Logo
শিরোনাম

সম্পর্কে না ফেরায় প্রাক্তন প্রেমিকার বাড়িতে যুবকের বোমা নিক্ষেপ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৩জন দেখেছেন
Image

প্রবাদ আছে ‘প্রেম ও যুদ্ধের ক্ষেত্রে নাকি সবকিছুই ঠিক’। প্রেম করতে গিয়ে অনেক অদ্ভুদ ঘটনার জন্ম দিয়েছেন অনেকেই। তাই বলে প্রেমিকার বাড়িতে বোমা নিক্ষেপ! অবিশ্বাস্য হলেও এমনই এক অদ্ভুদ ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বরে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হয়ে প্রেমিকার বাড়ির লোকজনের উপর বোমা ছুঁড়েছে এক প্রেমিক। আর ওই বোমার আঘাতে তরুণীর পরিবারের চার জন আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মে) রাতে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাণ্ডবেশ্বর থানার জামুড়িয়া ২নং ব্লকের ডোম-বাউড়িপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাজীব বাউড়ির সঙ্গে ওই এলাকার এক তরুণীর প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল। তবে ওই তরুণীর পরিবারের দাবি, এক বছর আগেই তাদের মেয়ে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসেছে।

কিন্তু ওই তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য সব রকম চেষ্টা চালাতে থাকেন রাজীব। অনুনয়-বিনয়ের পর ভয় দেখিয়েও সম্পর্ক জোড়া লাগাতে না পেরে একপর্যায়ে রাজীব ওই তরুণীকে খুনের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেছে ওই পরিবার।

এরপরই শুক্রবার রাতে তরুণীর পরিবারের লোকজনকে উদ্দেশ্য করে বোমা নিক্ষেপ করেন রাজীব।

তবে ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা


আরও খবর



১৫ মে’র মধ্যে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে হজযাত্রী স্থানান্তর

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৪জন দেখেছেন
Image

চলতি বছরের হজের জন্য আগামী ১৫ মে’র মধ্যে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে ২০২০ সালের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের এক এজেন্সি থেকে অন্য এজেন্সিতে স্থানান্তর করতে হবে।

সোমবার (৯ মে) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২০২২ সালে হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বৈধ হজ এজেন্সির তালিকায় প্রকাশিত যে সব হজ এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ৯৭ বা এর বেশি সেসব এজেন্সিকে ২০২২ সালের হজের নিবন্ধন স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুমতি দেওয়া হলো। পাশাপাশি নিবন্ধন স্থানান্তর কার্যক্রমের জন্য উপযুক্ত বা তালিকায় প্রকাশিত বৈধ যেসব হজ এজেন্সির নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ৯৭ জনের কম সেসব হজ এজেন্সি পরস্পর সমঝোতা করে সমন্বয়পূর্বক ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ এবং এর অধীনে প্রণীত ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২২ (খসড়া)’ এর ২৫ বিধি অনুযায়ী লিড এজেন্সি নির্ণয় করে সমন্বয়কারী এজেন্সিগুলোর নিবন্ধিত ব্যক্তিদের লিড এজেন্সিতে স্থানান্তর করে নির্ধারিত কোটা পূরণ ও নির্ধারিত কোটার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।

আগামী ১৫ মে’র মধ্যে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে ২০২০ সালের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের এক এজেন্সি থেকে অন্য এজেন্সিতে স্থানান্তর সম্পন্ন করতে হবে। সমন্বয়কার্য শেষে সৌদি আরবের ই-হজ সিস্টেমে ইউজার তৈরির জন্য সৌদি আরবে হজ এজেন্সির তালিকা এবং হজ এজেন্সিভিত্তিক হজযাত্রীর সংখ্যা (গাইড ও মোনাজ্জেমসহ) পাঠানো হবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কোনো সময় বাড়ানো হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবে এজেন্সিভিত্তিক হজযাত্রীর তথ্য পাঠানোর পর সব ধরনের প্রতিস্থাপনের কার্যক্রম শুরু হবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে সব হজ এজেন্সি বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তিপ্রাপ্ত, লাইসেন্স স্থগিত বা লাইসেন্স সচল না থাকায় ই-হজ সিস্টেমে এজেন্সির ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড বন্ধ সেসব হজ এজেন্সির অধীন বিদ্যমান নিবন্ধিত হজযাত্রীদের ২০২২ সালে হজ কার্যক্রমে সচল আছে এবং সৌদি আরবে হজযাত্রী পাঠানোর উপযুক্ত এমন হজ এজেন্সির কাছে ১৫ মে’র মধ্যে শুধু হজযাত্রী স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। তাদের ইজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড আগের মতো বন্ধ থাকবে (কোন নিবন্ধন, হজযাত্রী স্থানান্তরপূর্বক গ্রহণ ইত্যাদি কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারবে না)।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৯ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন হজে যেতে পারবেন বলে এরই মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে সৌদি আরবের নিষেধাজ্ঞার কারণে গত দু-বছর বাংলাদেশ থেকে কেউ হজে যেতে পারেননি।


আরও খবর



বান্দরবানে পর্যটন খাতে ৫ দিনে আয় আড়াই কোটি

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

ঈদের ছুটিতে যান্ত্রিকতা ও কর্মব্যস্ততা ভুলে প্রকৃতির পরশে অবকাশযাপনে পাহাড় কন্যা খ্যাত বান্দরবানে ভিড় জমিয়েছিলেন অসংখ্য পর্যটক। এতে পর্যটকনির্ভর ব্যবসায়ীদেরও আয় হয়েছে আশানুরূপ। ঈদের দ্বিতীয় ৪ মে থেকে ৮ মে পর্যন্ত আয় হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।

সোমবার (৯ মে) জেলা সদর উপজেলার সরকারি ও বেসরকারি পর্যটন সংশ্লিষ্ট থেকে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

তাদের দেওয়া তথ্যমতে, বান্দরবানের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট নীলাচল ও মেঘলা এ দুই স্পটে ঈদ পরবর্তী পাঁচ দিনে সাড়ে ২৯ হাজার পর্যটকের আগমন ঘটেছিল। এতে বান্দরবান জেলা প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত এ দুই স্পট থেকে জনপ্রতি ৫০ টাকা হারে আয় হয়েছে ১৪ লাখ ৭৬ হাজার ৬৫০ টাকা।

বান্দরবান মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রের টিকিট কাউন্টার ম্যানেজার শুভ দাশ জাগো নিউজকে বলেন, মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে গত পাঁচদিনে বিক্রিত প্রবেশ টিকেট অনুযায়ী ১০ হাজার ৮৩৩ জন পর্যটক ভ্রমণের জন্য প্রবেশ করেছেন।

নীলাচল পর্যটন কেন্দ্রের টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা সুমি ত্রিপুরা জাগো নিউজকে বলেন, এ কেন্দ্রে গত পাঁচদিনে বিক্রিত প্রবেশ টিকিট অনুযায়ী ১৮ হাজার ৫০০ জন পর্যটক প্রবেশ করেছেন।

jagonews24

হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, এবার ঈদের ছুটিতে পর্যাপ্ত পর্যটকের আগমন হয়েছে বান্দরবানে। এর ফলে ৫, ৬ ও ৭ মে
স্থানীয় হোটেলগুলোতে ব্যবসাও হয়েছে আশানুরূপ। ছোট বড় হোটেল মিলিয়ে সমিতির অন্তর্ভুক্ত ৬৫টি রয়েছে। গড়ে প্রায় ৭৭ হাজার টাকা হিসেবে তিন দিনে প্রায় দেড় কোটি টাকা আয় হয়েছে।

বান্দরবান জিপ-মাইক্রোবাস মালিক সমিতির টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা মো. কামাল জাগো নিউজকে বলেন, ৪ মে থেকে ৮ মে পর্যন্ত ১ হাজার ১২৯টি পর্যটক বাহী টুরিস্ট গাড়ি বিভিন্ন পর্যটন স্পটের উদ্দেশ্যে স্টেশন ছেড়ে গেছে। প্রতি গাড়ি গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টাকা হিসেবে প্রায় ৫০ লাখ ৮০ হাজার ৫০০ টাকার মতো আয় হয়েছে।

বান্দরবান থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রাচালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন জাগো নিউজকে বলেন, সমিতির অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৩০০ গাড়ি আছে। ৪ মে থেকে ৮ মে পর্যন্ত গড়ে ৬ হাজার টাকা হিসেবে প্রায় ১৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং নীলাচল-মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কায়েছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, এবারের ঈদের ছুটিতে নীলাচল ও মেঘলা পর্যটন কেন্দ্রে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটেছে। আগত পর্যটকদের সার্বিক সুবিধা-অসুবিধার খবর রাখতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে ছিলেন। কোনো প্রকার অসুবিধা ছাড়াই আগত পর্যটকরা ভ্রমণ শেষ করে ফিরেছেন।


