Logo
শিরোনাম

সিঙ্গাপুরে দেওয়ালচাপায় বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

সিঙ্গাপুরে কাজ করার সময় দেওয়ালচাপায় ৪১ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্ট্রেইট টাইমস এ খবর নিশ্চিত করেছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ জুন তিনি দেওয়ালচাপায় মারা যান। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে দেওয়ালের নিচ থেকে উদ্ধার করেন সিঙ্গাপুর সিভিল ডিফেন্স ফোর্সের উদ্ধারকারীরা। ঘটনাস্থলেই তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় বলেছে, ঘটনার দিন স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাই হোয়ান হাইটসের দুর্ঘটনার ব্যাপারে তাদের জানানো হয়।

এ দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছে সিঙ্গাপুরের ওয়ার্কপ্লেস সেইফটি অ্যান্ড হেলথ (ডব্লিউএসএইচ) কাউন্সিল।

এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, সাধারণ নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ হিসেবে যেকোনো নির্মাণ কাজের শুরুতে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।

এ দুর্ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরের মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের এখন পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে এ ধরনের ২৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। যা ২০১৬ সালের পর একই সময়ে সর্বোচ্চ।

সূত্র: দ্য স্ট্রেইট টাইমস


আরও খবর



শায়েস্তাগঞ্জে তলিয়ে গেছে ৫০০ হেক্টর জমির আউশ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি বন্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলের অন্তত ৫০০ হেক্টর ফসল তলিয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কয়েক হাজার কৃষক।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মররা, নিশাপট, কাজীরগাও, ঢাকিজাংগল, লাদিয়া, ফরিদপুর, বারলাড়িয়া, চণ্ডিপুর, নোয়াগাও, পুরাসুন্দা, কেশবপুর, উলুহর, পুটিয়া, শৈলজুড়া, বাখরনগর গ্রামের নিম্নাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।

উপজেলার কাজীরগাও গ্রামের কৃষক মো. ইউসুফ মিয়া বলেন, ৭২ শতক জমির আউশ ধান বানের পানিতে তলিয়ে গেছে। আমার মতো অনেকের জমি পানির নিচে। এখন আমরা দিশেহারা।

বারলাড়িয়া গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, উজানের পানিতে আমার ৫ বিঘা জমির ধান তলিয়ে গেছে। অনেক টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হলাম।

jagonews24

কেশবপুর গ্রামের কৃষক কদ্দুস মিয়া বলেন, ধারদেনা করে এক বিঘা জমিতে আউশ ধান চাষ করি। কিন্তু পানি সব নিয়ে গেলো।

কৃষি অফিস সূত্র জানায়, এ বছর ৭৫০ হেক্টর জমিতে উপজেলায় আউশ ধানের আবাদ হয়। এর মধ্যে ৪৮০ হেক্টর আউশ ধান নষ্ট হয়ে গেছে। এরমধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ ইউনিয়নে ২৭০ হেক্টর, শায়েস্তাগঞ্জে ৩০ হেক্টর, নূরপুরে ১১০ হেক্টর, ব্রাক্ষণডোরায় ৭০ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে যায়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুকান্ত ধর বলেন, ৬৫ শতাংশ আউশ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ছবি তুলে আটক দুজন, পরে মুক্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে কার্জন হল কেন্দ্র থেকে দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম। পরীক্ষা শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুন) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- সিয়াম ও মাশরাফি। তাদের একজনের বাড়ি কুষ্টিয়ায়, অন্যজনের ফেনীতে। তারা দুজন কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত বলে জানা যায়।

আটকের বিষয়টি জাগো নিউজকে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী।

তিনি বলেন, পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রে ছবি তোলার সন্দেহে দুজনকে নজরদারীতে রাখা হয়। তাদের মোবাইল ফোনগুলো আটকিয়ে রাখা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত বলে জানায়। সার্বিক নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের পরীক্ষা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে প্রক্টরিয়াল বডির একাধিক সদস্য বলেন, ভিসি ড. আখতারুজ্জামান কার্জন হল পরিদর্শনে এলে শিক্ষকদের সঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে মোবাইলে ছবি তুলছিল দুজন। যেহেতু পরীক্ষার সময় হলে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষেধ এবং এই পরীক্ষায় গণিতসহ নানা বিষয় আছে, তাই দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য শিক্ষকদের বিষয়টি নজরে এলে তাদের আটক করা হয়। পরে রমনা জোনের এডিসি এসে তাদের নিয়ে যান।

তাদের মধ্যে সিয়াম সে সময় সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছোট ভাই পরীক্ষা দিচ্ছে। স্ট্যাটিস্টিক্স বিল্ডিংয়ে ওর পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে। আমি বিষয়টি জানি না যে এখানে প্রবেশ করা যাবে না। আমরা ভিসি স্যারের সঙ্গে ঢুকেছি। স্যারের একটা ছবি তোলার জন্য। আমাদের কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নেই।


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ডিআরইউ গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া উৎসব শুরু মঙ্গলবার

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

দাবা ইভেন্ট দিয়ে মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ওয়ালটন-ডিআরইউ ডিআরইউ গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া উৎসব।

ক্রীড়া উৎসব উপলক্ষ্যে রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ক্রীড়া উৎসব উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিআরইউর সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব।

ডিআরইউ’র ক্রীড়া সম্পাদক মাকসুদা লিসা জানান, এবারের গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া উৎসবে পুরুষ, নারী সদস্য, সদস্যদের স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে মোট ২৭টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদকেও পুরস্কৃত করা হবে।

প্রতি ইভেন্টের চ্যাম্পিয়ন (একক ও দ্বৈত) ৪ পয়েন্ট, রানার্স আপ (একক ও দ্বৈত) ৩ পয়েন্ট, তৃতীয় স্থান (একক ও দ্বৈত) অধিকারী ২ পয়েন্ট ও চতুর্থ স্থান অধিকারী (একক ও দ্বৈত) এক পয়েন্ট অর্জন করবে। ইনডোর গেমসে প্রায় ৫শ’ প্রতিযোগী এন্ট্রি সম্পন্ন করেছেন।

পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) জানান, খেলাধুলায় আগ্রহী বয়স্ক সদস্যদের মধ্যে ১০ জনকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, দপ্তর সম্পাদক রফিক রাফি, আপ্যায়ন সম্পাদক মুহাম্মাদ আখতারুজ্জামান, কার্যনির্বাহী সদস্য মাহমুদুল হাসান, সোলাইমান সালমান, সুশান্ত কুমার সাহা, মো: আল-আমিন, এসকে রেজা পারভেজ ও মো: তানভীর আহমেদ।

পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠানের ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়র নির্বাহী পরিচালক (মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন) এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ডিআরইউ নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ওয়ালটন-ডিআরইউ গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া উৎসব উদ্বোধন করবেন।


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




হঠাৎ অবসরের ঘোষণা ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

বেশ কিছুদিন ধরেই ইনজুরি আর অফফর্মে ভুগছিলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান। যে কারণে ধারণা করা হচ্ছিল, হয়তো বা ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের নেতৃত্ব ছেড়ে দিতে পারেন তিনি। আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকেও পুরোপুরি বিদায় জানাতে পারেন।

অবশেষে সে গুঞ্জনই সত্যি হলো। প্রায় সাড়ে সাত বছর পর অধিনায়কত্ব করার পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে গুডবাই জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক।

বিস্তারিত আসছে


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




পদ্মা সেতু: বিএনপির কেন্দ্রে সমালোচনা, তৃণমূলে উচ্ছ্বাস

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

খুলে গেলো বাঙালির শত সহস্র স্বপ্নের দুয়ার পদ্মা সেতু। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুক্ত হলো নতুন পালক। শনিবার (২৫ জুন) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সেতু উদ্বোধনে শুধু পদ্মাপাড় নয়, সারাদেশে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। কেন্দ্রে সমালোচনা থাকলেও দেশের সর্বস্তরের মানুষ সঙ্গে এই উৎসবে শামিল বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের শুরু থেকে এ বিষয়ে সমালোচকের অবস্থানে রয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। খোদ দলটির প্রধান খালেদা জিয়া ‘পদ্মা সেতু হবে না, ভেঙে পড়বে’ বলে উপহাসও করেছিলেন। যদিও শেষ পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মিত হওয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বা দলের টাকায় নয়, পদ্মা সেতু জনগণের টাকায় নির্মিত হয়েছে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে সরকারের তরফ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা তাতে সায় দেয়নি।

দেশে একাধিকবার সরকার গঠন করা এ রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পদ্মা সেতু ইস্যুতে এমন সমালোচনামূলক অবস্থানে থাকলেও এক্ষেত্রে উচ্ছ্বাস লুকোয়নি তাদের তৃণমূল।

পদ্মা সেতু নির্মাণ হওয়ায় সম্প্রতি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু ফেসবুকে লেখেন, ‘হারিয়ে যাবে আমাদের চিরচেনা পথের অনেক কিছু। স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকবে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পদ্মা নদী পারাপারের মাওয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাট। উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আগামী ২৫ জুন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশার পদ্মা ব্রিজ।’

পদ্মা সেতু নিয়ে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রাফিকুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, পদ্মা সেতুর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শুধু একুশ জেলা নয়, এটা সমগ্র বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। যমুনা সেতুর যেমন সমগ্র দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে এটাও ঠিক তেমনি অবদান রাখবে। একটা দেশের উন্নতির জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন দরকার। সেদিক থেকে এটাকে আমি ইতিবাচকভাবে দেখি। তবে এই সেতুর নির্মাণব্যয় ও প্রক্রিয়া নিয়ে আমার দলের সমালোচনা রয়েছে, যার সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।

২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর থেকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খলিলুর রহমান ঠানডু চৌধুরী বলেন, ‘২০০৪ সালে এ সেতু বাস্তবায়নের দাবিতে আমরা আন্দোলন গড়ে তুলি, আওয়ামী লীগ নেতা শাহজাহান খান, বরিশালে বিএনপির মুজিবুর রহমান সরোয়ার, জহির উদ্দিন খান স্বপন, শরীয়তপুরের প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাকসহ আমরা অনেকের সঙ্গে মিটিং করেছি। আমি শাহজাহান খানের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমরা সবাই এই সেতুর জন্য আন্দোলন করেছি। তবে দুঃখের বিষয়, আমরা যখন এই সেতু নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলি তখন ১৫ হাজার মানুষকে আমি ভাত খাইয়েছি, আর এখন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমি বিএনপি করার অপরাধে থাকতে পারলাম না।’

মাদারীপুরের শিবচর আসনে গত সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু জাগো নিউজকে বলেন, সেতুর ফলে পদ্মাপাড়ের মানুষ আমরা সবচেয়ে বেশি খুশি। দীর্ঘদিন যাবত লঞ্চ বলেন, ফেরি বলেন, স্পিডবোট বলেন কোনো ভদ্রলোক ভদ্রভাবে কখনো পার হতে পারেননি। সীমাহীন দুর্ভোগ যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে। আল্লাহ এখন আমাদের পদ্মা সেতুর মাধ্যমে সেই দুর্ভোগ কমানোর সুযোগ দিয়েছেন।

ধানের শীষ প্রতীকে শিবচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নাদিরা ইয়াসমিন বলেন, পদ্মা সেতু হয়ে আমাদের উপকার হয়েছে এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে এত বিশাল অর্থ খরচ করে এ ধরনের আয়োজন না করলে ভালো হতো, আরও কম করা যেত। তবে পদ্মা সেতু উদ্বোধন হয়েছে, এখন আমরা তাড়াতাড়ি যাওয়া-আসা করতে পারবো এজন্য প্রধানমন্ত্রী একটা ধন্যবাদ পান।

সরকার পদ্মা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এক সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বক্তব্য ছিল এমন- ‘পদ্মা সেতু কি হচ্ছে? হচ্ছে না। এ সরকার পদ্মা সেতুও করতে পারলো না।’ ২০১৮ সালের ২ জানুয়ারি আবারও একই ধরনের মন্তব্য করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তখন তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু আওয়ামী লীগের আমলে আর হবে না। আর যদি সেতু জোড়াতালি দিয়ে বানায়, সেই সেতুতে কেউ উঠতে যাবেন না। অনেক রিস্ক আছে।’

সমালোচনায় পিছিয়ে ছিলেন না বিএনপির অন্য নেতারাও। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক অনুষ্ঠানে দাবি করেন, ‘টিকবে না পদ্মা সেতু।’ সম্প্রতিও সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটা ভ্রান্ত ও ভুল ডিজাইনের ওপরে পদ্মা সেতু নির্মিত হলে সেটা যে টিকবে না, সেটা তো উনি (খালেদা জিয়া) ভুল বলেননি। এটা সত্য প্রমাণিত হয়েছে যে, পদ্মা সেতু রং (ভুল) ডিজাইনের ওপরে নির্মিত হচ্ছে।’

গত ২৭ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম বলেন, ‘আজকের এই পদ্মা সেতুতে ওঠার আগে আমাদের চেক করে দেখতে হবে আবার বাঁশ দিয়েছেন কি না।’

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগ মুহূর্তে এখন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পদ্মা সেতু জনগণের টাকায় হয়েছে, কারও পকেটের টাকায় হয়নি, তাই পদ্মা সেতু নিয়ে কারও একক কৃতিত্বের দাবি হাস্যকর।


আরও খবর