Logo
শিরোনাম

সিবগাতুর রহমানের কবিতা: সুপ্ত আরতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

কতকাল ধরে ঘুমিয়ে রয়েছো
একলা শূন্য ঘরে,
তোমার কাছে ছুটে যেতে মাগো
মন যে কেমন করে।

ব্যথা-বেদনায় যে বাছারে মাগো
রেখেছো বুকের ’পরে,
অকূল নিদানে একা ফেলে তারে
ঘুমাও কেমন করে?

তোমার দুয়ারে কড়া নাড়ে ওগো
তোমারি বাছাধন,
জেগে উঠে মাগো বুকে টেনে নাও
মেলো তব দু’নয়ন।

যেই ক্ষণে তুমি সব মায়া ছেড়ে
গিয়েছিলে পরপারে,
সোনা মুখখানি জড়ায়ে ছিল
আমার অঞ্জলি ভরে।

উঁচু করে ধরে সোনা মুখখানি
কেঁদে কেঁদে সেইদিন,
বলেছি তোমায় যেও না গো ছেড়ে
শোধিতে পারিনি ঋণ।

মনে হয় যেন আজও ধরে আছি
সেই প্রিয় সোনা মুখ,
যেই মুখে জমা করে রাখা ছিল
আমার সকল সুখ।

কাটে না তো দিন তুমিহীনা মাগো
আঁখি ঝরে অবিরাম,
দিবানিশি কাঁদি বসিয়া বিজনে
জপি শুধু তব নাম।

দুই হাত তুলে করি মোনাজাত
হে রহিম-রহমান,
মায়েরে আমার বেহেশতে রেখো
দিও তারে সম্মান।


আরও খবর

জাহিদ নয়নের দুটি কবিতা

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




কর্ণফুলী গ্যাস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন সম্পন্ন

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তাদের সংগঠন কর্ণফুলী গ্যাস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী অনুপম দত্ত সভাপতি এবং ব্যবস্থাপক মো. বেলাল উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (১১ জুন) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সরাসরি ভোটে তারা জয়লাভ করেন। নির্বাচনে ১৯ পদে ভোট প্রদান করেন ভোটাররা। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, নির্বাচনে সভাপতি পদে অনুপম দত্ত ১৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আমিনুর রহমান পান ৬১ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী বেলাল হোসেন পান ১৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সহকারী প্রকৌশলী সৈয়দ মোরশেদ উল্লাহ পান ৫৫ ভোট।

অন্যদিকে সহ-সভাপতি পদে উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী ১৭৪ ভোট এবং ব্যবস্থাপক মো. ফরিদ আহমেদ খান ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। নির্বাচনে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে উপ-ব্যবস্থাপক মো. গোলাম শাহজাহান ১৫০ ভোট, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে উপ-ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মুবিনুল আলম ১৫৯ ভোট, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. কামরুল ইসলাম ১৫৪ ভোট, অর্থ সম্পাদক পদে উপ-ব্যবস্থাপক শাহাদাত ওসমান খান ১৩৫ ভোট, দপ্তর সম্পাদক পদে সহকারী কর্মকর্তা মো. কুতুবুর রহমান ১৫৭ ভোট. তথ্য ও প্রচার সম্পাদক পদে সহকারী কর্মকর্তা এরশাদুল ইসলাম ৯৬ ভোট, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে উপ-ব্যবস্থাপক মো. হাবিবুর রহমান ১১১ ভোট এবং কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. আরিফুল হক ১৭১ ভোট পেয়ে জয়ী হন।

তাছাড়া কার্য নির্বাহী সদস্য হিসেবে ৭ পদে সহকারী প্রকৌশলী মো. শহীদুল করিম তারেক ১৯২ ভোট, উপ-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. ইমরান আলী ১৮৭ ভোট, সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সারওয়ার জামান ১৭৯ ভোট, সহকারী ব্যবস্থাপক মনজুর এলাহী ১৭৪ ভোট, সহকারী কর্মকর্তা মো. নাছিরুল আমীন ১৭১ ভোট, সহকারী প্রকৌশলী প্রকৌশলী জামিল উর রব ১৬২ ভোট এবং সহকারী কর্মকর্তা তানজীম জামান ১৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ইব্রাহিমের সেঞ্চুরিতে সিরিজ জিতলো আফগানিস্তান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