আরও খবর



গণকমিশনের অভিযোগ মিথ্যা-ভিত্তিহীন: হেফাজত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৯জন দেখেছেন
Image

‘জঙ্গি অর্থায়ন ও দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে কাজ করছে’ এমন অভিযোগ এনে ১১৬ ওয়ায়েজিনের (ধর্মীয় বক্তা) তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা দিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে ‘গণকমিশন’। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এ নিন্দা-প্রতিবাদ জানান।

হেফাজতের আমির বলেন, ‘ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত তথাকথিত গণকমিশনের করা অভিযোগ সম্পর্কে আমরা আজ জানতে পেরেছি। এ সংগঠনের শ্বেতপত্র সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মিথ্যা তথ্যে ভরপুর। এটি দেশবাসীর সামনে দিবালোকের মতো পরিষ্কার।’

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই নানাভাবে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করে আসছে। সর্বশেষ তারা দেশবরেণ্য ওলামা-মাশায়েখ এবং ইসলামী আলোচকদের তালিকা প্রকাশ করে চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

বিবৃতিতে আরও বলেন, ‘দেশবরেণ্য ইসলামী আলোচকদের নামে অমূলক এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ করে তথাকথিত গণকমিশনের দায়িত্বশীলরা নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন। বাস্তবতা বিবর্জিত এসব কথাবার্তা বলে নিজেদেরকে জাতির সামনে চরম উপহাসের পাত্রে পরিণত করেছেন। এসব বানোয়াট বক্তব্যের কারণে দেশে চরম অশান্তি সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। যারা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করছে, সরকার যেন তাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করে।’

হেফাজতের আমির বলেন, ‘ওয়াজ মাহফিল শান্তি-সমৃদ্ধি ও আদর্শ সমাজ গঠন ও সমাজ সংস্কারের উত্তম একটি মাধ্যম। এর মাধ্যমে মানুষকে ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণের পথনির্দেশ করা হয়। সমাজের সব অনাচার, অন্যায় এবং ভুল থেকে মানুষকে বিরত রাখা হয়। ইসলামী আলোচকরা ধর্মের বিশুদ্ধ বার্তা মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।’

মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘দেশ ও জাতির জন্য পরম কল্যাণকর এ কাজটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার লক্ষ্যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তথাকথিত গণকমিশন। দুদকে এ মিথ্যা অভিযোগ করে তারা দেশ-জাতি, সমাজ ও ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তারা আজ আলেম উলামাদেরকে সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চক্রান্ত করছে। সরকার যদি এখনই শক্ত হাতে এ সংগঠনকে দমন না করে তাহলে ইসলামপ্রিয় আপামর তৌহিদী জনতা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’


আরও খবর



মুসলিমরা আল্লাহর উপরই ভরসা করে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৫জন দেখেছেন
Image

মুসলিমরা আল্লাহর উপরই ভরসা করে। আল্লাহ তাআলা সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। তাই আল্লাহর উপর ভরসা করাই মুসলিমদের কর্তব্য। উহুদের যুদ্ধের ঘটনায় মহান আল্লাহ নিজেই এ কথা ঘোষণা করেছেন। যখন মুনাফেকদের দেখাদেখি মুসলিমদের দুইটি দল জনসংখ্যা সল্পতা ও যুদধাস্ত্র সল্পতায় ভীত হয়েছিল। তখন আল্লাহ তাদের প্রতি আয়াত নাজিল করে ঘোষণা করেছিলেন- ’আল্লাহর উপর ভরসা করাই মুসলিমদের কর্তব্য।’ কোরআনুল কারিমে ঘটনাটি এভাবে ওঠে এসেছে-
وَ اِذۡ غَدَوۡتَ مِنۡ اَهۡلِکَ تُبَوِّیٴُ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ مَقَاعِدَ لِلۡقِتَالِ ؕ وَ اللّٰهُ سَمِیۡعٌ عَلِیۡمٌ
’(স্মরণ করুন) যখন (উহুদ) যুদ্ধের জন্য বিশ্বাসীদেরকে যথাস্থানে সংস্থাপিত করার লক্ষ্যে তুমি তোমার পরিজনবর্গের নিকট থেকে প্রত্যূষে বের হয়েছিলে; এবং আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১২১)

اِذۡ هَمَّتۡ طَّآئِفَتٰنِ مِنۡکُمۡ اَنۡ تَفۡشَلَا ۙ وَ اللّٰهُ وَلِیُّهُمَا ؕ وَ عَلَی اللّٰهِ فَلۡیَتَوَکَّلِ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ
’যখন তোমাদের মধ্যে দু’টি দলের মনোবল হারাবার উপক্রম হয়েছিল এবং আল্লাহ ছিলেন উভয়ের সহায়ক। আর বিশ্বাসীদের উচিত, আল্লাহর উপরেই ভরসা করা।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১২২)

وَ لَقَدۡ نَصَرَکُمُ اللّٰهُ بِبَدۡرٍ وَّ اَنۡتُمۡ اَذِلَّۃٌ ۚ فَاتَّقُوا اللّٰهَ لَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ
’নিশ্চয়ই বদরের যুদ্ধে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করেছিলেন, তখন তোমরা ছিলে হীনবল। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১২৩)

আয়াতের প্রসঙ্গিক আলোচনা
এ আয়াতগুলো উহুদ যুদ্ধের ঘটনায় নাজিল হয়েছিল। যা হিজরি ৩য় সনের ৬ শাওয়াল সংঘটিত হয়েছিল। এর সংক্ষিপ্ত প্রেক্ষাপট হলো- হিজরি ২য় সনে বদরের যুদ্ধে কাফেররা শিক্ষামূলক পরাজয় বরণ করে, তাদের ৭০জন লোক মারা যায় এবং ৭০জন বন্দী হয়। আর এই পরাজয় ছিল তাদের জন্য বড়ই লাঞ্ছনাকর ও অপমানজনক। তাই তারা মুসলিমদের বিরুদ্ধে অতি শক্তিশালী এক প্রতিশোধমূলক যুদ্ধের প্রস্ত্ততি গ্রহণ করে এবং এতে তাদের মহিলারাও শরিক হয়। এদিকে মুসলিমরা যখন জানতে পারলেন যে, তিন হাজার কাফের উহুদ পাহাড়ের কাছে যুদ্ধের তাঁবু খাটিয়েছে, তখন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের নিয়ে এ ব্যাপারে পরামর্শ করলেন। তাঁরা মদিনার ভেতরে থেকেই যুদ্ধ করবেন, নাকি মদিনার বাইরে গিয়ে তাদের সঙ্গে লড়বেন।

কোনো কোনো সাহাবি মদিনার ভেতর থেকেই যুদ্ধ করার পরামর্শ দিলেন এবং মুনাফিকদের সর্দার আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইও এই মত প্রকাশ করেছিল। কিন্তু উদ্দীপনায় উদ্বুদ্ধ কিছু সাহাবি যাঁরা বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করার সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি, তাঁরা মদিনার বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করার কথা সমর্থন করলেন।

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুজরার ভেতরে গিয়ে যুদ্ধের পোশাক পরে বাইরে এলেন। তা দেখে দ্বিতীয় মত প্রকাশকারীগণ অনুতপ্ত হলেন। তাঁরা ভাবলেন, হয়তো আমরা নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইচ্ছার বিপরীত তাঁকে মদিনার বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করে সঠিক কাজ করিনি। তাই তাঁরা বললেন-
’হে আল্লাহর রাসুল! যদি আপনি শহরের ভেতরে থেকে মোকাবেলা করা পছন্দ করে থাকেন, তবে তা-ই করুন! তিনি (নবিজী) বললেন, যুদ্ধের পোশাক পরে নেওয়ার পর কোনো নবির জন্য শোভনীয় নয় যে, তিনি আল্লাহর ফয়সালা ছাড়া ফিরে যাবেন অথবা পোশাক খুলে ফেলবেন।

সুতরাং এক হাজার মুসলিম যোদ্ধা যুদ্ধের জন্য রওনা হয়ে গেলেন। খুব সকালে যখন তাঁরা ‘শাউত্ব’ নামক স্থানে পৌঁছলেন, তখন আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এই বলে তার ৩ শ সঙ্গীকে নিয়ে ফিরে গেল যে, তার মত গ্রহণ করা হয়নি। সুতরাং অকারণে জান দিয়ে লাভ কি?

তার এই ফায়সালায় সাময়িকভাবে কোন কোন মুসলিম প্রভাবিত হয়েছিলেন এবং তাঁদের অন্তর দুর্বল হয়ে পড়েছিল।’ (ইবনে কাসির) তখন আল্লাহ তাআলা আয়াত নাজিল করেন-
اِذۡ هَمَّتۡ طَّآئِفَتٰنِ مِنۡکُمۡ اَنۡ تَفۡشَلَا ۙ وَ اللّٰهُ وَلِیُّهُمَا ؕ وَ عَلَی اللّٰهِ فَلۡیَتَوَکَّلِ الۡمُؤۡمِنُوۡنَ
’যখন তোমাদের মধ্যে দু’টি দলের মনোবল হারাবার উপক্রম হয়েছিল এবং আল্লাহ ছিলেন উভয়ের সহায়ক। আর বিশ্বাসীদের উচিত, আল্লাহর উপরেই ভরসা করা।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১২২)
তোমাদের দুটি দল ভীরুতা প্রকাশের সংকল্প করেছিল, অথচ আল্লাহ তাদের সহায় ছিলেন। এ দুই দল হলো আউস গোত্রের বনি হারেসা এবং খাযরাজ গোত্রের বনি সালমা। এরা উভয়ই আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইয়ের দেখাদেখি দুর্বলতা প্রদর্শন করেছিল। প্রকৃতপক্ষে নিজেদের মধ্যে দুর্বলতা ছিল না, বরং নিজ দলের সংখ্যাল্পতা ও সাজ-সরঞ্জামের অভাব দেখেই তারা এ ধারণার বশবর্তী হয়ে পড়েছিল।
এ গোত্রদ্বয়ের মধ্য থেকে হজরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ বলতেন, ’এ আয়াত যদিও আমাদের বনু হারেসা ও বনু সালামাকে উদ্দেশ্য করে নাজিল হয়েছিল এবং আয়াতে আমাদের প্রতি কঠোর বাণী উচ্চারিত হয়েছে ঠিকই কিন্তু (وَاللَّهُ وَلِيُّهُمَا) ব্যাক্যাংশের সুসংবাদও আমাদের লক্ষ্য করেই নাজিল হয়েছে। এ কারণে এ আয়াত নাজিল না হওয়া আমাদের জন্য সুখকর ছিল না।’ (বুখারি, মুসলিম)

আল্লাহর উপর ভরসা করা মুসলিমের কর্তব্য
আয়াতের শেষে বলা হয়েছে- ’আল্লাহর উপর ভরসা করাই মুসলিমদের কর্তব্য। এতে পরিস্কার বলা হয়েছে যে, সংখ্যাধিক্য ও সাজ-সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করার পর ভরসা একমাত্র আল্লাহ পাকের উপরই করা দরকার। সাজ-সরঞ্জামের অভাব দেখেই বনি হারেসা ও বনি সালমার মনে দুর্বলতা ও ভীরুতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। আল্লাহর প্রতি ভরসা দ্বারা এর প্রতিকার করা হয়েছে।
আল্লাহর প্রতি যথার্থ ভরসা ও আস্থাই এ জাতীয় কুমন্ত্রণার প্রতিকার। মূলত তাওয়াক্কুল (আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ভরসা) মানুষের প্রতি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ।
হজরত ইয়াদ ইবন গানম আল-আশআরি বলেন, ইয়ারমুকের যুদ্ধে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু পরপর পাঁচজনকে আমির বানিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, যুদ্ধ শুরু হলে একমাত্র আমীর হবে আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ।
যুদ্ধ শুরু হলে যুদ্ধের ময়দান থেকে আমরা ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে লিখলাম, মৃত্যু আমাদের দিকে ধেয়ে আসছে। আমাদের জন্য সাহায্য পাঠান। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সেটার উত্তরে লিখলেন, সাহায্য চেয়ে পাঠানো পত্র আমার হস্তগত হয়েছে। আমি তোমাদেরকে এমন একজনের সন্ধান দেব যিনি সবচেয়ে বেশী সাহায্য করতে পারেন, যাঁর সেনাবাহিনী সদা প্রস্তুত, তিনি হচ্ছেন- আল্লাহ তাআলা। সুতরাং তোমরা তার কাছেই সাহায্য চাও।
কেননা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বদরের দিনে তোমাদের চেয়ে কম সংখ্যা ও অস্ত্র-সস্ত্র নিয়েও কাফেরদের উপর জয়লাভ করেছিলেন। অতএব, যখন আমার এ চিঠি আসবে তখন তোমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে, এ ব্যাপারে আর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবে না।
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা যুদ্ধ করলাম এবং যুদ্ধে জয়লাভ করলাম।’ (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে হিব্বান)
সুতরাং বুঝা গেলো, মুসলিমের প্রকৃত সাহায্যকারী হলেন আল্লাহ তাআলা। আর বান্দা যখন আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করেন, তখন আল্লাহ তাআলা তার হয়ে যান। মুসলিম উম্মাহর উচিত, মহান আল্লাহর উপর ভরসা করা।

পরবর্তী আয়াতে বদরের সেই বিজয়ের কথা তুলে ধরে মুসলিমদের মনোবল চাঙ্গা করে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন-
وَ لَقَدۡ نَصَرَکُمُ اللّٰهُ بِبَدۡرٍ وَّ اَنۡتُمۡ اَذِلَّۃٌ ۚ فَاتَّقُوا اللّٰهَ لَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ
’নিশ্চয়ই বদরের যুদ্ধে আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করেছিলেন, তখন তোমরা ছিলে হীনবল। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১২৩)
এ আয়াতে বদরের যুদ্ধের দিকে দৃষ্টি আকৃষ্ট করা হচ্ছে- যাতে মুসলিমরা পুরোপুরি তাওয়াক্কুলের পরিচয় দিয়েছিল এবং আল্লাহ তাআলা তাদের সাফল্য দান করেছিলেন। অর্থাৎ স্মরণ কর, যখন আল্লাহ তাআলা বদরে তোমাদের সাহায্য করেছিলেন; অথচ তোমরা সংখ্যায় ছিলে অতি নগণ্য। আর সে যুদ্ধটি ছিল বদরের যুদ্ধ।’

বদরের যুদ্ধে যোদ্ধাদের সংখ্যা কম ছিল এবং যুদ্ধ-সামগ্রীও অল্প ছিল। এ যুদ্ধে মুসলিম ছিলেন ৩১৩ জন এবং যুদ্ধ-সামগ্রীও ছিল অতি অল্প। শুধু দুটি ঘোড়া এবং সত্তরটি উট এবং অবশিষ্ট সবাই ছিলেন পদাতিক। মুসলিম বাহিনী আল্লাহর উপর যথাযথ তাওয়াক্কুল করার কারণেই মহান আল্লাহ বদরে মুসলিম বাহিনীকে বিজয় দান করেছিলেন।

সুতরাং মুমিন মুসমানের উচিত, সব সময় মহান আল্লাহর উপর তাওয়াক্বুল করা। আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করাই মুসলিম উম্মাহর একান্ত কর্তব্য।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে কোরআনের সতর্কতা নিজেদের জীবনে গ্রহণ করে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন। গুরুত্বপূর্ণ সব প্রয়োজনে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



বিশ্বে করোনায় মৃত্যু নামলো এক হাজারে

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৮জন দেখেছেন
Image

বিশ্বে করোনাভাইরাসে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। এই সংখ্যা নেমে এসেছে এক হাজারের ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন এক হাজার আটজন। এছাড়া একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৬ হাজার ৪৭৪ জন।

রোববার (৮ মে) সকালে বৈশ্বিক পর্যায়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার আপডেট দেওয়া ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডোমিটারসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাসে মোট মৃত্যুর সংখ্যা হলো ৬২ লাখ ৭৫ হাজার ৭৯৫ জন। আর মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫১ কোটি ৬৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬৫০ জন। এর মধ্যে ৪৭ কোটি ১৬ লাখ ৩২ হাজার ৯৫৪ জন সুস্থ হয়েছেন।

এদিকে বিশ্বে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর তালিকায় এখনো শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ১৪৩ জন। আর ৮৭ জন মারা গেছেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৫২৫ জনের।

তবে দৈনিক করোনা সংক্রমণের তালিকার প্রথমে রয়েছে জার্মানি। দেশটিতে নতুন করে করোনা করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৮ হাজার ৪০৬ জনের। আর মারা গেছেন ১০২ জন। ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার ৯৯৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯১৪ জন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে রাশিয়া। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫ হাজার ৫০০ জন জনের। এ নিয়ে রাশিয়ায় মোট করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮২ লাখ ২২ হাজার ২১৯ জন হয়েছে। আর মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৮২৮ জনে।

দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে- ইতালি, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ফ্রান্স, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ব্রাজিল।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর