Logo
শিরোনাম

স্মার্টফোনেই তোলা যাবে ডিএসএলআরের মতো ছবি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
Image

কমবেশি সবারই আছে ছবি তোলার শখ। কোথাও ঘুরতে গেলে শুধু নিজের ছবিই নয়, আশপাশের প্রকৃতির ছবিও তোলেন। তবে হাতের ক্যামেরা না থাকায় ভালো ছবি তুলতে পারেন না। মাঝে মাঝেই ডিএসএলআরের অভাববোধ করেন।

তবে ডিএসএলআর কেনা সম্ভব হয় না অনেকেরই। এক্ষেত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে স্মার্টফোনেই তুলতে পারবেন ডিএসএলআরের মতো ঝকঝকে ছবি। বর্তমানে অনেক স্মার্টফোনেই দেওয়া হচ্ছে অত্যাধুনিক ক্যামেরা। সেই সঙ্গে থাকছে অ্যাডভান্স সেটিংস অপশন।

স্মার্টফোনে ছবি তোলার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন। তাহলে আপনিও প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারদের মতো ছবি তুলতে পারবেন। এজন্য যে কাজ গুলো করবেন এবং করবেন না জেনে নিন-

> ছবি তোলার ক্ষেত্রে আলো বুঝতে হবে। সবসময় ফ্ল্যাশ অন রাখবেন না। তাহলে ছবি পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ছবির কালার টোন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এমনকি রাতে ছবি তোলার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকতে হবে।

> ছবির আয়তন বুঝতে হবে। ছবির নেগেটিভ স্পেশ ভালোভাবে ব্যবহার করতে হবে। ধরুন ছবি তোলার ক্ষেত্রে কোনো নেগেটিভ স্পেশ তৈরি হচ্ছে সেই স্পেশ কীভাবে ভালোভাবে ব্যবহার করবেন তা খেয়াল রাখতে হবে।

> বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল ব্যবহার করে ছবি তুলতে হবে। সচরাচর অ্যাঙ্গেল থেকে ছবি তোলার সঙ্গে বিভিন্ন ডিফারেন্ট অ্যাঙ্গেল থেকেও ছবি তোলার চেষ্টা করুন। ছবির মধ্যে নতুনত্ব আসবে।

> অতিরিক্ত অন্ধকার ছাড়া নাইট মোড ব্যবহার করবেন না। কারণ নাইট মোড অন রাখলে ক্যামেরা নিজে থেকে বেশ কিছু সেটিংস তৈরি করে। এর ফলে সামান্য হাত কাঁপলেই ছবি ব্লার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

> ক্যান্ডিড ছবি তোলার ক্ষেত্রে অবজেক্টের ব়্যান্ডম ছবি তুলুন। কারণ সেসময় হয়তো এমন একটি অ্যাঙ্গল থেকে ছবি উঠবে বা অবজেক্টের এমন একটা ছবি উঠবে যা সত্যিই অন্যরকম দেখাবে।

> যদি কোনোভাবে রিফ্লেক্সন তুলতে পারেন তাহলে ছবির গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যাবে। অর্থাৎ ছবির মধ্যে কোনো রিফ্লেকশন তুলে ধরার চেষ্টা করুন।

> স্মার্টফোন সাধারণত অনেকক্ষণ হাতে, পকেটে বা ব্যাগে থাকে। তাই লেন্সের ওপর তেল ময়লা জমতে পারে। ছবির ওভারল্যাপিং বন্ধ করতে লেন্স পরিষ্কার করুন। লেন্স পরিষ্কার করার সময় যাতে দাগ না পড়ে, সেদিকেও সতর্ক থাকুন।

> ছবি তোলা বা ভিডিও করার সময় অবশ্যই মোবাইল ফোনটি অনুভূমিকভাবে বা আড়াআড়ি ধরবেন। যে কোনো দিকে ধরে ছবি তুললে ছবি কখনোই ভালো হবে না।


আরও খবর



বিএনপি নেতার গোপনাঙ্গ কাটলেন দুই শ্যালকের স্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

টাঙ্গাইলে বজলুর রহমান (৪০) নামের এক ব্যক্তির গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার দুই শ্যালকের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে। তাদের সঙ্গে ওই ব্যক্তির অনৈতিক সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে।

সোমবার (৬ জুন) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের বড় বেলতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বজলুর রহমান ওই গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও এনজিও কর্মকর্তা।

৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার ও বজলুর রহমানের চাচাতো ভাই মতিয়ার রহমান পলু জাগো নিউজকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় বজলুর রহমানকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সেখান থেকে রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

ইউপি মেম্বার ও বজলুর রহমানের চাচাতো ভাই মতিয়ার রহমান পলুর ভাষ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে বজলুর রহমান তার শ্বশুরবাড়িতে আর্থিক সহায়তা করতেন। তিনি তার দুই শ্যালককে সৌদি আরব পাঠান। এ সময় তার এনজিও থেকে ঋণও দেওয়া হয়েছিল। ওই ঋণের কিস্তির টাকা আনতে নিয়মিত শ্বশুরবাড়িতে যেতেন বজলুর রহমান। আসা-যাওয়ায় শ্যালকের স্ত্রীদের সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অন্য নারীর সঙ্গে বজলুর রহমানের সম্পর্ক আছে বলেও জানতে পারেন তারা। এ নিয়ে বজলুরের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। এরই জেরে সোমবার গভীর রাতে কৌশলে তাকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নেন ওই দুই নারী। এরপর দুজনে একসঙ্গে বজলুরকে জড়িয়ে ধরেন। এক পর্যায়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ব্লেড দিয়ে গোপনাঙ্গ কেটে দেন তারা।

মতিয়ার রহমান আরও জানান, ঘটনাটি আত্মীয়দের মধ্যে হওয়ায় কোনো পক্ষ মামলা করেনি। দুই পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার আলোচনা চলছে। বজলুর এখন কোথায় আছেন, কী অবস্থায় আছেন তাও তিনি জানতে পারেননি।

অভিযুক্ত দুই প্রবাসীর স্ত্রী জাগো নিউজকে জানান, ফজলুর রহমান নিয়মিত তাদের নির্যাতন করতেন। ওইদিন রাতে দুজনকে একসঙ্গে মেলামেশা করার চেষ্টা করেন। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হাতের কাছে থাকা ব্লেড দিয়ে এ কাণ্ড ঘটান।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কাগমারি পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাজেদ। তিনি জানান, এ ঘটনায় কোনো পরিবারই অভিযোগ দেয়নি। তারা পারিবারিকভাবে বিষয়টির মীমাংসা করেছে বলে জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন বলেন, এ ঘটনায় উভয় পরিবার মীমাংসার কথা বলেছিল। পরে তারা আর আসেননি।


আরও খবর



সরকারি আয় বৃদ্ধিতে রাজস্ব আদায়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে: স্পিকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৫জন দেখেছেন
Image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সরকারি আয় বৃদ্ধিতে রাজস্ব আদায়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। রাজস্ব আদায় অনলাইনের মাধ্যমে সহজীকরণ ও ইউজার ফ্রেন্ডলি করে সবাইকে করের আওতায় নিয়ে আসলে তা দেশের বাজেট ব্যবস্থাপনাকে সহজ করবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সংসদ ভবনের শপথকক্ষে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ডিটি গ্লোবাল ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের সহযোগিতায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের বাজেট এনালাইসিস ও মনিটরিং ইউনিট (বামু) কর্তৃক আয়োজিত ‌‘বাজেট হেল্পডেস্ক ২০২২’ এর আওতায় ‘মাননীয় সংসদ সদস্যদের জন্য ডিব্রিফিং সেশন-৪’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রকল্প পরিচালক এবং যুগ্ম সচিব এম এ কামাল বিল্লাহ এবং সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘বাজেট ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড ফিসক্যাল সাসটেইনেবিলিটি’র উপর আলোচনা করেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম এবং ‘বাজেট ম্যানেজমেন্ট প্রসেস ইন বাংলাদেশ’র উপর আলোচনা করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রহমান খান।

ডিটি গ্লোবালের সানিন জানানোভিক এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এলিসিও ফ্রান্সিস্কো অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেশনে আমন্ত্রিত রিসোর্স পারসনদের আলোচনার উপরে আগত সংসদ সদস্যরা সরব অংশগ্রহণ করেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অদম্য সাহসিকতা ও সুদক্ষ নেতৃত্বে স্বঅর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতুর সুফল দেশবাসী পেতে শুরু করেছে। পদ্মা সেতুই প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের যথাযথ কারিগরি দক্ষতা, সক্ষমতা ও আর্থিক স্বচ্ছলতা রয়েছে।

