Logo
শিরোনাম

সাংবাদিকরা ভয় পেলে সরকারের কিছু করার নেই: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৩জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশের সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমগুলো অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এটি উন্নয়নশীল দেশের উদাহরণ। কেউ যদি নিজেদের (সাংবাদিক হিসেবে) ভয় পায়, সেক্ষেত্রে সরকার বা অন্য কারও কিছু করার আছে বলে আমি মনে করি না।

বুধবার (১১ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে ওভারসিজ করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওক্যাব) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যারা সৎ সাংবাদিক, তাদের নির্ভয়ে কাজ করা দরকার। যারা সৎ সাংবাদিকতা করে, সমাজের ত্রুটি-বিচ্যুতি তুলে ধরেন ও সমালোচনা করেন সরকার তাদের পাশে আছে।

মানবাধিকার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংগঠনের প্রয়োজন আছে। কারণ দেশে দেশে যদি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়, সেজন্য ইন্টারন্যাশনাল ভয়েসের প্রয়োজন আছে।

‘তবে সেই সংগঠন যখন পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে নিজেদের ক্রেডিবিলিটি (বিশ্বাসযোগ্যতা) হারায়, সেটি আমাদের পীড়া দেয়।’

অ্যামিনেস্টির ভূমিকা নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের সময় অ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিবৃতি দিয়েছিল। কিন্তু আমাদের দেশে যখন রাস্তায় নির্বিচারে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল, তখন তারা বিবৃতি দেয়নি। তাহলে সেই সংগঠন কি পক্ষপাতদুষ্ট নয়?

বাংলাদেশের গণমাধ্যম সূচক নিয়ে ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের প্রকাশিত রিপোর্টের সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে আফগানিস্তানে সাংবাদিকতা বলে কিছু নেই, তার নিচে বাংলাদেশকে রেখে তারাই প্রমাণ করেছে, তাদের রিপোর্ট পক্ষপাতদুষ্ট।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) রাজনৈতিক দলের মতো বিবৃতি দেয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, টিআইবির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সেই সংগঠনগুলো যদি রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বিবৃতি দেওয়া শুরু করে, তখন তাদের গ্রহণযোগ্যতা আর থাকে না।

সংবাদ সম্মেলনে ওক্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নরসিংদীতে স্পিনিং মিলে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

নরসিংদীর মাধবদীতে স্পিনিং মিলে আগুন লেগেছে। সোমবার (২ মে) সকাল ৯টায় উপজেলার বাগানবাড়ি এলাকায় জজমিয়া গ্রুপ স্পিনিং মিলে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ করছে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টা ৭ মিনিটে তারা অগ্নিকাণ্ডের খবর পায়। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট কাজ করছে।

অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্র।


আরও খবর



নওগাঁয় বার্গার-পিৎজা খেয়ে শিশুসহ ৬০ জন হাসপাতালে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৮জন দেখেছেন
Image

নওগাঁয় শহরের আরামবাগ কনফেকশনারি নামের একটি বেকারি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত বার্গার ও পিৎজা খেয়ে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীসহ ৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

সোমবার (৩ মে) রাত থেকে বুধবার (৪ মে) রাত ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন সময় হাসপাতালে ভর্তি হয় তারা। এখনো অনেকে ভর্তি আছে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, আরামবাগ কনফেকশনারী পঁচাবাসী খাবারের কারণে পেট ব্যথা ও বমির সঙ্গে পাতলা পায়খানা অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষক্রিয়ার কারণেই এমনটি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, ঈদের আগের দিন সোমবার আরামবাগ কনফেকশনারির তৈরি লাচ্ছা, সেমাই, বার্গার, পিৎজাসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার খান ক্রেতারা। নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের অভিভাবকরা জানান, নওগাঁ শহরের বাটার মোড়ে অবস্থিত আরামবাগ কনফেকশনারি বেকারি থেকে পিৎজা ও বার্গার কিনে খাওয়ার পরপরই তাদের পেটে ব্যথা ও বমির সঙ্গে পাতলা পায়খানা শুরু হয়। পরে স্বজনরা তাদের নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।সোমবার ঈদের আগের দিন সন্ধ্যার পর থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। বড়দের পাশাপাশি শিশুরাও অসুস্থ হয়ে পড়ে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি জেলার বদলগাছী সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফজলুল হক বাচ্চুর মেয়ে সাম্মা ফাতেমা বলেন, আরামবাগ কনফেকশনারি থেকে ছয়টি বার্গার কিনেছি। বাড়ি ফিরে সন্ধ্যায় ছেলে, মেয়ে, বোন ও ফুফাতো ভাই এবং কাজের মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বার্গার খাই। খাওয়ার পরপরই পেটের ব্যথা শুরু হয়। এরপর থেকেই পাতলা পায়খানা। প্রাথমিক অবস্থায় সবাই খাওয়ার স্যালাইন খায়। সমস্যা বাড়তে থাকায় ঈদের দিন দুুপুরে আমিসহ ছয়জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হই। ছোট বাচ্চা থাকায় পরে আমি বাড়িতে চলে আসি। বাকি সবাইকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক বলেছেন সুস্থ হতে প্রায় ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে। আরামবাগ কনফেকশনারির বার্গার খেয়েই সবাই অসুস্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শহরের উকিল পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল মান্নান বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় আরামবাগ কনফেকশনারি থেকে দু'টি বার্গার ও দু'টি পিৎজা কিনে ছেলে শাফায়াত ও শাদাতকে খাওয়ান। এর কিছু পরই বমি ও পেট ব্যথা শুরু হলে রাতেই তাদের হাসপাতালে ভর্তি করি। আমি দোকান মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে আরামবাগ কনফেকশনারির মালিক কাজী খালেক বলেন, যারা অসুস্থ হয়েছেন তারা বলছেন ঈদের আগের দিন (সোমবার) আমার দোকান থেকে কেউ দুপুর ও ইফতারের আগে বার্গার কিনেছিলেন। তারা বাসায় নিয়ে খেয়েছেন। পরদিন (ঈদের দিন) এক রোগী আমাকে ফোনে অভিযোগ করেন দোকানের বার্গার খেয়ে তার পরিবারের পাঁচ সদস্য অসুস্থ হয়েছেন। পরে দোকানে গিয়ে দেখি আরও কয়েকজন এসে একই বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। পরে শুনলাম হাসপাতালে অনেকেই পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হয়েছে।

তিনি বলেন, ওইদিন প্রায় ২০০ অধিক বার্গার বিক্রি হয়েছিল। বিক্রি তো অনেক হয়েছে। তবে সব মানুষ যে অসুস্থ হয়েছে তা নয়। কিছু মানুষ অসুস্থ হয়েছে। যেহেতু ঈদের আগে মানে রোজার সময় অনেকেই বার্গারসহ অন্য খাবারও খেয়েছেন। আমার দোকানের বার্গার খেয়ে যে অসুস্থ হয়েছে এটা বলা যাবে না। অন্য খাবারেও অসুস্থ হতে পারেন। আমরা মানসম্মত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে দিনে ৩ থেকে ৪ বার খাবার তৈরি করে বিক্রি করে থাকি। দিন শেষে কোনো খাবারই থাকে না। পরদিন নতুন করে খাবার তৈরি করে বিক্রি করা হয়।

নওগাঁ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী বলেন, খাবারে বিষক্রিয়ায় হাসপাতালে মোট ৫৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। বিষক্রিয়ায় পাতলা পায়খানায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে বেশিরভাগই শিশু। বর্তমানে ২৪ জন ভর্তি আছে। শুধু আরামবাগ কনফেকশনারির খাবার খেয়েই যে অসুস্থ হয়েছে এমনটা নয়। অনেকের বাসার খাবারেও অসুস্থ হয়েছে। তবে আরামবাগ কনফেকশনারির খাবার খেয়েই বেশি অসুস্থ হয়েছে।

তিনি বলেন, খাবার নিম্নমানের মেয়াদোর্ত্তীণ হতে পারে। নষ্ট খাবার খেয়ে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো রোগীকেই অন্যত্র রেফার্ড করার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়নি। হাসপাতালের পক্ষ থেকে আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান বলেন, বিষয়টি জানার পর একজন ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রোগী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেছেন স্থানীয় আরামবাগ কনফেকশনারির খাবার খেয়েই অসুস্থ হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



হজ প্যাকেজই ঘোষণা হয়নি, ৩১ মে ফ্লাইট শুরু কীভাবে?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসের কারণে গত দুই বছর বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকরা হজ করতে পারেননি। তবে এবার করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসায় বাংলাদেশিদের জন্য খুলেছে হজের দুয়ার।

এবছর চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জনকে পবিত্র হজ পালনের অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজের সুযোগ পাবেন।

চলতি বছর (২০২২ সাল) হজ অনুষ্ঠিত হবে ৯ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। এর মধ্যে আবার ৩১ মে থেকে হজ ফ্লাইট শুরুর ঘোষণা দেন বেসরকারি বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

jagonews24আল্লাহর ঘর ‘কাবা শরিফ’ তওয়াফ করছেন মুসল্লিরা/ফাইল ছবি

তিনি জানান, এবছর হজযাত্রী পরিবহনে বিমান ভাড়া (যাওয়া-আসা) ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ হয়েছে। এছাড়া মোট হজযাত্রীর ৫০ শতাংশ বিমান বাংলাদেশ ও বাকি ৫০ শতাংশ পরিবহন করবে সৌদি এয়ারলাইন্স।

এদিকে ভাড়া ও হজ ফ্লাইটের সময় ঠিক করা হলেও এর অন্যান্য কার্যক্রম এখনো বাকি। অথচ হাতে সময় রয়েছে মাত্র দুই মাস। এর আগের বছরগুলোতে হজ কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনার জন্য এজেন্সিগুলো গড়ে ৭-৮ মাস সময় হাতে পেতো।

হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) শীর্ষ একাধিক নেতা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হজ যাত্রার সব কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব নয়।

jagonews24ফাইল ছবি

তারা বলছেন, ১৫ জুনের আগে ফ্লাইট শুরু করা প্রায় অসম্ভব। কারণ এখনও হজ প্যাকেজই ঘোষণা হয়নি। এছাড়া নিবন্ধন যাত্রীদের মধ্যে কতজন যাবেন সেটা ঠিক করা, লিড এজেন্সি নির্ধারণ, মোনাজ্জেম, বাড়ি ভাড়া, খাবার ও যানবাহন ঠিক করাসহ আরও অনেক কাজ বাকি রয়েছে।

এদিকে এবার ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের হজে যেতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। অর্থাৎ ১৯৫৭ সালের ৩০ জুন বা তার আগে যাদের জন্ম তারা হজে যেতে পারবেন না। ফলে তাদের বিকল্পও ঠিক করতে হবে।

নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল একটি সূত্রে জানা যায়, হজ প্যাকেজ ঘোষণার জন্য সৌদি আরবে বাড়ি ভাড়া, খাবার ও পরিবহনসহ বিভিন্ন খরচের হিসাব ৫ মে পর্যন্ত হাতে পায়নি ধর্ম মন্ত্রণালয়।

jagonews24ফাইল ছবি

যদিও হাব সভাপতি এম. শাহাদাত হোসাইন তসলিম গত ২৭ এপ্রিল ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে জরুরি ভিত্তিতে হজ প্যাকেজ ঘোষণা ও যথাসময়ে অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করতে চিঠি দেন।

সেই চিঠিতে বলা হয়, হজ একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এর মধ্যে প্যাকেজ ঘোষণা, হজযাত্রী নিবন্ধন, লিড এজেন্সি ও মোনাজ্জেম নির্ধারণ, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে আবাসন এবং মোয়াল্লেম ফি ও অন্যান্য খরচের অর্থ পাঠানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শেষ করা হয়। হজের প্যাকেজ ঘোষণার পর পর্যায়ক্রমে এ কাজগুলো শেষে ভিসা ইস্যু করে দিতে হয় হজ ফ্লাইট।

চিঠিতে আরও বলা হয়, কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে এবছর হজ ব্যবস্থাপনা যথাসময়ে শেষ করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দ্রুত হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা জরুরি।

এ বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটির কারণে প্যাকেজ ঘোষণা করা যায়নি। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বছর হজ প্যাকেজ মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের প্রয়োজন হলেও এবার তা হবে না।

jagonews24ফাইল ছবি

কারণ জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, নতুন হজ আইন অনুসারে হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জাতীয় ও নির্বাহী দুটি কমিটি করা হয়েছে। জাতীয় কমিটির প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কমিটিতে একাধিক মন্ত্রী, সচিব ও হাবের শীর্ষ নেতারা রয়েছেন। আর নির্বাহী কমিটির প্রধান হলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। তাই মন্ত্রিসভার অনুমোদন ছাড়াই খুব দ্রুত হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। তবে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা প্যাকেজ ঘোষণার নির্দিষ্ট কোনো দিন বলতে রাজি হননি।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে হাব সভাপতি বলেন, এবছর সময় অনেক কম এবং তা প্রাকৃতিক দুর্যোগের (মহামারি) কারণেই হচ্ছে। কিন্তু অনেক কাজ বাকি থাকায় দ্রুত হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা দরকার। প্যাকেজ ঘোষণা ছাড়া অন্যান্য কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

৩১ মে থেকে হজ ফ্লাইট চালুর বিষয়ে তিনি জানান, এই সময়ে ফ্লাইট শুরু করা কিছুতেই সম্ভব নয়। কারণ হজ প্যাকেজ ঘোষণার পর খরচ বাড়া সাপেক্ষে অনেকে নাও যেতে পারেন, সেক্ষেত্রে হজে যারা যেতে রাজি আছেন তাদের তালিকা করতে হবে। আবার ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ১০ হাজার ৪৪১ জন এবার হজে যেতে পারবেন না। ফলে তারা ছেলে-মেয়ে বা অন্য কাউকে পাঠাবেন কিনা, নাকি টাকা তুলে নেবেন- এসব ঠিক করতে সময় লাগবে। এরপর মোনাজ্জেম ঠিক করা। সেই মোনাজ্জেম আবার সৌদিতে গিয়ে বাড়ি ভাড়া, যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি ঠিক করে দেশে ফিরে পাসপোর্ট ও ভিসার জন্য সৌদি দূতাবাসে পাঠাবেন। এসব কারণেই ৩১ মের মধ্যে ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে না।

তবে হাব সভাপতি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিগত বছরগুলোর ন্যায় সবার সম্মিলিত চেষ্টায় এবছরও সুন্দরভাবে হজ ব্যবস্থাপনা সম্ভব হবে।


আরও খবর



সিনিয়র এক্সিকিউটিভ নেবে রূপায়ন গ্রুপ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৭জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রূপায়ন গ্রুপে ‘সিনিয়র এক্সিকিউটিভ/অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (সেলস)’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৬ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: রূপায়ন গ্রুপ
বিভাগের নাম: মতিঝিল ব্র্যাঞ্চ (আরএইচইএল)

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ/ অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাস্টার্স
অভিজ্ঞতা: ০৪ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুলটাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ৩৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (মতিঝিল)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা www.jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৬ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



কম মজুরিতে কাজে না যাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৮জন দেখেছেন
Image

চুয়াডাঙ্গায় কম মজুরিতে কাজে না যাওয়ায় হায়াত আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৮ মে) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার জালশুকা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

আহত হায়াত আলী অভিযোগ, মঙ্গলবার বিকেলে শঙ্করচন্দ্র গ্রামের আনসার ক্যাম্পপাড়ার তোফাজ্জেল হোসেন তার পাটক্ষেতে কাজ করার জন্য বলেন। আমি ৪০০ টাকা মজুরি চাইলে তোফাজ্জেল ৩৫০ টাকা দিতে চান। কম মজুরিতে কাজে যেতে রাজি হইনি আমি। বুধবার রাতে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। এসময় তোফাজ্জেল ও তার ছেলে ওবায়দুল আমাকে দোকানের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। বাইরে আসতেই কাজে কেন যাইনি জিজ্ঞেস করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে পিটিয়ে জখম  করেন। পরে পরিবারের লোকজন সেখান থেকে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ৩৫০ টাকা মজুরিতে কাজে যেতে রাজি হন হায়াত আলী। পরে অন্য জায়গায় বেশি মজুরি পেয়ে কাজে চলে যান। এতে আমার একজন শ্রমিক কম হওয়ায় কাজে বিঘ্ন ঘটে। আমি তাকে কাজে কেন যায়নি জিজ্ঞেস করতেই গালিগালাজ শুরু করেন হায়াত আলী। পরে তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি হয়। তাকে মারধর করা হয়নি।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মার্ভিন অনিক চৌধুরী বলেন, হায়াত আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, ওই ঘটনায় হায়াত আলী সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর