Logo
শিরোনাম

রুশ সেনাদের মরদেহ সংগ্রহ করছে ইউক্রেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪২জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ গড়িয়েছে তৃতীয় মাসে। থেমে থেমে চলছে রুশ ও ইউক্রেন সেনাদের লড়াই। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বেসামরিক লোক হতাহতের পাশাপাশি অনেক ইউক্রেন ও রাশিয়ার সৈন্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এবার যুদ্ধে নিহত রুশ সেনাদের মরদেহ সংগ্রহ করা শুরু করেছে ইউক্রেন।

খবর পাওয়া গেছে, ইউক্রেনে নিহত রাশিয়ান সৈন্যদের মৃতদেহ কিয়েভের বাইরে একটি রেল ইয়ার্ডে আনা হচ্ছে এবং একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রেনে রাখা হচ্ছে। রুশ সেনাদের মরদেহ নিজ দেশে তাদের স্বজনদের কাছে ফেরত পাঠাবে ইউক্রেন সরকার।

ইউক্রেনের প্রধান বেসামরিক ও সামরিক যোগাযোগবিষয়ক কর্মকর্তা ভলোদিমির লিয়ামজিন বলেছেন, রুশ সেনাদের বেশিরভাগ মরদেহ পাওয়া গেছে কিয়েভ অঞ্চলে। এ ছাড়া চেরনিহিভসহ আরও কয়েকটি অঞ্চলেও পাওয়া গেছে তাদের মরদেহ।

jagonews24

তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনজুড়ে অন্যান্য অঞ্চলে অবস্থান করা রেফ্রিজারেটেড ট্রেনগুলো একই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

যদিও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে জানা যায়নি তবে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলা চালানোর পর থেকে অধিক সংখ্যক রুশ সেনার মৃত্যু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে একটি অস্বস্তিকর ব্যাপার হতে পারে।

jagonews24

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে টানা এক মাস ধরে উত্তেজনা চলার পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে আগ্রাসন চালায় রাশিয়া। বহু মানুষ হতাহতের খবর পাওয়া গেছে দেশটিতে। এর মাঝে কয়েকটি অঞ্চলে গণকবরের সন্ধান পাওয়ার দাবিও করেছে ইউক্রেন। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে প্রায় ৫০ লাখ ইউক্রেনীয়। যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিলেও থামতে নারাজ পুতিন সরকার। অন্যদিকে হার মানতে রাজি নন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও।

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারেও। অধিকাংশ দেশে বেড়েছে সব পণ্যের দাম। ইউক্রেন, রাশিয়া থেকে খাদ্যপণ্য আমদানি করতে না পারায় খাদ্য সংকটও তৈরি হয়েছে কয়েকটি দেশে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধ না হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে।

সূত্র: রয়টার্স


আরও খবর



‘তুই আমাকে মারিস না, আমি তোর মা’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৪৩জন দেখেছেন
Image

জমি লিখে না দেওয়ায় ৮০ বছর বয়সী মাকে নির্যাতন করে দুই হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ব্যাংক কর্মকর্তা ছেলের বিরুদ্ধে। হাত-পা মাথাসহ ওই মায়ের শরীরের সব জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলেকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মে) দিনাজপুর শহরের বড়বন্দর নতুনপাড়া মহল্লায় ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতনের শিকার মা রেজিয়া খাতুন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা। তিনি বড়বন্দর নতুনপাড়া মহল্লার মৃত বাহার আলীর স্ত্রী। স্বামী বাহার দিনাজপুর জিলা স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ছিলেন। নির্যাতনকারী ছেলে মো. রাজীব আলী ডন একটি বেসরকারি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার।

মামলা, ভুক্তভোগী এবং স্বজনদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, রেজিয়া বেগমের দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে মারা গেছেন। স্বামীও মারা গেছেন অনেক আগে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট ছেলে মো. রাজীব আলী ডন ব্যাংক কর্মকর্তা। ছোট ছেলে ও বড় ছেলের রেখে যাওয়া এক সন্তানকে নিয়ে বড়বন্দর নতুনপাড়ায় থাকেন তিনি। বেশ কিছুদিন থেকে রাজীব মায়ের কাছে বসতবাড়ির ১৬ শতাংশ জমি লিখে নিতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু মা তাতে রাজি হচ্ছিলেন না।

jagonews24

একসময় রাজীব বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করলে মা বাধ্য হয়ে তাকে তিন শতাংশ জমি লিখে দেন। এতেও মন ভরেনি তার। বাকি জমি লিখে না দেওয়ায় নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। গত ১৯ রমজান মাকে আবারও নির্যাতন করেন রাজীব। সেদিন পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের সমঝোতায় ছাড়া পান তিনি।

পরে গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে রাজীব ও তার স্ত্রী খালেদা ওই বৃদ্ধাকে বাকি জমি লিখে দিতে চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় ছেলে ও তার স্ত্রী বৃদ্ধার ওপর অমানবিক নির্যাতন শুরু করেন। যে লাঠির ওপর ভর করে তার মা চলাফেরা করেন, সেই লাঠি কেড়ে নিয়ে ও লোহার রড দিয়ে মাকে নির্যাতন শুরু করেন ছেলে। লাথি মেরে মাকে মেঝেতে ফেলে দেন। মায়ের শরীরের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে আঘাত করেননি। নির্যাতন সইতে না পেরে মা বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য বেরিয়ে আসলে আবারও টেনেহিঁচড়ে বাড়িতে নিয়ে নির্যাতন করেন ছেলে ও তার স্ত্রী। এসময় ওই বৃদ্ধার দুই হাত ভেঙে যায়। মাথায় আঘাত পান, পায়ে তৈরি হয় আঘাতের ক্ষত। ছেলের স্ত্রী খালেদা বেগম বুকের ওপর চেপে বসে গলা চেপে ধরেন। এসময় বড় ছেলের রেখে যাওয়া সন্তান লিমন ফুফুদের খবর দিলে তারা এসে মাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে বিষয়টি জানতে পেরে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে যান জাগো নিউজের প্রতিবেদক। সেখানে গিয়ে অপারেশন থিয়েটারের সামনে দুই হাতে প্লাস্টার করার জন্য দুই মেয়েকে নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় রেজিয়া বেগমকে।

এসময় রেজিয়া বেগমের ছোট মেয়ে জনতা ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র অফিসার মোছা. সামসি জাহান বকুল বলেন, এর আগেও জমির জন্য আমার ভাই রাজীব মাকে মারধর করেছে। আবারও আমার ভাই ও ভাবি মাকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দিয়ে নিজেই আবার মায়ের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করতে গিয়েছিল। এসময় পুলিশ তাকে আটক করে। আমরা তার বিচার চাই।

আরেক মেয়ে আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, আমরা ভাইবোন সবাই শিক্ষিত। আমার বাবা শিক্ষক ছিলেন। আমার মা সাবেক শিক্ষিকা। আমাদের পরিবারে এই ঘটনা কোনোভাবেই মানতে পারছি না। মায়ের ওপর নির্যাতনকারী আমার ভাই রাজীবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে করে আর কোনো সন্তান মায়ের ওপর এমন অমানবিক নির্যাতন না করে।

jagonews24

অপারেশন থিয়েটারের সামনে ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মা রেজিয়া বেগম বলেন, আমি বংশের সবার বড় সন্তান, আমাকে কেউ কোনোদিন ফুলের টোকাও দেয়নি। আমি বারবার ছেলেকে বলছিলাম বাবা, তুই আমাকে মারিস না, আমি তোর মা। কিন্তু ছেলে শোনেনি। আজকে আমি হাসাপাতালে। আর যে ছেলেকে আদর-যত্ন দিয়ে মানুষ করেছি সেই ছেলে মাকে নির্যাতনের ঘটনায় জেলে। বলেন দেখি এটা কী হয়!

এখন আপনি কী চান এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি কিছু সময় চুপ থেকে কাঁপা কাঁপা গলায় বলেন, দেশের প্রচলিত আইনে ছেলের বিচার চাই। যাতে কোনো মা যেন এমন নির্যাতনের শিকার আর না হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাজীবের স্ত্রী খালেদার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে কোতোয়াাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়ে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা রেকর্ড করে তাকে আদালতে চালান দেওয়া হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়েছেন। তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হবে।


আরও খবর



হালিশহরে মাইক্রোবাসে ইয়াবা পাচারকালে গ্রেফতার ২

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৪জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর বড়পোল এলাকায় মাইক্রোবাসে ইয়াবা পাচারের সময় মো. রেজাউল করিম ওরফে রোমান (৩০) এবং আলী আকতার (৩৫) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার রোমান চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ থানার গাছুয়া গ্রামের মো. কামাল উদ্দিনের ছেলে এবং আলী আকতার কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলি থানার মিঠাবল সাজুলপুর গ্রামের মৃত মলু মিয়ার ছেলে। তারা দুজনই নগরীর হালিশহর এলাকার ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

শনিবার (১৪ মে) দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হালিশহর থানা পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিবি দক্ষিণ বিভাগের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

jagonews24

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিবি দক্ষিণ বিভাগের পরিদর্শক মোক্তার হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১৩ মে) দিনগত রাতে হালিশহর বড়পোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি মাইক্রোবাসসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতাররা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম শহরে বিক্রয়ের জন্য বড়পোল এলাকায় অবস্থান করেছিল তারা। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে হালিশহর থানায় মামলা হয়েছে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর উপহারের অ্যাম্বুলেন্সে মাদক পাচার!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৯জন দেখেছেন
Image

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনায় মাদক পাচারের সময় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুদানের একটি অ্যাম্বুলেন্স। ওই অ্যাম্বুলেন্স থেকে ৬০৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে পুলিশ।

বুধবার (১১ মে) বিকেল ৪টায় মহাসড়কের উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের কোড়েরপার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটেনি। অ্যাম্বুলেন্সটি ছিল চাঁদপুর আঞ্জুমান খাদেমুল ইনসানের।

কুমিল্লার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি সার্কেল) মো. ফয়েজ ইকবাল জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

jagonews24

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, বিকেল ৪টা থেকে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কোড়েরপাড় ব্রিকস ফিল্ড সংলগ্ন খাদে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা চালকসহ অন্যদের উদ্ধার করতে গিয়ে ভেতরে কোনো মানুষ পায়নি।

এ সময় তারা অ্যাম্বুলেন্সে অনেকগুলো কার্টুন দেখেন। এরমধ্যে একটি ছেঁড়া কার্টুনের ভেতরে ফেনসিডিল দেখে ৯৯৯-এ পুলিশে খবর দেয়। পরে চান্দিনা থানা পুলিশ ও ইলিয়গঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অ্যাম্বুলেন্সে থেকে ৬০৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে আঞ্জুমান খাদেমুল ইনসান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল জাগো নিউজকে জানান, অ্যাম্বুলেন্সটি পরিচালনার জন্য সুজন নামে এক ড্রাইভারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমরা মূলত গরিব ও অসহায়দের বিনা মূল্যে সার্ভিস দিলেও বিত্তবান রোগীদের থেকে মূল্য নিয়ে থাকি। শুনেছি গাড়িটি কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে এবং ওই গাড়ি থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। ফেনসিডিলের বিষয়ে খবর নিয়ে চাঁদপুরের এসপিকে ড্রাইভারের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। আশা করছি বিষয়টি জানা যাবে।


আরও খবর



আহসান মঞ্জিলে প্রবেশে অনলাইনে টিকিট পেতে ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বুকে দর্শনীয় স্থানের মধ্যে একটি পুরান ঢাকার আহসান মঞ্জিল। বিভিন্ন ছুটির দিনে এখানে ভিড় থাকে। বিশেষ করে ঈদের সময় ভিড়টা থাকে একটু বেশি। এবারও হয়নি এর ব্যতিক্রম।

তবে এবার অনলাইনে টিকিট কিনে প্রবেশ করতে হচ্ছে আহসান মঞ্জিলে। সেক্ষেত্রে ভোগান্তির কথা বলছেন অনেকে। কেউ আবার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না। ফলে টিকিট না পেয়ে জোর করেই ভেতরে প্রবেশ করছেন অনেক দর্শনার্থী।

শুক্রবার (৬ মে) বিকেল ৫টায় আহসান মঞ্জিলে গিয়ে দেখা যায়, পরিবার বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে এসেছেন দর্শনার্থীরা। এদের মধ্যে অনেকে টিকিট করতে না পেরে ভিড় জমান প্রবেশপথে।

jagonews24

দর্শনার্থীরা বলছেন, অনলাইনে তারা টিকিট পাচ্ছেন না। আবার আহসান মঞ্জিলের কাউন্টারেও টিকিট নেই। কাউন্টারে টিকিট থাকলে এমনটা হতো না।

রাজধানীর ধোলাইপাড় থেকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে আসা জসিম বলেন, অনলাইনে টিকিট কাটতে পারি নাই। এখানে কোনো টিকিট নেই কাউন্টারে।

মোহাম্মদপুর থেকে আসা মো. রোকন জাগো নিউজকে বলেন, সার্ভারে একাউন্ট করেছি। কিন্তু সেখানে আর প্রবেশই করতে পারি নাই। টিকিট না পেয়ে তাই ধাক্কাধাক্কি করে ঢুকতে হয়েছে।

jagonews24

রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে আসা ফাতেমা ইয়াসমিন বলেন, এখানে এসে দেখলাম যে এমনিতেই ঢুকছে মানুষ। আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজন ঢুকে পড়েছি, কিন্তু মেয়ে দুজন ঢুকতে পারেনি।

আহসান মঞ্জিলের গেটের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য আইন উদ্দিন বলেন, প্রচুর দর্শনার্থী, যারা টিকিট নিয়ে এসেছেন তাদের প্রবেশ করতে দিলেই মানুষ জোর করে ঢুকে পড়ছে।


আরও খবর



ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুতিন

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে দীর্ঘ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। খুব শিগগির এই সংঘাত শেষ হচ্ছে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে। সেখানকার ভূখণ্ড দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সতর্কতা দেওয়া হলো।

রাজধানী কিয়েভ দখলে রুশ বাহিনীর প্রচেষ্টা প্রতিহত করেছে ইউক্রেনীয় সেনারা। এরপরেই ডনবাস অঞ্চল দখলে ওপর জোর দিয়েছে রাশিয়া। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, এতকিছুর পরেও রুশ বাহিনী আসলে অচলাবস্থায় রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক এভ্রিল হেইনস মঙ্গলবার মার্কিন সিনেট কমিটির শুনানিতে বলেন, পুতিন এখনও ডনবাসের বাইরেও তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে চান। কিন্তু তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতা নেই।

তিনি আরও বলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট সম্ভবত বুঝতে পারেননি যে, ইউক্রেনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপ এভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে। রাশিয়া এখন চাপে পড়েছে। দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গেছে, খাদ্য এবং অন্যান্য জিনিসপত্রের সংকট দেখা দিয়েছে।

যুদ্ধ চলতে থাকায় পুতিন হয়তো আরও কঠোর হয়ে উঠতে পারেন। এমনকি অস্তিত্বের হুমকি মনে হলে মস্কো পারমাণবিক অস্ত্রও ব্যবহার করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক স্কট বেরিয়ার একই শুনানিতে বলেন, রাশিয়া এবং ইউক্রেন কিছুটা অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে।

সর্বশেষ লড়াইয়ে উত্তর-পূর্ব খারকিভ অঞ্চলের চারটি এলাকা পুনর্দখল করার দাবি করেছে ইউক্রেন। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, চেরকাসি টাইশকি, রুস্কি টাইশকি, রুবিঝনে এবং বায়রাক অঞ্চল রাশিয়ার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের সাফল্য ক্রমান্বয়ে রুশ বাহিনীকে খারকিভ থেকে চলে যেতে বাধ্য করছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন অঞ্চলে বোমাবর্ষণ করে যাচ্ছে রুশ বাহিনী।


আরও খবর