বাজেট ডিব্রিফিং সেশনে জাতীয় সংসদের হুইপ আবুল কালাম আজাদ, উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ, আহসানুল ইসলাম টিটু, শামসুল হক টুকুসহ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর পিলার ঘেঁষে ছবি-সেলফি তোলার হিড়িক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

রাত পেরোলেই উদ্বোধন হবে দেশের বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতু। সেতুর এ উদ্বোধন উপলক্ষে সারাদেশে উৎসবের আমেজ। বিশেষ করে পদ্মাপাড়ের বাসিন্দাদের যেন আনন্দের সীমা নেই।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া চৌড়াস্তা এলাকায় সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা সেতুর নিচে মানুষজনের ভিড় জমেছে। সেতুর পিলার ঘেঁষে ছবি, সেলফি তোলার হিড়িক পড়েছে। ছবি তুলে তারা কালের সাক্ষী হচ্ছেন।

ঢাকা কলেজের ছাত্র জাকারিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার বাড়ি পটুয়াখালী এলাকায়। পটুয়াখালী থেকে ঢাকা আসতে আমার পুরো দিন পার হয়ে যায়। পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে এখন আমাদের অনেক সময় বেঁচে যাবে। সেইসঙ্গে ঝুঁকিটাও অনেক কমে যাবে।’

jagonews24

তিনি বলেন, ‘এই পদ্মা সেতুর জন্য সব কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। বাঙালি জাতি তার ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।’

আসমা আক্তার নামের এক দর্শনার্থী বলেন, ‘আমাদের অনেকদিনের স্বপ্ন ছিল এই পদ্মা সেতু। আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাই এ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ছবি তুলে কালের সাক্ষী হলাম।’

শনিবার (২৫ জুন) উদ্বোধন করা হবে বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর সড়ক পথ। পরেরদিন ভোর ৬টা থেকে যানচলাচল শুরু হবে।

২০০১ সালের ৪ জুলাই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে।

পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

jagonews24

পদ্মা সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি।

বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। ১ শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার স্বপ্নের কাঠামো নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড।


আরও খবর



ব্যাটারদের ভরাডুবির দিনে পেসারদের নিয়ে খুশি সাকিব

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৫জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশকে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট করেও প্রথম দিনে লিড নিতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রায় দেড় সেশন ব্যাট করে ৪৮ ওভারে মাত্র ৯৫ রান তুলতে সক্ষম হয়েছে তারা, হারিয়েছে দুইটি উইকেট। আট উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশের চেয়ে আর আট রানে পিছিয়ে স্বাগতিকরা।

ক্যারিবীয়দের এভাবে বেঁধে রাখার মূল কৃতিত্ব বাংলাদেশের পেসারদের। প্রায় ১৬ মাস পর টেস্টে ফেরা মোস্তাফিজ ১২ ওভারে মাত্র ১০ রান খরচায় একটি উইকেট নিয়েছেন। এবাদত হোসেন ১২ ওভারে ১৮ রানে নিয়েছেন এক উইকেট। আরেক পেসার খালেদ আহমেদ ৯ ওভারে খরচ করেছেন ১৫ রান।

ব্যাটারদের পারফরম্যান্সের কোনো ব্যাখ্যা নেই সাকিবের কাছে। তবে পেসারদের নিয়ে নিজের সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। বেশ কিছু সুযোগ হাতছাড়া না করলে বাংলাদেশ আরও ভালো অবস্থানে থাকতো বলে মনে করেন তিনি।

সাকিব বলেছেন, ‘(পেসারদের নিয়ে) আমি খুবই খুশি। কিছু হাফ চান্স ছিল। সেগুলো নিলে পেসারদের জন্য দারুণ একটা দিন হতো। যেটা আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই পাইনি। পেস বিভাগ খুবই ভালো বল করেছে। জুটিতে ভালো বল করেছে। মোস্তাফিজ দারুণ ছিল। খালেদও অনেক ভালো বল করেছে নতুন বলে। এবাদত সবসময় ভালো বল করছে। তিনজনই ভালো করেছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘ওরা (পেসাররা) একটু দুর্ভাগা। আরও দুটি উইকেট পেলে হয়তো আমরা ভালো অবস্থানে থাকতাম। যদি ১০০ রানে ৪ উইকেট থাকতো, তাহলে কাল (শুক্রবার) আরও ১০০ রানের মধ্যে ওদের অলআউট করলে আমরা ম্যাচে থাকতাম। এখন যে হবে না তা বলছি না।’

