Logo
শিরোনাম

সময় পেলেই ঘুরে আসুন দেশের জনপ্রিয় ৪ স্থানে

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৪জন দেখেছেন
Image

সাইফুর রহমান তুহিন

অনুপম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাংলাদেশে বেড়ানোর স্থানের অভাব নেই। যদিও অক্টোবর থেকে মার্চ মাস হচ্ছে দেশের মধ্যে বেড়ানোর আদর্শ সময়। তবে এখন ভ্রমণপিপাসুরা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে।

বেশিরভাগ মানুষই কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা ও শ্রীমঙ্গলসহ সিলেট বিভাগের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখে ফেলেছেন। আজকের এই লেখায় আরও কিছু গন্তব্যের খোঁজ জানানো হলো-

সোনারগাঁ

বাংলার প্রাচীন রাজধানী ছিলো সোনারগাঁ। ঢাকা নগরী থেকে প্রায় ২৯ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছেই সোনারগাঁর অবস্থান। দেব রাজবংশের শাসনামলে এটি ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রশাসনিক রাজধানী ছিলো। ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘলদের আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁ বাংলা সালতানাতের অংশ ছিল।

দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন ভবন ও স্মৃতিচিহ্নের পাশাপাশি প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয়ে আছে দেশের ঐত্যিহ্যসমূহ ও সংস্কৃতিকে সংরক্ষণের জন্য নিবেদিত একটি জাদুঘর। কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নকশা অনুসারে নির্মিত লোকশিল্প জাদুঘর ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমন্বয়ে এক চমৎকার জায়গা যা সপরিবারে ভ্রমণের জন্য আদর্শ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের অফিস এখানেই অবস্থিত। জাদুঘর প্রাঙ্গণের কাছেই আছে একটি দৃষ্টিনন্দন লেক। যেখানে আছে নৌকায় চড়া ও মাছ ধরার সুবিধা। এর পাশাপাশি আরও আছে কারুশিল্পীদের একটি গ্রাম, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের নমুনা, রেস্টুরেন্ট ও হস্তশিল্পের দোকান।

এছাড়া দর্শনার্থীরা নিকটবর্তী প্রাচীন আমলের পুরনো শহর পানাম নগর ও সালতানাত আমলের গোলাদিয়া মসজিদ দেখতে যেতে পারেন। লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের রয়েছে একটি লাইব্রেরি ও প্রদর্শনী কেন্দ্র।

jagonews24

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে একটি প্রাইভেট কার/মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে সারাদিন সোনারগাঁয় কাটিয়ে বিকেলে ফিরে যেতে পারে। যদি তা না পারেন তাহলে গুলিস্তান, শাহবাগ কিংবা মতিঝিল থেকে বাসে চড়েও যেতে পারেন।

কুমিল্লা

কুমিল্লা জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর জন্য সুপরিচিত। জেলার উত্তর পাশের পাহাড়ি অংশ ময়নামতি ও দক্ষিণ পাশ লালমাই নামে পরিচিত। লালমাই ও ময়নামতির মধ্যবর্তী শালবন বিহার একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। শালবন বিহার ও তার আশপাশে আছে প্রাচীন সভ্যতার বেশ কিছু নিদর্শন।

শালবন বিহার থেকে মাত্র ৫/৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুমিল্লা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈন্যদের সমাধিস্থল কুমিল্লার একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

ময়নামতি জাদুঘর হলো কুমিল্লার আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ। এই জাদুঘরে আপনি দেখতে পাবেন প্রাচীন আমলের অস্ত্রশস্ত্র, ব্রোঞ্জের পাত্র, স্বর্ণমুদ্রা, রৌপ্যমুদ্রা ও ব্রোঞ্জের তৈরি ৮৬ প্রকার দ্রব্যাদি। শুধু তাই নয়, এখানে আরও দেখবেন বিভিন্ন বৌদ্ধমন্দির থেকে সংগৃহীত ১৫০ এরও বেশি বৌদ্ধমূর্তি।

কুমিল্লা শহরের ৪/৫ কিলোমিটার বাইরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছাকাছি কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সৌন্দর্যও মুগ্ধ করার মতো। কুমিল্লার আরেকটি দর্শনীয় স্থান হলো ধর্মসাগর দীঘি। ধারণা করা হয়, ১৭৫০ কিংবা ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে প্রজাহিতৈষী রাজা ধর্মপালের নামে রাখা হয়েছে এই দীঘিটির নাম।

রাজা ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের রাজা ও প্রজাদরদী মানুষ। দুর্ভিক্ষের সময় দুর্ভিক্ষপীড়িত লোকজনকে পানি দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য এই দীঘিটি খনন করা হয়। রাজার উদ্দেশ্য ছিলো প্রজাদের পানির কষ্ট দূর করা। প্রতিদিন বিকেলে এই দীঘির পাড়ে ভিড় জমান অনেক দর্শনার্থী।

কুমিল্লায় বেড়াতে গিয়ে আর যে বিষয়টি একটুও ভুলবেন না তা হলো দেশসেরা রসমালাইয়ের স্বাদ পরখ করা। এর পাশাপাশি এখানকার খাদি কাপড়ের পরিচিতিও ব্যাপক।

যাতায়াত ও থাকা

দেশের যে কোনো স্থান থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে উঠে আপনি সহজেই কুমিল্লায় নেমে যেতে পারেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ আরও কয়েকটি জেলা থেকে বাস সার্ভিস আছে। ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে এশিয়া লাইন, তিশা, বিআরটিসি, ইকোনো সার্ভিস, রয়েল কোচ প্রভৃতি আরামদায়ক বাস আড়াই ঘণ্টার মধ্যে কুমিল্লায় পৌঁছে।

রাতে থাকার জন্য শহরে আছে হোটেল রেড প্রুফ ইন, কানন লেইক রিসোর্ট লিমিটেড, হোটেল বিলাস, হোটেল সাগরিকা, হোটেল পিপাসা, হোটেল গোমতী প্রভৃতি মাঝারি বাজেটের হোটেল। একটু নিরিবিলি ও আরামদায়ক বসবাসের জন্য আছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর গেস্ট হাউস যা ‘রাণীর কুঠি’ নামেও পরিচিত।

jagonews24

মহাস্থানগড়, বগুড়া

বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে বগুড়া-রংপুর সড়কের কাছাকাছি করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক স্থান ও অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র। মৌড়, গুপ্ত ও সেন রাজবংশের শাসনামলে এটি রাজধানী ছিলো।

মহাস্থানগড়ে আছে বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্মৃতিচিহ্ন যা নির্মিত হয়েছিলো খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালে। এখানে আপনি আরও দেখতে পাবেন গোবিন্দ ভিটা মন্দির, মানকালির কুন্ড, পরশুরাম প্রাসাদ, জিয়াত কুন্ড প্রভৃতি ঐতিহাসিক স্থান। হিন্দু সম্প্রদায় এখনো এগুলোকে পবিত্র স্থান হিসেবে উপাসনা করে।

প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে গোটা মহাস্থানগড় জুড়ে। যদি মহাস্থানগড় জাদুঘরে যান তাহলে দেখতে পাবেন টেরাকোটার তৈরি হিন্দু ভাস্কর্য, সোনার গহনা, স্বর্ণমুদ্রা প্রভৃতি প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন। ভ্রমণের পাশাপশি বগুড়ার বিখ্যাত দই দিয়ে রসনাতৃপ্তি মেটাতে পারেন।

