মে) ফজরের নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন মসজিদ থেকে ধ্বনি আসতে থাকে ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’। ভোরের আলো ফুটার আগেই দেখা যায় নারী পুরুষ ও শিশুরা হাতে জায়নামাজ নিয়ে ছুটে চলছে মসজিদের দিকে। সূর্য উঠার ২০ মিনিট পরেই মসজিদে ঈদের জামাত শুরু হয়।

jagonews24

মিশরে আমাদের দেশের মতো ঈদের জামাতের জন্য কোনো ঈদগাহ মাঠ নেই। তবে করোনা মহামারির আগে মসজিদের ভেতর, স্কুল, বিভিন্ন ক্লাব সংলগ্ন মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হত। গত দুই বছরের ন্যায় এবার খোলা মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ ছিল মিশরের ওয়াকফ মন্ত্রণালয় থেকে।

তাদের বেধে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী ঐতিহাসিক মসজিদ আল-আজহার ও আমর ইবনুল-আসসহ প্রধান মসজিদগুলোতে একীভূত খুতবা দিয়ে নামাজ শেষ করা হয়। এবার ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক সাংবাদিকসহ তিন হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি।

jagonews24

মিশরে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম ও দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা তাদের নিজ নিজ এলাকায় মসজিদে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

অন্যান্য বছরের মতো এবার ও রাজধানী কায়রোস্থ ঘানা ফার্ম এলাকায় অবস্থিত ‌‘বাংলাদেশ হাউস’ প্রবাসীদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম। দুপর ১.৩০ মিনিটে বাংলাদেশ হাউসে আগত বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যদের অভ্যর্থনা জানান রাষ্ট্রদূত মনিরুল ইসলাম ও তার সহধর্মিণী ফাহিমা তাহসিন।

jagonews24

প্রবাসী বাংলাদেশিদের আপ্যায়নের জন্য ফাহিমা তাহসিন নিজ হাতে তৈরি করেন বিভিন্ন ধরনের হালোয়া, খেজুরের সন্দ্বেশ, বিভিন্ন রকমের সেমাইসহ দেশীয় ঐতিহ্যবাহী ঈদের সব রকমারি খাবার। দুপুর ১.৩০ মিনিট থেকে ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রবাসীদের নিয়ে গল্প গুজব ও আপ্যায়নে মেতে ছিলেন রাষ্ট্রদূত দম্পতি।

এসময় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশি ও মিশরীয় নাগরিকসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি দেশে অবস্থিত প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদেরও শুভেচ্ছা জানান।

বাংলাদেশ দূতাবাস ভবনের ‘অপেন হাউস’ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মিশরে বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত বাংলাদেশি উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিরা।


আরও খবর



অষ্টম শ্রেণি পাসে চাকরি দিচ্ছে ঢাকা বোট ক্লাব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৫জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বোট ক্লাব লিমিটেডে ‘সিকিউরিটি গার্ড’ পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৫ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ঢাকা বোট ক্লাব লিমিটেড

পদের নাম: সিকিউরিটি গার্ড
পদসংখ্যা: ১০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি
অভিজ্ঞতা: ০১-০২ বছর
বেতন: ১১,০০০ টাকা

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২০-৩০ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা [email protected] এই মেইলে সিভি পাঠাতে পারেন অথবা www.jobs.bdjobs.com মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৫ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর