Logo
শিরোনাম

সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে: প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৬৮জন দেখেছেন
Image

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম বলেছেন, সারাদেশে কর্মরত সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের সাংবাদিকদের একটি প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে। সংবাদ প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে প্রেস কাউন্সিলে যাওয়ার বিধান রাখা হবে।

রোববার (২৯ মে) ফরিদপুর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে ‘সাংবাদিকতার নীতিমালা ও নৈতিকতা, প্রেস কাউন্সিল আইন ও আচরণবিধি এবং তথ্য অধিকার আইন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় কাউন্সিলের সদস্য প্রবীণ সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, অশিক্ষিত ব্যক্তি দিয়ে সুস্থ, নীতি নৈতিকতা ভিত্তিক সাংবাদিকতা  সম্ভব নয়। আলু-পটলের ব্যবসায়ীরা যদি সংবাদপত্রের মালিক হন তাহলে সাংবাদিকতার মান থাকবে না। একমাত্র রক্ষাকবচ হলো সত্যকে আঁকড়ে ধরা। নীতি-নৈতিকতাকে মেনে নিয়ে সাংবাদিকতাকে চালিয়ে যেতে হবে। অপরাধ চক্রের সঙ্গে যারা জড়িত তারা সব সময় চাইবে সাংবাদিকেরা যেন কখন স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. শাহ্ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




গৃহায়ণ প্রকৌশলীর নামে রাজশাহীতে দুদকের মামলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, স্থানান্তর, রূপান্তর, হস্তান্তর ও দুদকের কাছে তথ্য গোপনের অভিযোগে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের রাজশাহী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরিমল কুমার কুরীর (৫৮) নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (৬ জুন) রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করা হয়। দুদকের পক্ষ থেকে রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (এডি) আমির হোসাইন মামলাটি করেন।

জানা গেছে, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের রাজশাহী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরিমল কুমার কুরী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার বেলাট গ্রামের মৃত পশুপতি কুরীর ছেলে। বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-২ এলাকার ১ নম্বর রোডের (নম্বর-১, ব্লক জি/১) অফিসার্স কোয়ার্টারে (নম্বর-০৩/১) বসবাস করছেন।

সোমবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (এডি) আমির হোসাইন।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরিমলের নামে দুদক কার্যালয়ে একটি অভিযোগ আসে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলে। পরে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৬ (১) ধারায় পরিমল কুমার কুরীকে তার নামে থাকা সম্পদ বিবরণীর নোটিশ জারির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদকের) আদেশে বর্তমান আসামি পরিমল কুমার কুরী তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে তিনি তা যাচাই করেন। পরে অসঙ্গতি থাকায় তার নামে মামলা দায়েরের সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

দুদকের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, আসামি পরিমল কুমার কুরী দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৩৬ লাখ ১২ হাজার ৬৭৯ টাকা মূল্যের সম্পদের তথ্য অসৎ উদ্দেশে গোপন করে মিথ্যা তথ্য দেন। এ সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫০ লাখ ৪৩ হাজার ৫১৬ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অর্জন করার অপরাধ করেছেন।

অপরাধলব্ধ আয়ের এ পরিমাণ টাকার অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন করতে এরই মধ্যে তার মালিকানা স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করেছেন। এর দায়ে তার নামে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ধারায় এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় কমিশনের অনুমোদনক্রমে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় মামলাটি করেছে বলে জানান দুদকের সহকারী পরিচালক আমির হোসাইন।

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালত দুদকের এ মামলাটি সোমবার আমলে নিয়েছেন। এখন সেখান থেকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই অপরাধে পরিমল কুমার কুরীর স্ত্রী সোমা সাহার নামেও পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন এ দুদক কর্মকর্তা।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




অন্তত ৬ মাস জ্বালানির মূল্য না বাড়ানোর প্রস্তাব সিপিডির

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

প্রস্তাবিত বাজেটে নেওয়া কৌশল ও বাস্তবায়নের পদক্ষেপের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব আছে বলে মনে করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)। মূল্যস্ফীতি কমানো, ডলার মার্কেটে ভারসাম্য আনা ও ভর্তুকি বিষয়ে বাজেটে অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবকে যথাযথ নয় জানিয়ে সংগঠনটি বলছে অর্থমন্ত্রী অসুখের লক্ষণ ধরতে পারলেও এর ওষুধ সম্পর্কে ধারণা নেই তার। এছাড়াও অন্তত ৬ মাস জ্বালানির মূল্য না বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে সিপিডি।

বাজেট ঘোষণার পরদিন শুক্রবার (১০ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পর্যালোচনা করেন সিপিডির গবেষকরা। এসময় তারা এই প্রস্তাব করেন।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, অর্থমন্ত্রী অসুখের লক্ষণ ধরতে পেরেছেন, কিন্তু যে ওষুধ দরকার- তা তার কাছে পর্যাপ্ত নেই বা ওষুধ জানা নেই অথবা যে মাত্রায় ওষুধের ডোজ দেওয়া দরাকার সে মাত্রায় প্রয়োগ হয়নি। যেসব চ্যালেঞ্জের কথা বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছেন সেটির সাপেক্ষে যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া দরকার, আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেটা অপ্রতুল বা অপর্যাপ্ত দেখতে পেয়েছি।

তার মতে, এখন এমন একটি সময় যাচ্ছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেয়ে মূল্যস্ফীতি জনিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা আমরা জানি এটি বাহির থেকে আগত। মূল্যস্ফীতি জনিত অভিঘাতগুলো আসছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ওপর, সে বিষয়ে দৃষ্টি দেওয়া উচিত ছিল।

খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে যেসব প্রস্তাব করা হয়েছিল তার মধ্যে ছিল করমুক্ত আয় সীমা বাড়ানো। দরিদ্র নয় কিন্তু সীমিত আয়ের মানুষদের কিছুটা আয়ের সাশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। দ্বিতীয় একটা দিক ছিল সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়ানো। দুর্ভাগ্যবশত বাড়ানোতো হয়নি, অনেকক্ষেত্রে বাজেটে বরাদ্দ কমানোর ঘোষণা রয়েছে। এটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে ওষুধের ডোজের ক্ষেত্রে এখানে বড় সমস্যা রয়েছে।

এই গবেষক আরও বলেন, সাবসিডির (ভর্তুকি) ক্ষেত্রে যেসব ব্যবস্থাপনা করা হবে অর্থমন্ত্রী সেখানে ঠিক ডোজই নিয়েছেন, সেখানে সাবসিডি বাড়িয়েছেন। সঙ্গে এটাও বলছেন পুরো সাবসিডি দিয়েওে তিনি বিদ্যুৎ বা জ্বালানি খাতের মূল্য সমন্বয় না করে থাকতে পারবেন না। তার মানে হচ্ছে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি ও তেলের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা আসতে পারে।

তিনি বলেন, আমরা জোরালোভাবে বলতে চাই, এখন যে পরিস্থিতি তাতে জ্বালানির মূল্য বাড়লে ভোক্তার প্রকৃত আয়কে আরও কমিয়ে দেওয়ার প্রকৃত সময় নয়। যদি জ্বালানি সাশ্রয় গুরুত্বপূর্ণ হয় তাহলে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট দেখে, জ্বালানি তেলের উঠানামার বাজেট দেখে অন্তত ছয় মাস পরে এই ধরনের মূল্য সংক্রান্ত বিষয়টি যেন অর্থমন্ত্রী বিবেচনা করেন। তার আগে যেন বিষয়টি (দাম বৃদ্ধি) না হয়।

কোভিডের কারণে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে ক্ষতি হলেও বাজেটে এর বরাদ্দ কমেছে। বলা হয়েছে, ডলারের মার্কেটে ভারসাম্য আনা হবে কিন্তু সেটা করতে গিয়ে যে ওষুধ সাজেস্ট করা হয়েছে এটা একটি ভুল ওষুধ। বাইরে পাচার হওয়া টাকা করের মাধ্যমে দেশে আনার সুযোগ দেওয়া হলে তা ইতিবাচক হবে না। এটা যারা সৎ করদাতা ও কর ব্যবস্থায় যারা বিশ্বাস করেন তাদের প্রতি স্রেফ চপেটাঘাত বলেও মন্তব্য করেন গোলাম মোয়াজ্জেম।

অনুষ্ঠানে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বর্তমান চড়া মূল্যের বাজরে অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি পাঁচ দশমিক ৬ শতাংশে রাখার যে প্রাক্কলন করেছেন তা বাস্তবতার সঙ্গে কোনো মিল নেই। সরকারি হিসাবেই এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছয় দশমিক ২৯ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল খাদ্যপণ্যসহ সব ধরনের জিনিসের দাম বাড়ছে। কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়ছে।

আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কীভাবে কমে যাবে সে বিষয় নিয়ে বাজেটে সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাজেটে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হিসাব কীভাবে এলো, এটা কীভাবে কমবে তা বলা হয়নি।

বাজেটে বিত্তশালীদের জয় হয়েছে জানিয়ে সিপিডি সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, আসলে সম্পদশালী, বড় উদ্যোক্তা, টাকা পয়সা বাইরে পাচার করেছেন তাদের জয়টাই বেশি দেখা যাচ্ছে। সেই অর্থে গরীব মানুষের জন্য বর্ধিত হারে সুযোগ সুবিধা আসেনি। সবচেয়ে বড় উপেক্ষিত জনগোষ্ঠী হলো মধ্যবিত্ত। কর ছাড়ের বিষয়টা সেখানে আসেনি। তিনি কোভিড সুরক্ষাসামগ্রী ও প্রযুক্তি পণ্যের ওপর বাড়তি কর প্রয়োগের সমালোচনা করেন।

তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, সরকার ধরে নিয়েছে কোভিড চলে গেছে। কোভিড চিকিৎসা সামগ্রীর ওপর তাড়াহুড়ো করে কর আরোপের দরকার ছিল না। আরেকটা ওয়েভ আসলে সেখান থেকে ব্যবসায়ীরা সুযোগ নেবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




বেলমন্ট গ্রুপে ১০ জনের চাকরি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ফ্যাশন হাউজ বেলমন্ট গ্রুপে ‘আউটলেট ক্যাশিয়ার’ পদে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বেলমন্ট গ্রুপ

পদের নাম: আউটলেট ক্যাশিয়ার
পদসংখ্যা: ১০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.কম/এম.কম
অভিজ্ঞতা: ০৩-০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs2.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৩ জুলাই ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




নারীরা কি মাহরাম ছাড়া হজ করতে পারবে?

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

হজ শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতার ইবাদত। এ দুটি শর্ত কারো মধ্যে থাকলে হজ ফরজ কিন্তু নারীর জন্য তা একটু ব্যতিক্রম। শারীরিক ও আর্থিক সমার্য্কবান নারীদের জন্য হজ করতে মাহরাম বা দেখা-সাক্ষাতের বৈধ সঙ্গীর প্রয়োজন। যদিও নারীর হজের জন্য স্বামীর অনুমতি শর্ত নয়। তবে সব কাজে স্বামীর অনুমতি নেওয়া ও পরামর্শভিত্তিক কাজ করা মোস্তাহাব। কেননা আল্লাহ তাআলা উপদেশ দিচ্ছেন, ‘তোমরা পরামর্শভিত্তিক কাজ করো।’ (সুরা ইমরান : আয়াত ১৫৯)

নারীদের হজের জন্য মাহরাম আবশ্যক। নারীদের হজের জন্য মাহরাম পাওয়া গেলে স্বামী অনুমতি না দিলেও হজ সম্পন্ন করা আবশ্যক। হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহর অবাধ্য হয়ে কোনো মানুষের আনুগত্য চলবে না। আনুগত্য তো কেবল ভালো কাজের জন্য। (বুখারি ও মুসলিম)

নারীদের হজ সম্পাদনে মাহরামের আবশ্যকতা সম্পর্কে ইমামগণ মতভেদ করেছেন। তাহলো-
১. ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজহাব মতে, নারীদের ওপর হজ ফরজ হওয়ার জন্য মাহরাম শর্ত। মাহরাম না থাকলে অঢেল সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর হজ ফরজ হবে না। (বাদায়িউস সানা)

২. ইলমে ফিকাহর বিখ্যাত গ্রন্থ হেদায়াতে এসেছে, ‘কোনো নারী যদি মাহরাম ছাড়া হজ করে তবে হজ আদায় হয়ে যাবে কিন্তু মাহরাম ছাড়া (হজের) সফর করার কারণে ঐ নারী গুনাহগার হবে। এ প্রসঙ্গে তাদের দলিল হলো বিশ্বনবির এ হাদিস-
হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মাহরাম ছাড়া কোনো নারী কোনো পুরুষের সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না এবং কোনো নারী মাহরাম ছাড়া সফর করবে না। এক সাহাবি বলল, হে আল্লাহর রসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার স্ত্রী হজ করতে যাচ্ছে আর আমি অমুক যুদ্ধে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হজে যাও।’ (বুখারি ও মুসলিম)

৩. ইমাম শাফেঈ ও ইমাম মালিক রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজহাব মতে, ‘নারীদের ওপর হজ ফরজ হওয়ার জন্য মাহরাম শর্ত নয়। বরং শর্ত হলো তার (হজে গমনকারী নারীর) নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া। সফরের পথ যদি নিরাপদ হয় তবে মাহরাম ছাড়াও একজন নারী একদল মাহরামওয়ালী নারীর সঙ্গে হজে যেতে পারবেন। তাদের মতের পক্ষে হাদিসে এসেছে-
হজরত আদি ইবনে হাতেম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘হে আদি! যদি তোমার জীবনকাল দীর্ঘ হয়, তুমি অবশ্যই দেখতে পাবে, ইরাকের হীরা অঞ্চল থেকে একজন নারী একাকি উটের হাওদায় বসে কাবা তওয়াফ করবে এবং সে আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাবে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)

প্রকৃতপক্ষে নারীর করণীয়
হজের সফরে নারীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সার্বিক বিবেচনায় মাহরাম একান্ত প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে নানা জটিলতা ও সমস্যায় মাহরাম ছাড়া নারীদের হজে গমন মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ।

তাই সব নারীর উচিত, মাহরামসহ হজের সফর করা। হজের জন্য মাহরাম না থাকলে হজের সফর থেকে বিরত থাকা। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তবেই হজের সফরে যাওয়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর প্রত্যেক নারীকে হজ আদায়ের জন্য মাহরামসহ হজের প্রস্তুতি গ্রহণ করে যথাযথভাবে হজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



গৃহপরিচারিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালীতে মাহিনুর আক্তার (২০) নামের এক গৃহপরিচারিকার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি তাকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাত ৯টায় নোয়াখালী পৌরসভার উত্তর ফকিরপুর এলাকার সান্ত্বনালয় নামের একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। মাহিনুর বেগমগঞ্জের ছয়ানী ইউনিয়নের তালিবপুর গ্রামের বড় মোল্লা বাড়ির মো. নুরুল হকের মেয়ে। তিনি গত এক বছর আগে ওই বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজ নেন।

মাহিনুর পরিবারের অভিযোগ, বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহনাজ বেগম দায়িত্ব নিয়ে এক বছর আগে তার ভাই নাছিম উদ্দিন বাবুর বাসায় মাহিনুর আক্তারকে গৃহপরিচারিকার কাজ দেন। এরপর থেকে মাহিনুরের ওপর নির্যাতন চালাতেন বাবু ও তার স্ত্রী। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাবু ও তার পরিবারের লোকজন মাহিনুরকে মেরে মরদেহ ঝুলিয়ে তা আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে।

মাহিনুরের ভাই মামুন হাসান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে মাহিনুরের বাসার মালিক নাছিম উদ্দিন বাবু মোবাইলে আমাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আসতে বলে দ্রুত ফোন কেটে দেন। আমরা হাসপাতালে গিয়ে মর্গের ভেতর মাহিনুরের মরদেহ দেখতে পাই। হাসপাতালে লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারি, মাহিনুরের মরদেহ হাসপাতালে রেখেই বাসার লোকজন চলে যায়।’

মামুন অভিযোগ করে বলেন, ‘মাহিনুরের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বাবু ও তার বাসার লোকজন মাহিনুরকে হত্যার পর ঘরের একটি কক্ষে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছেন। পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।’

মাহিনুরের মা মায়া বেগম হাসপাতালের মর্গের সামনে আর্তনাদ করতে করতে বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি উপজেলা চেয়ারম্যানের কারণে মেয়েকে ওই বাসায় কাজে দিয়েছিলাম। আমি আমার মেয়ে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত নাছিম উদ্দিন বাবু বলেন, ‘চলাফেরা নিয়ে মাহিনুরকে আমার স্ত্রী বিভিন্ন সময় বকাঝকা করতো। এজন্য আমাদের ওপর তার অনেক রাগ ছিল। উল্টাপাল্টা চললেও আমার বাচ্চা তাকে অনেক পছন্দ করতো তাই রেখে দিয়েছিলাম। কিন্তু সে যে এমন কাজ করবে আমরা ভাবতে পারিনি।’

নাছিম বাবুর দাবি, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে তার কক্ষ থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের বাইরে থেকে ভেতরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাকে দেখতে পাই। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি জানাই।’

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. আসিফ মো. বখতিয়ার জাগো নিউজকে বলেন, ‘মৃত অবস্থায় ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, মৃতের মরদেহ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২