তবে এখনও দুটি সুযোগ দেখছেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব। তিনি বলেছেন, ‘দেখুন, এখানে দলের দুটি সুযোগ আছে। একটা হচ্ছে ছেড়ে দিয়ে ওদের যতো ইচ্ছা রান করতে দেওয়া। তারপর আমরা সেকেন্ড ইনিংসে ব্যাট করে খেলা শেষ হয়ে গেলো।’

দ্বিতীয় সুযোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আরেকটা হচ্ছে আমরা চেষ্টা করলাম। যদি ওদের আড়াইশো রানের ভেতরেও অলআউট করতে পারি, তখন আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো ব্যাটিং করলে... শেষ ইনিংসে এখানে কী হবে, আমরা তো জানি না।’


আরও খবর



৬ বিঘা জমি গেছে দুঃখ নেই, পদ্মা সেতু চালু হলো এতেই খুশি নাসির

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য ছয় বিঘা জমি দিয়েছেন ৫৭ বছর বয়সী মো. নাসির জমাদ্দার। তার বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের মাইনুদ্দিন জমাদ্দারকান্দিতে।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী দিনে শনিবার (২৫) বিকেলে জমাদ্দার বাসস্ট্যান্ডে তার সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের।

নাসির জমাদ্দার জানান, শরীয়তপুর অংশে পদ্মা সেতুর জন্য তার পুরো পরিবারকে ২০ বিঘা জমি দিতে হয়েছে। তিনি দিয়েছেন ছয় বিঘা। অধিগ্রহণের জন্য সরকার থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ পেয়েছেন। তবে পুরোনো বসতভিটার জন্য এখনো তার মন কাঁদে। তবে পদ্মা সেতুতে অবদান রাখায় গর্ববোধ করেন নাসির জমাদ্দার। নিজেকে পদ্মা সেতুর একজন অংশীদার মনে করেন তিনি।

নাসির জমাদ্দার বলেন, ‘পদ্মা সেতুর জন্য সরকার আমাদের জায়গা-জমি নিয়েছে, তারপরও আমরা খুশি। সরকার যেটা করেছে ভালোর জন্য করেছে। আজ পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলো। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। পদ্মা সেতু হওয়ায় আমার ও শরীয়তপুরের মানুষের উপকার হয়েছে। জমির জন্য কষ্ট হলেও আজ আমরা খুশি। এটা ভেবে ভালো লাগছে যে পদ্মা সেতুর জন্য আমি জমি দিয়েছি।’

তার মতো ওই এলাকার আব্দুর রউফ খালাশী, রশিদ মাদবর, রাজ্জাক হোসেন, রশিদ মিয়া ও জয়নাম জমাদ্দারও পদ্মা সেতুর জন্য জমি দিয়েছেন।

সেতুর জন্য আব্দুর রউফ খালাশীর পরিবারকে ২৭ বিঘা জমি দিতে হয়েছে। তারপরও তিনি খুশি। আব্দুর রউফ বলেন, ‘জমি দিতে হয়েছে তাতে কী? পদ্মা সেতু চালু তো হয়েছে। এতেই আমরা খুশি।’

গত আট বছর ধেরে নাওডোবা পুনর্বাসন কেন্দ্রে বসবাস করছেন রাজ্জাক হোসেন ও রশিদ মিয়া। পদ্মা সেতুর জন্য তাদের জমি দিতে হয়েছে। তাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছিল। পুরো পরিবার নিয়ে থাকতেন। জমি অধিগ্রহণের জন্য সরকার দেড়গুণ টাকা দিয়েছে। পুনর্বাসন কেন্দ্রে তারা সরকার থেকে জমি কিনে বাড়ি করেছেন।

রাজ্জাক হোসেন ও রশিদ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘বাড়ি ও জমি গেছে তাতে কোনো দুঃখ নেই। পদ্মা সেতু চালু হয়েছে এতেই আমাদের সুখ।’

বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর সড়কপথে রোববার (২৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে সবধরনের যান চলাচল শুরু হবে।

২০০১ সালের ৪ জুলাই স্বপ্নের পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে।

পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

পদ্মা সেতু নির্মাণে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদী শাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি।

বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। ১ শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার স্বপ্নের কাঠামো নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড।


আরও খবর