যাতায়াত ও থাকা

বাস কিংবা ট্রেন যে কোনোটিতেই চড়ে আপনি বগুড়ায় যেতে পারেন। লালমনি এক্সপ্রেস নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ঢাকা-বগুড়া রুটে চলাচল করে। আর যদি বাসে যেতে চান তাহলে শ্যামলী পরিবহন, এসআর ট্রাভেলস, আলহামরা পরিবহন, নাবিল পরিবহন, ডিপজল এন্টারপ্রাইজ, মানিক এক্সপ্রেস প্রভৃতি থেকে একটিকে বেছে নিতে পারেন।

এছাড়া ঢাকা-রংপুর কিংবা ঢাকা-দিনাজপুর রুটের বাসে চড়েও বগুড়ায় নেমে যেতে পারেন। বগুড়ায় আরামদায়ক বসবাসের জন্য রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল। এর পাশাপাশি আছে হোটেল আল আমিন, হোটেল আকবরিয়া, হোটেল আমজাদিয়া, আজাদ গেস্ট হাউস, হোটেল পার্ক, হোটেল সানভিউ প্রভৃতি কম বাজেটের হোটেল ।

jagonews24

সুন্দরবন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (ইউনেস্কের) ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ’ এই সুন্দরবন। বনের বিস্তৃতি প্রায় ৬০০০ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে। পর্যটন মৌসুমে দেশি-বিদেশি পর্যটকে সদা মুখরিত থাকে সুন্দরবন।
এই বনেরমধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য নদীঅ। বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে মিশিছে এসব নারীর মোহনা। বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, কুমির, বন্য শূকর, বিভিন্ন প্রজাতির সরীসৃপ, বানর ও বিচিত্র জাতের পাখির আবাসস্থল হচ্ছে সুন্দরবন।

এতো বড় বনের সব জায়গা নিরাপদ নয়, তাই আপনাকে সঠিক জায়গাগুলো বেছে নিতে হবে। সুন্দরবনের জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো হলো করমজল, কটকা, কচিখালি, হিরণ পয়েন্ট ও মান্দারবাড়িয়া। এছাড়া দুবলার চর হচ্ছে সুন্দরবনের একটি আকর্ষণীয় দ্বীপ। মাছ ধরার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

চিত্রা হরিণের পাল প্রায়ই এখানে ঘুরে বেড়ায়। করমজলে একটি ফরেস্ট রেঞ্জ রয়েছে। এটি একটি হরিণ প্রজনন কেন্দ্রও। হিরণ পয়েন্ট, কেওড়াসুঠি প্রভৃতি স্থানে ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও বনের প্রকৃতি দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।

ভাগ্য ভালো থাকলে বিখ্যাত প্রাণীটিকে একনজর দেখার সুযোগ পেয়েও যেতে পারেন। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে বনের কোথাও না কোথাও এটির পায়ের ছাপ চোখে পড়বেই।

যদি পুরো সুন্দরবন ঘুরে দেখার ইচ্ছে আপনার থাকে তাহলে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ টুরিস্ট গাইডের সহায়তা নেওয়াই ভালো। দলবদ্ধভাবে সেখানে গেলে ও ২/৩ দিন কিংবা বেশি থাকার পরিকল্পনা থাকলে সুন্দরবনের বাহ্যিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পুরো একদিন করমজলে কাটাতে পারেন।

jagonews24

এজন্য আপনাকে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। সুন্দরবনকে আরও ভালোভাবে জানার জন্য স্থানীয় মৎস্যজীবী, কাঠুরিয়া ও মধু আহরণকারীদের সাথে কথা বলতে পারেন।

যাতায়াত ও থাকা

ঢাকার মতিঝিল, আরামবাগ, শ্যামলী, কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে গ্রিন লাইন, সোহাগ, হানিফ, ঈগল প্রভৃতি এসি ও নন-এসি বাস খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। এছাড়া সায়েদাবাদ থেকে সুন্দরবন, পর্যটক, বনফুলসহ বিভিন্ন বাস খুলনা, বাগেরহাট ও মংলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত।

প্রথমে আপনাকে মংলায় পৌঁছতে হবে। তারপর পশুর নদীর তীর থেকে ২/৩ দিনের জন্য একটি ছোট লঞ্চ কিংবা ট্রলার ভাড়া করে বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে হবে। খুলনায় থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে হোটেল সিটি ইন, হোটেল রয়্যাল ইত্যাদি। মংলায় আছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মোটেল পশুর। এছাড়া আছে হোটেল আমিন ইস্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও ভ্রমণ লেখক।


আরও খবর



বিনামূল্যে টিকা গ্রহণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রথম

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক বিনামূল্যে টিকা গ্রহণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রথম। যার বাজার মূল্য প্রায় বিশ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সেইসঙ্গে দেশে মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৮ শতাংশ করোনার টিকা দিতে আমরা সক্ষম হয়েছি; যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭৫ শতাংশ।

বুধবার (৪ মে) দুপুরে মানিকগঞ্জের গড়পাড়ার শুভ্র সেন্টারে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, করোনার সংক্রমণ ঠেকানো কোনো যাদুমন্ত্রের মাধ্যমে হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ দিক-নির্দেশনায় ও আল্লাহর রহমতে আমরা আজ করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি, টিকা গ্রহণ করেছি বিধায় দেশে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ঈদ উৎযাপন করতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি চালু আছে। ৬ শতাংশ জিডিপি আছে। যে সমস্ত দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে নেই সেদেশের অর্থনীতি মন্দার দিকে। পৃথিবীতে যে সমস্ত দেশের অর্থনীতি চাঙা আছে বাংলাদেশ তাদের মধ্যে অন্যতম।

এসময় জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বয়স থাকলে আমিও আউটসোর্সিং করতাম: পরিকল্পনামন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

বয়স থাকলে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে বাড়িতে বসে আউটসোর্সিং করতেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) দুপুরে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে দুই মাসব্যাপী বেসিক কম্পিউটার কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত প্রচেষ্টায় দেশে এখন ঝড়ের গতিতে উন্নয়ন হচ্ছে। সুনামগঞ্জে প্রশিক্ষণের জন্য টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট হয়েছে। প্রবাসে যেতে আগ্রহীদের জন্য টিডিসি হচ্ছে। সুনামগঞ্জ জেলার হাওর পাড়ের পিছিয়েপড়া মানুষকে কর্মদক্ষ করতে একাধিক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

এম এ মান্নান বলেন, দেশের একটি জনগোষ্ঠী চাকরি ছেড়ে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে ঘরে বসে মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করছে। আমার সেই সময় নেই, বয়স হয়ে গেছে। তা না হলে আমিও তোমাদের মতো কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে বাড়িতে বসে আউটসোর্সিং করতাম। নিজেরা নিজের কাজ করা এটা সম্মানের। নিজের জীবন-জীবিকার জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়া মূল্যহীন।

বেসিক কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনোয়ার উজ জামান। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহানুর আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ফারুক আহমদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. নুর হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দুলন রাণী তালুকদার প্রমুখ।


আরও খবর



গ্যাসের দাম তিনগুণ হচ্ছে ইউরোপে, এলএনজির বাজার অস্থিরের আশঙ্কা

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৯জন দেখেছেন
Image

চলতি বছর তীব্র শীতের মুখোমুখি হতে পারে ইউরোপ। শীত কিংবা তুষারঝড়ের সময় অঞ্চলটিতে গ্যাসের চাহিদা ব্যাপকভাবে বাড়ে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার গ্যাসের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে যাচ্ছে মহাদেশটি।

এমন পরিস্থিতিতে রাইস্টাড এনার্জির বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, তীব্র শীতের আবহাওয়ায় রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প হিসেবে যথেষ্ট এলএনজি নাও পাওয়া যেতে পারে। ফলে সে সময় ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়ে তিনগুণ হতে পারে। রোববার (১৫ মে) রাশিয়া সংবাদমাধ্যম আরটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শীতের মৌসুমে প্রতি এক হাজার ঘনমিটার গ্যাসের দাম তিন হাজার পাঁচশত ডলারে পৌঁছাতে পারে। গত বছর রাশিয়া ১৫৫ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস ইউরোপে পাঠিয়েছে, যা তাদের মোট গ্যাস রপ্তানির ৩১ শতাংশের বেশি।

বিশ্লেষকরা জানান, রাশিয়ার গ্যাসের বিকল্প খুবই কঠিন। তাই রুশ গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ হলে ইউরোপের মানুষ ও অর্থনীতির ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলতি বছরে বিশ্বজুড়ে এলএনজির চাহিদা ছাড়াতে পারে ৪৩৬ মিলিয়ন টনকে। যা স্বাভাবিক ৪১০ মিলিয়ন টনের চেয়ে বেশি। সরবরাহে ভারসাম্যহীনতা ও উচ্চ মূল্য এলএনজি প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে অস্থির পরিবেশ তৈরি করবে।

ইউরোপের কিছু জ্বালানি কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রথম বারের মতো ব্যবস্থা নিয়েছে মস্কো। এতে চলতি সপ্তাহে প্রকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ইউরোপে এক হাজার ঘনমিটার গ্যাসের দাম এক হাজার দুইশ ডলার ছাড়িয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩০০ শতাংশ বেশি।

এদিকে পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ফিনল্যান্ড। এতে বারবার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে আসছে রাশিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় দেশটিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করেছে পুতিন প্রশাসন।


আরও খবর



এরিয়া ম্যানেজার নিচ্ছে আরএফএল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আরএফএল গ্রুপে ‘এরিয়া ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৯ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: আরএফএল গ্রুপ
বিভাগের নাম: ওয়াকার ফুটওয়ার

পদের নাম: এরিয়া ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৫-৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৯ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বৃষ্টিতে গাজীপুরে মহাসড়কে যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৯জন দেখেছেন
Image

বৃষ্টির কারণে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরের পর থেকে সৃষ্ট এই যানজটে শতশত যানবাহনে হাজারো যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন।

বলাকা বাসের ঢাকাগামী যাত্রী ইকবাল হোসেন বলেন, গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে মহাখালী যাওয়ার উদ্দেশে দুপুর ২টায় বাসে উঠি। বোর্ড বাজার পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়ক পার হতেই দেড় ঘণ্টা লেগেছে।

ঢাকা থেকে গাজীপুর যাওয়া এক যাত্রী জানান, আব্দুল্লাহপুর থেকে বোর্ড বাজার পর্যন্ত ঢাকাগামী ও ময়মনসিংহগামী সড়কের বিভিন্ন স্থানে তীব্র যানজট লেগে আছে।

বৃষ্টিতে গাজীপুর মহাসড়কে যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

তিনি বলেন, টঙ্গীর চেরাগআলী, কলেজ গেট থেকে স্টেশন রোড পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ও খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন খুবই ধীরগতিতে চলছে। ফলে সড়কের উভয়পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বৃষ্টি হওয়ায় টঙ্গীতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পানি সরে গেলে ধীরে ধীরে যানজট কমে যাবে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে।

বৃষ্টিতে গাজীপুর মহাসড়কে যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

সড়কে চলাচলকারী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত সড়কের টঙ্গীতে ফ্লাইওভারের কাজ চলমান। সেখানে রাস্তা সরু হয়ে গেছে। যার কারণে যানবাহন একলেনে চলছে। সড়কে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচলের কারণে বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে যানজট হচ্ছে। যাত্রীরা বলেন, ঈদের আগে বৃষ্টি হলে এখনকার মতো যানজট হতো মহাসড়কে।

যাত্রীরা আরও জানান, বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস হওয়ার কারণে ঢাকা থেকে বের হতে এবং ঢাকায় যেতে উভয়দিকে যানবাহনের ব্যাপক চাপ রয়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি এবং বিভিন্ন স্থানে সড়ক একলেনে পরিণত হওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।


আরও খবর