Logo
শিরোনাম

সন্ধ্যায় শিল্পকলায় অনুশীলনের ‘নায়ক ও খলনায়ক’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

অনুশীলন নাট্যদল প্রযোজিত ও নাট্যকার মলয় ভৌমিক রচিত ও নির্দেশিত ‘নায়ক ও খলনায়ক’ নাটকটি শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চস্থ হবে আজ (শুক্রবার)।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে মঞ্চস্থ হবে নাটকটি। এটি অনুশীলন নাট্যদলের ৬৪তম প্রযোজনা।

‘নায়ক ও খলনায়ক’ প্রসঙ্গে নাট্যকার মলয় ভৌমিক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে এই নাটকটি লিখেছি। এতে ঐতিহ্যবাহী বাংলা নাট্যের আঙ্গিকের সঙ্গে সর্বাধুনিক আঙ্গিকের মিশেলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নাটকটি ইতিহাসের পাঠ নয়। তবে অবাস্তবানুগ রীতিতে নির্মিত কল্পিত এই নাটকটি দর্শককে ইতিহাসের কথাই স্মরণ করিয়ে দেবে।’

jagonews24

নাটকের সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শৌভিক রায়। নৃত্য পরিচালনা করেছেন ল্যাডলী মোহন মৈত্রেয়। মঞ্চসজ্জা করেছেন মনির উদ্দিন আহাম্মেদ ও কনক কুমার পাঠক।

এক ঘণ্টা ২০ মিনিটের নাটকটির অভিনয়শিল্পীরা হলেন রাকিবুল আলম, স্বাধীন খান, হৃদয় সাহা, রিমন বিশ্বাস, তানজিনা মাহাজাবীন, কঙ্গনা সরকার, রেজুয়ানুল হক, মোশাররফ হোসেন, সুব্রত হালদার, আরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান ও হৃদয় তালুকদার।

‘নাট্য আন্দোলন সমাজ পরিবর্তন আন্দোলনের একটি অংশ’ স্লোগান ধারণ করে এই নাট্যদলটি ১৯৭৯ সালের ৮ অক্টোবর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে ‘অনুশীলন ঊনআশি’ নাম নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। পরে পরিবর্তন করে নাম রাখা হয় ‘অনুশীলন নাট্যদল’।


আরও খবর



প্রকাশ পেয়েছে কেকের শেষ গান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

সদ্যপ্রয়াত ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ। সবাই তাকে কেকে নামেই বেশি চেনেন ও জানেন। মঙ্গলবার (৩১ মে) একটি কনসার্টে গান গাইতে গাইতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গতকাল মৃত্যুবরণ করেছেন তিনি।

তবে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের শেরদিল ছবির হাত ধরে আরও একবার তার মেলোডিতে ভাসার সুযোগ পেলেন শ্রোতারা। মুক্তি পেয়েছে কেকের রেকর্ড করা শেষ গান। গত রোববার (৫ জুন) সৃজিত সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন, সোমবার (৬ জুন) মুক্তি পাবে কেকের রেকর্ড করা শেষ গানটি। গুলজারের কথা ও শান্তনু মৈত্রের সুরে সৃজিতের ‘শেরদিল’ ছবির জন্য ‘ধুপ পানি বেহনে দে’ গানটি রেকর্ড করেছিলেন। কে জানত, সেটিই তার জীবনের শেষ রেকর্ড করা গান হবে! আর কেকের চলে যাওয়ার পরও নতুন করে তার গলা শুনে আরও একবার আবেগে ভাসছেন ভক্তরা।

গত মঙ্গলবার রাতে কলকাতার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠানে অসুস্থ হয়ে পড়েন কেকে। তারপর হোটেলে ফিরেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কেকের অকালপ্রয়াণে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো দেশ।

সেই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেছে। তাও কেকে চলে গেছেন, যেন মেনে নিতেই পারছেন না সংগীতপ্রেমীরা। সেই কেকের স্মৃতিই নতুন করে উসকে দিল ‘শেরদিল’ ছবির নতুন গান। ইউটিউবে মুক্তি পাওয়া এই গানে কেকের গলায় ধরা দিল মাটি-পৃথিবীর গন্ধ।

প্রসঙ্গত, সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘শেরদিল: দ্য পিলিভিট সাগা’ সিনেমাতে অভিনয় করেছেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি, নীরজ কাবি, সায়নী গুপ্তরা।


আরও খবর



রাজধানীতে ৫০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার তিন

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর রামপুরায় ৫০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা গুলশান বিভাগ। গ্রেফতাররা হলেন- মো. আলামিন, মো. রুবেল ও কৃষ্ণা।

রোববার (১২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে রামপুরার প্রধান সড়কে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিমের সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ খলিলুর রহমান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মহানগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালীন তথ্য আসে নতুনবাজার থেকে মাদককারবারিরা ট্রাকযোগে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ রামপুরা টিভি সেন্টার হয়ে মালিবাগ রেলগেটের দিকে আসছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে রামপুরা প্রধান সড়কে সঙ্গীয় ফোর্সসহ অবস্থান নেওয়া হয়। ট্রাকটি ওই স্থানে পৌঁছালে পুলিশের সঙ্গে থাকা মাইক্রোবাসের সাহায্যে ব্যারিকেড দিয়ে আলামিন, রুবেল ও চালক কৃষ্ণাকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থাকা ট্রাক থেকে ৫০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকাসহ আশপাশ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে বলে জানায়।

মোহাম্মদ খলিলুর রহমান বলেন, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।


আরও খবর



বাবুলের সন্তানেরা জিজ্ঞাসাবাদে যেন মানসিক চাপে না পড়ে: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের দুই শিশু সন্তান যেন কোনোভাবেই মানসিক চাপে না পড়ে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (৮ জুন) বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদদীনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন বাবুল-মিতু দম্পতির দুই সন্তানকে পিবিআই কার্যালয়ে নয়, মাগুরায় তাদের অভিভাবক দাদা ও সমাজসেবা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে শিশু আইন মেনে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন আদালত।

জিজ্ঞাসাবাদের দিনে দুই শিশুর দাদা ও মাগুরার জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে উপস্থিত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গড়িমসি বা টালবাহানা করা যাবে না বলে আদেশে জানান হাইকোর্ট।

আদালত বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় শুধুমাত্র অভিভাবক হিসেবে শিশুদের দাদা উপস্থিত থাকতে পারবেন। এছাড়া একজন নারী পুলিশ ও সমাজসেবা কর্মকর্তা থাকতে পারবেন। কোনোভাবেই শিশুরা যেন মানসিক চাপে না পড়ে, সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি রাখতে হবে।

আলোচিত এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়া দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুন) শিশু আইন অনুসরণ করে সমাজসেবা কর্মকর্তার সামনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশনা চেয়ে করা আবেদনের ওপর রাষ্ট্র ও আবেদনকারী উভয়ের শুনানি শেষ হয়। পরে এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্যে বুধবার দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

এদিন আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শিশির মনির। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারোয়ার হোসেন বাপ্পী।

এর আগে, মায়ের হত্যার বিষয়ে এসপি বাবুলের দুই সন্তানকে শিশু আইন মেনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশনা দিতে আবেদন করেন অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শিশির মনির।

গত রোববার (৫ জুন) দুই শিশুর দাদা ও চাচার পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি করেন শিশির মনির। ওই আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয় আজ। এরপর এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্য দিন ঠিক করেন আদালত।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বাবুলের দুই শিশু সন্তানকে ১৫ দিনের মধ্যে পিবিআই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। তবে পিবিআই কার্যালয়ে কথা বলার আদেশ বাতিল চেয়ে একই আদালতে আবেদন করেন বাবুলের ভাই হাবিবুর রহমান।

ওই আবেদনে বলা হয়, দুই শিশুর সঙ্গে মাগুরা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির উপস্থিতিতে কথা বলা হোক। সেখানে জেলা প্রবেশন অফিসারের উপস্থিতিও নিশ্চিত করতে হবে। অথবা এ দুজনের উপস্থিতিতে জেলা প্রবেশন অফিসারের কক্ষে শিশুদের সঙ্গে তদন্তকারী কর্মকর্তা কথা বলুক।

পরে ১৬ মার্চ এক আদেশে মহানগর দায়রা জজ বলেন, আবেদনটি (রিভিশন) নামঞ্জুরক্রমে সাক্ষী শিশুদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে শিশু আইন-২০১৩ এর ৫৩ ও ৫৪ ধারার বিধান কঠোরভাবে অনুসরণপূর্বক জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হলো। ওই দিন শিশু আইন মেনে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দেশ দেয় চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত।

আদালতের এ আদেশের পরে শিশু দুটিকে তাদের অফিসে হাজির করতে নোটিশ দেয় পিবিআই। কিন্তু শিশু আইন অনুযায়ী তারা এটা করতে পারেন না। এ কারণে শিশু আইন অনুসারে যাতে শিশু দুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যায় তার নির্দেশনা চেয়ে গত ৩০ মার্চ হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত আজ আদেশের এই দিন ঠিক করেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে নগরের জিইসি মোড় এলাকায় খুন হন মাহমুদা খানম। এ ঘটনায় বাবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। গত বছরের ১২ মে পিবিআই এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়। একই দিন বাবুলের শ্বশুর বাদী হয়ে বাবুলকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে এ মামলায় পিবিআই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলে আদালত সেটি গ্রহণ করেন।

বাবুল আক্তারের দুই শিশু সন্তান বর্তমানে দাদা আবদুল ওয়াদুদ ও বাবুলের বর্তমান স্ত্রী ইশমত জাহানের তত্ত্বাবধানে মাগুরার বাসায় বসবাস করছে।


আরও খবর



ব্রায়ান জিনের সঙ্গে প্রবাসী কমিউনিটি নেতাদের মতবিনিময়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

কানাডার ক্যালগেরিতে বসবাসরত প্রবাসী কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইউনাইটেড কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও ফোর্ট মেকমারি-ল্যাক লা বীচ থেকে নির্বাচিত লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির সদস্য ব্রায়ান জিন।

সম্প্রতি নর্থ ক্যালগেরির মিরচি রেস্টুরেন্টে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দক্ষিণ পূর্ব-এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে কানাডায় অভিবাসী হওয়া কমিউনিটি নেতারা অংশ নেন।

আলোচনার শুরুতে পার্লামেন্টারিয়ান ব্রায়ান আগামী প্রিমিয়ার নির্বাচনকে সামনে রেখে আলবার্টানদের নিয়ে তার পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বক্তব্য শেষে শুরু হয়— অর্থনীতি, রাজনীতি, অভিবাসীদের জীবনধারা, নাগরিক জীবনে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাবসহ নানামুখী সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব।

আলোচনায় বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষে অংশ নেন— বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সভাপতি মো. রশিদ রিপন, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মো. মাহমুদ হাসান, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব কায়েস চৌধুরী, শুভ্রদাস, জুবায়ের সিদ্দিকী, ইকবাল রহমান ও কাজী জুনায়েদ হুসেইন।


আরও খবর



সুপেয় পানির অভাবে ভোগান্তিতে মোংলা পৌরসভার ২ লাখ বাসিন্দা

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

বাগেরহাটের মোংলা পোর্ট পৌরসভার দুটি সুপেয় পানির পুকুর শুকিয়ে গেছে। এতে তীব্র পানি সংকটে পড়েছেন লবণ অধ্যুষিত পৌর এলাকার দুই লাখ বাসিন্দা। চাহিদা অনুযায়ী পানি না পাওয়ায় প্রয়োজনীয় কাজ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন তারা।

জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে মোংলা পোর্ট পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে আজও পৌরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকটের সুরাহা হয়নি। সংকট সমাধানে ২০০৮ সালে ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর শহরের মাছমারা এলাকায় পুকুর খনন করে পানি সরবরাহ করা হয়। তাতেও চাহিদা না মেটায় পুনরায় ২০১৬ সালে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও একটি পুকুর খননসহ আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করা হয়। মোট ৮৩ একর জায়গার ওপর দুটি পুকুর খনন, দুটি ওভারহেড ট্যাঙ্ক নির্মাণ করা হয়।

এ পুকুর দুটিতে বৃষ্টি ও নদীর পানি সংরক্ষণ করে তা বিশুদ্ধ করে পৌরবাসীদের সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সরবরাহ করা সেই পানি চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। এছাড়া অনাবৃষ্টির কারণে পুকুর দুটি শুকিয়ে যাওয়ায় নতুন করে বিপাকে পড়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। সেইসঙ্গে পৌর শহরের বাসিন্দাদেরও ভোগান্তি বেড়েছে। মূলত অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি পৌর কর্তৃপক্ষের।

সুপেয় পানির অভাবে ভোগান্তিতে মোংলা পৌরসভার ২ লাখ বাসিন্দা

বাসিন্দাদের অভিযোগ, পৌরসভার একমাত্র সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্প ছাড়া শহরের অন্য কোথাও কোনো মিষ্টি পানির পুকুর কিংবা বিকল্প উৎস নেই। পৌর কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা পানি থেকে চাহিদা মেটে না। তার মধ্যে পুকুর শুকিয়ে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

সুপেয় পানির অভাবে ভোগান্তিতে মোংলা পৌরসভার ২ লাখ বাসিন্দা

শহরের ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রাসেল বলেন, পানি হচ্ছে মানুষের জীবন। সবসময়ই পানির প্রয়োজন হয়। কিন্তু পৌরসভা ঠিকমতো পানি সরবরাহ করছে না। কারও কাছে অভিযোগ করার জায়গা নেই। পানির কষ্টে জীবনযাপন করছে পৌরবাসী।

সুপেয় পানির অভাবে ভোগান্তিতে মোংলা পৌরসভার ২ লাখ বাসিন্দা

শহরের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জোহরা বেগম বলেন, পানির খুব কষ্ট। যারা বাসা-বাড়িতে ভাড়া থাকে তারা অনেকেই পৌরসভার সাপ্লাই পানির ওপর নির্ভরশীল। এই পানিতেই তাদের গোসল, রান্নাবান্না চলে কিন্তু পৌরসভা ঠিকমতো পানি দিচ্ছে না। যে কারণে পানির সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে যেন কেউ নেই।

সুপেয় পানির অভাবে ভোগান্তিতে মোংলা পৌরসভার ২ লাখ বাসিন্দা

মোংলা পোর্ট পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহিদ বলেন, পৌরসভার প্রায় দুই লাখ মানুষের প্রতিদিন ৬০ লাখ লিটার সুপেয় পানির চাহিদা থাকলেও ৩০ লাখ লিটার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। পুকুরের গভীরতা কম থাকায় পানি শুকিয়ে যাওয়ায় ৩০ লাখ লিটার পানির ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, পুকুর শুকিয়ে গেছে। নদীর পানিও তো লবণ। সেটিও পুকুরে ঢোকানো যাচ্ছে না। এখন একমাত্র ভরসা বৃষ্টি হলে পানি বাড়বে। তা না হলে কোনো উপায় থাকবে না।


আরও খবর