নিজেদের ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের সামনে দাঁড়াতেই পারছে না জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। সোমবার সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে আফগানরা। একইসঙ্গে তিন ম্যাচের সিরিজের শিরোপাও নিশ্চিত করেছে তারা। শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশের মিশনে নামবে দলটি।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে নির্ধারিত ৫০ ওভারে আগে ব্যাট করা জিম্বাবুয়ে ২২৮ রান করে অলআউট হয়। জবাবে ইব্রাহিম জাদরানের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি ও রহমত শাহর বড় ফিফটির সুবাদে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।

বিশ্বকাপ সুপার লিগে ১১ ম্যাচে নয় জয়ে আফগানদের সংগ্রহ বেড়ে দাঁড়ালো ৯০ পয়েন্ট। টেবিলে তিন নম্বরে উঠে এসেছে তারা। সিরিজের শেষ ম্যাচেও জিতলে বাংলাদেশের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে পয়েন্টের সেঞ্চুরি হবে রশিদ খান, মোহাম্মদ নাবিদের।

জিম্বাবুয়ের করা ২২৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে দলীয় ১৭ রানেই সাজঘরে ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ (৪)। শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্বিতীয় উইকেটে ১৯৫ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান ইব্রাহিম ও রহমত।

আগের ম্যাচে ৯৪ রান করা রহমত এবার ৮৮ রান করে আউট হয়ে যান। রহমত না পারলেও ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি ঠিকই তুলে নেন ইব্রাহিম। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ বলে ১৬ চারের মারে ১২০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহিদির ব্যাট থেকে আসে ১ রান।

এর আগে ইনোসেন্ট কাইয়া ৬৩, রায়ান বার্ল ৫১ ও সিকান্দার রাজা ৪০ রানের ইনিংস খেললে কোনোমতে ২০০ পেরোয় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। আফগানিস্তানের পক্ষে ফরিদ আহমেদ নেন ৩ উইকেট। এছাড়া রশিদ, নাবি ও ফজলহক ফারুকির শিকার ২টি করে উইকেট।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




বাঁশের ঠিকা দিয়ে সরকারি কলেজে পাঠদান!

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২১জন দেখেছেন
Image

জামালপুরের মেলান্দহ সরকারি কলেজে বাঁশ ও কাঠের ঠিকা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। এতে ঝুঁকিতে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কলেজের দুইটি ভবন এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

জানা গেছে, কলেজটি ১৯৭২ সালে চার একর জমির ওপর নির্মিত হয়। ১৯৮৭ সালে এটি সরকারিকরণ হয়। আট বছর আগে কলেজের প্রশাসনিক ভবনসহ দুইটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে ২০১৬ সালে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়।

পরে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরিদর্শন শেষে ভবনটির অফিস রুম, কন্ট্রোল রুম ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেন এবং শর্ত সাপেক্ষে অন্যরুমগুলো ব্যবহারের অনুমতি দেন। তবে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে এখনও ক্লাস নেওয়া হচ্ছে। এতে আতঙ্কে রয়েছেন অভিভাবকরা।

একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. লিটন জানান, কলেজের বিজ্ঞান ভবন, প্রশাসনিক ভবনসহ দুইটি ভবনে শ্যাওলা জমে রয়েছে। বিজ্ঞান ভবনের তৃতীয় ও দ্বিতীয় তলায় ভবনের বিভিন্ন জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়ছে। জানালা দরজাগুলোও ভেঙে পড়েছে। ভবনে প্রবেশ পথের প্রথম গেট ভেঙে পড়ে আছে। পলেস্তারা যেন খসে না পড়ে তার জন্য কাঠ ও বাঁশ দিয়ে ঠিকা দিয়ে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ভবন ভেঙে পড়ার ভয়ে মা বাড়ি থেকে কলেজে আসতে দেয় না। কখন যেন ভেঙে পড়ে এই আতঙ্ক সব সময়। কলেজের সব ক্লাসরুমে একই অবস্থা প্রায়। সিঁড়ির ছাদ থেকেও প্লাস্টার খসে খসে পড়ছে। ভেঙে পড়ার ভয়ে মাঝে মধ্যে ক্লাস করি।

একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী লিনা আক্তার বলেন, ক্লাসে ঢুকলে ভয় লাগে, কখন যেন ভেঙে পড়ে। আতঙ্ক নিয়ে প্রতিনিয়ত ক্লাস করে যাচ্ছি। এভাবে ক্লাস করা সম্ভব নয়। যদি কোনো সময় ভূমিকম্প হয় সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে পড়বে। আমরা আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করে যাচ্ছি। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে কুলসুম বলেন, যেদিন আমার প্রথম ক্লাস ছিলো ওই দিনই চোখের সামনে ক্লাসরুমের জানালা ভেঙে পড়তে দেখেছি। এছাড়াও কিছুদিন আগে পরীক্ষা দেওয়ার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে পরীক্ষা দিতে পারিনি। পরে অন্য রুমে গিয়ে পরীক্ষা দিয়েছি।

আমিনুর রহমান নামে এক অভিভাবক জানান, একদিন কলেজে গিয়েছিলাম এক দরকারে। গিয়ে দেখি ছাদ থেকে ক্লাসরুমে পানি পড়ছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্লাস্টার খসে পড়ে রড দেখা যাচ্ছে। তারপর থেকে আমার ছেলেকে আর কলেজে যেতে দেয়নি। টিসি নিয়ে অন্য কলেজে ভর্তি করিয়ে দেবো ভাবছি।

পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, সব সময় আতঙ্কের মধ্যে ক্লাস করাতে হয়। কখন যেন কী ঘটনা ঘটে। আমাদের সব সময় আতঙ্কে দিন কাটে। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

কলেজের অধ্যক্ষ হাসান তৌফিক মো. আলী নূর জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে সরকারি কলেজের অবকাঠামো অত্যন্ত নাজুক। ইতোমধ্যে প্রশাসনিক ভবনের একাংশ ও বিজ্ঞান ভবন মৌখিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রী ও আমরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ক্লাস করার ভয়ে অনেকে কলেজে আসতে অনীহা প্রকাশ করছে।

জামালপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, কলেজের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ থাকায় শিক্ষা-কার্যক্রম চালানো খুবই কষ্টসাধ্য। তাই ২০০৯ সালে একটি ভবন ও ২০১৮ সালে আরো একটি ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এদিকে এমপি মহোদয়ের ডিও লেটারসহ ভবন বরাদ্দের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




বিচার বিভাগের সমস্যা সমাধানে কার্পণ্য করবে না সরকার: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৭জন দেখেছেন
Image

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার বিচার বিভাগের সমস্যা সমাধানে কোনো কার্পণ্য করবে না। বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের অবকাঠামো এবং লজিস্টিকস সমস্যা দূর করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। সমস্যা দূর না হওয়া পর্যন্ত পদক্ষেপ নিতে থাকবে।

রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী চলমান রিফ্রেসার কোর্সের এক অধিবেশনে বুধবার (৮ জুন) মামলাজটের কারণ ও তার সমাধানের সুপারিশ শীর্ষক দলগত উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

দলগত উপস্থাপনায় ছয়টি গ্রুপে ৩০ জন বিচারক মামলাজটের কারণ ও তার সমাধানের সুপারিশ তুলে ধারেন।

এসময় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা, কোর্স পরিচালক মীর মো. এমতাজুল হকসহ আইন ও বিচার বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মামলাজট নিরসনের জোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বিচারকদের বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য মামলাজট কমিয়ে এনে জনগণকে দ্রুত ন্যায়বিচার প্রদান করা। তাই মামলাজট যে একটি বড় সমস্যা সেটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে এবং এই চিন্তা মাঠ পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হবে। বর্তমানে যে হারে মামলা নিষ্পত্তি হচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে মামলাজট কমে আসবে।

বিচার ও সালিশ এক নয়, এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনের পরিসীমার মধ্যে থেকে জনগণের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে হবে এবং মামলাজট নিরসন করতে হবে। জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারলে বিচার বিভাগের সাফল্য সমৃদ্ধ হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ট্যুরিস্ট বাসে হাজার টাকায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের সুযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এই সেতুর কারণে দেশের অর্থনৈতিক গতিধারাও ঈর্ষণীয়ভাবে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে আভাস মিলছে। পদ্মা সেতু হতে চলেছে ভ্রমণপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ। দেশের পর্যটনের গতিধারাও বদলে দিতে পারে এই সেতু। ট্রাভেল এজেন্সিগুলোও তাই বসে নেই। উদ্বোধনের মাসখানেক আগে থেকেই সেতু ভ্রমণ কেন্দ্র করে ঘোষণা করেছে বিভিন্ন প্যাকেজ।

পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরুর আগেই মাওয়া ঘাটে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ভ্রমণপ্রিয় মানুষদের। সেতুর পাশাপাশি ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় দিন দিন ভিড় বাড়ছে মানুষের। সরকারের ঘোষণা অনুসারে, আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুতে যানচলাচল উন্মুক্ত হলে দেশের দীর্ঘতম এই সেতু দেখতে মানুষের ভিড় নামবে।

ভ্রমণে আগ্রহীদের বিষয়টি মাথায় রেখে এরই মধ্যে কিছু ট্রাভেল গ্রুপ ও কোম্পানি প্যাকেজও ঘোষণা করেছে। দিনব্যাপী এসব প্যাকেজের আওতায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের পাশাপাশি থাকছে কাছের অন্যান্য পর্যটন স্পট ঘোরার সুযোগ। প্যাকেজে থাকছে সকালের নাস্তা, পদ্মার তাজা ইলিশসহ বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু তরকারি, ভর্তা দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেলে বিক্রমপুরের মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাবার।

পদ্মা সেতু ভ্রমণের এমনই দিনব্যাপী প্যাকেজ আছে ট্রাভেল সোর্স বিডি লিমিটেড নামে একটি এজেন্সির। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৩২ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, প্যাকেজের আওতায় ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ভ্রমণপিপাসুদের নিয়ে মাওয়া হয়ে পদ্মা সেতু ঘুরিয়ে আনা হবে। তারা ফরিদপুরের ভাঙ্গার নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পাবেন, কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের পিকনিক স্পটেও যেতে পারবেন।

এ ভ্রমণে জনপ্রতি খরচ হবে এক হাজার টাকা। পরিবারসহ বুকিং দিলে থাকছে আকর্ষণীয় ছাড়। খাবারের তালিকায় সকালের নাস্তা হিসেবে থাকবে ডিম, পরোটা, সবজি, পানি ও চা। দুপুরের খাবারে থাকবে পেঁয়াজভর্তা, ডালভর্তা, বেগুনভাজা, টাটকা ইলিশভাজা ও ডাল। বিকেলের নাস্তায় থাকবে বিক্রমপুরের মিষ্টি, সমুচা, ডালপুরি ও চা।

জানা যায়, পদ্মা সেতু ঘিরে শরীয়তপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুরের দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের উভয় পাশেই পর্যটদের জন্য নির্মাণ হচ্ছে বিনোদনকেন্দ্র, চা-কফির দোকান, খাবার হোটেল ও কনফেকশনারি। পদ্মা সেতু উন্মুক্ত হওয়ার পর ওই এলাকা পর্যটনের অন্যতম বড় একটি কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যুরিস্ট বাসে হাজার টাকায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের সুযোগ

আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় বহুল আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন বেলা ১১টায় কাঁঠালবাড়ি প্রান্তে সমাবেশ করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও দিনব্যাপী সেখানে নানান আয়োজন থাকবে।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন আওয়ামী লীগের এ সমাবেশে ১০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছে ক্ষমতাসীন দলটি।

এরই মধ্যে পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপারের জন্য অনুমোদিত যানবাহনের টোল নির্ধারণ করেছে সরকার। পদ্মা সেতু পারাপারে মোটরসাইকেলে ১০০ টাকা, কার ও জিপে ৭৫০ টাকা, পিকআপে এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাসে এক হাজার ৩০০ টাকা টোল পরিশোধ করতে হবে। বাসের ক্ষেত্রে ছোট বাস (৩১ আসন) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা, বড় বাসকে (থ্রি-এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

এছাড়া ছোট ট্রাককে (পাঁচ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাকে (পাঁচ টনের বেশি ও সর্বোচ্চ আট টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (আট টনের বেশি ও সর্বোচ্চ ১১ টন) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাকে (থ্রি-এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (ফোর-এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা। ট্রেইলার (ফোর-এক্সেলের অধিক) ছয় হাজারের সঙ্গে প্রতি এক্সেলের জন্য এক হাজার ৫০০ টাকা যুক্ত হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২