Logo
শিরোনাম

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৩জন দেখেছেন
Image

উৎসব-পার্বন, দুর্যোগ-দুর্ভোগ বা যেকোনো পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকর্মীরা থাকেন মাঠে। গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে সঠিক তথ্য তুলে আনতে চলে প্রাণন্তকর চেষ্টা। তার ব্যতিক্রম হয়নি মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরেও। মঙ্গলবার (৩ মে) ভোর থেকে অবিরত তারা মাঠে থেকে সব তথ্য জানাচ্ছেন।

মাঠের সংবাদকর্মীদের ঈদ আনন্দ নিয়ে জাগো নিউজের আয়োজন ‘গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ আনন্দ’। এ নিয়ে কথা বলেছেন যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন উল হাকিম, একুশে টিভির সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা শোভা, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মুকসিমুল আহসান অপু এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকাপোস্টের প্রধান প্রতিবেদক আদনান রহমান।

তারা বলছেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির চেয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে সংবাদ ভাগাভাগিতেই আমাদের বেশি সময় কাটে। এই আমাদের ঈদ, এতেই আনন্দ।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন উল হাকিম বলেন, ঈদ হোক, বড় কোনো খুশির দিন হোক, বড় কোনো দুর্যোগ হোক কিংবা যা কিছুই আসুক আমাদের কিন্তু টেলিভিশনের স্ক্রিন চালু রাখতেই হয়। কাজেই ঈদের মধ্যেও আমাদের অফিস করতে হয়। আজকেও আমার অফিস করতে হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে দুর্গম পাহাড়ে একেবারে সীমান্ত সংলগ্ন দুটি বিওপিতে যাওয়ার কথা ছিল আমার। আমরা সকালে গিয়েছিলামও। কিন্তু হেলিপ্যাড থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। কারণ আজকের আবহাওয়া অনুকূলে ছিল না। এরপর সেখান থেকে ফিরে সারাদিন অফিসেই কাটিয়েছি। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরেছি।

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

তিনি বলেন, বছরের দুটি ঈদের একটি পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারি, আরেকটি ঈদ করি অফিসে। এভাবেই আমাদের দিন কাটে। এটা এক রকম নিয়তি বলতে পারেন। আমরা এটিকে মেনে নিয়েছি এবং উপভোগও করি। আমরা মনে করি আমাদের দায়িত্ব- সংবাদ সংগ্রহ করা এবং মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সেটি যত বড় দুর্যোগের দিন হোক, কিংবা আনন্দের।

একুশে টিভির সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা শোভা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা যারা গণমাধ্যমে কর্মরত আছি, ঈদটা তাদের ঘরের চাইতে অফিসে বা রাজপথেই পালন করতে হয়। কেউ এটা উপভোগ করে, কেউ চাকরির সুবাধে বাধ্য হয়ে করে।

তিনি বলেন, ঈদের প্রস্তুতি আগের দিন থেকেই শুরু করতে হয় মূলত। অফিস করে গিয়ে রাতে রান্নাবান্না করে কিছুটা গুছিয়ে রাখতে হয়। যেহেতু সকাল থেকে আবার অফিসের কর্মব্যস্ততা থাকেই। সেগুলো শেষ করে ঘুমাই। সকালে সবাই যখন ঈদের নামাজ পড়তে যায়, তখন আমরা অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিই।

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

ঈদের দিনের কাজের হিসাব দিয়ে সাংবাদিক ফারাজানা শোভা বলেন, সারাদিন অফিস করলাম। রাষ্ট্রপতির নামাজ থেকে শুরু করে নানা ইভেন্ট কাভার করেছি। ঈদের দিনের সিংহভাগ সময়ই কাটে অফিসে। সহকর্মীরাই তো আমাদের পরিবারের অংশ। নিউজের কাজের ফাঁকে তাদের সঙ্গে যতটুকু উদযাপন করা যায়। ছবি তোলা, স্মৃতি ধরে রাখা, এই সব। দিনশেষে যখন ঘরে ফিরি, তখন ঘরের লোকদের নিয়ে ঘরোয়াভাবে ঈদ উদযাপন করা হয়।

এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মুকসিমুল আহসান অপু জাগো নিউজকে বলেন, আমরা যারা গণমাধ্যমে কাজ করি, বিশেষ করে টিভিতে যারা কাজ করি; আমরা সাধারণত মুসলিমদের বড় দুটি ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মধ্যে একটিতে ছুটি পাই। আরেকটিতে অফিস করতে হয়। সে হিসাবে আমি এবার অফিস করছি। সুযোগ হলে ঈদুল আজহায় ছুটি কাটাবো।

তিনি বলেন, আজকে সকালে কর্মব্যস্ততা অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে বেশি ছিল। একেবারেই ভোরে অফিসে আসি। ৭টা থেকে অফিস শুরু হয়। জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামায়াত কাভার করতে যাই। সেখানে লাইভ করি। পরে একটি নিউজও তৈরি করি। অফিসের কাজের ফাঁকেই বাসায় গিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মামার বাসায় বেড়াতে যাই। ওখানে তাদের রেখে আবার অফিসে আসি। অফিসের কাজ শেষে করে সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবো। রাতে সন্তানদের নিয়ে ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে যাবো। হয়তো রাত ১২/১ টার দিকে সবাইকে নিয়ে বাসায় ফিরবো। এভাবেই আমাদের ঈদ উদযাপন হয়।

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

‘সবমিলিয়ে বলা যায়, মানুষের জন্য সেবা করার যে সুযোগ সাংবাদিকতায় রয়েছে, সেটি যেমন আমরা উপভোগ করি, অন্যদিকে অনেক সময় পরিবার-পরিজনকে সময় কম দিয়ে ঈদের আনন্দটা ভাগাভাগি না করে, দেখা যায় সংবাদটাই ভাগাভাগি করে অফিসে অনেক সময় কাটাতে হয়। এভাবে আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের ঈদ আনন্দ হয়।’ যোগ করেন মুকসিমুল আহসান অপু।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকাপোস্টের প্রধান প্রতিবেদক আদনান রহমান জাগো নিউজকে বলেন, সংবাদের মধ্যে, মানুষের সঙ্গেই কাটে আমাদের ঈদ। সহকর্মী, সোর্স ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে পেশাগত কারণে আমাদের ঈদ করতে হয়, করি। এতেই আমাদের আনন্দ।

তিনি বলেন, আজ (ঈদের দিন) ভোর ৬টায় উঠে সকাল পৌনে ৭টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে যাই। সেখান থেকে ঈদের প্রথম জামাতের নিউজ কাভার করে যাই জাতীয় ঈদগাহে। সেখানে নামাজ আদায় করি। নামাজের পাশাপাশি নিউজ কাভার করে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হই। তবে বৃষ্টিতে আটকা পড়ে ১ ঘণ্টা কাকরাইলে থাকি। এরপর সেখানে দাঁড়িয়ে কারাগারের জেল সুপারকে কল দিয়ে বন্দিদের ঈদ উদযাপন নিয়ে নিউজ করি। বিকেলের দিকে বাসায় ফিরি। এভাবেই কেটে গেছে আমার ঈদের দিন।


আরও খবর



ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিচ্ছে ডিবিএল গ্রুপ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

বহুজাতিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ডিবিএল গ্রুপে ‘এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২২ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ডিবিএল গ্রুপ
বিভাগের নাম: অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ/সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: মাস্টার্স/এমবিএ (অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স)
অভিজ্ঞতা: ০৩-০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২২ মে ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বজ্রপাত প্রতিরোধে তালগাছ লাগানোর পরিকল্পনা বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে সরকার এক কোটি তালগাছের চারা লাগানোর যে পরিকল্পনা নিয়েছিল তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান।

বুধবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় কতটা প্রস্তুত আমরা’ শীর্ষক বিএসআরএফ সংলাপে তিনি এ তথ্য জানান।

বিএসআরএফ’র সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের উপস্থাপনায় সংলাপের সভাপতিত্ব করেন সভাপতি তপন বিশ্বাস।

২০১৬-১৭ সালে দেশে বজ্রপাতের ঘটনা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। ২০১৬ সালে দেশে বজ্রপাতে নিহত হন প্রায় সাড়ে ৪০০ মানুষ। এরমধ্যে একদিনেই মারা যান ৮২ জন। বিষয়টি তখন সংবাদমাধ্যমসহ সর্বত্র ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

এসব মৃত্যুর ঘটনায় কালবৈশাখী-ঘূর্ণিঝড়, বন্যা-জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে নতুন দুর্যোগ হিসেবে যুক্ত হয় বজ্রপাত। বিষয়টি সরকারকে বেশ ভাবিয়ে তুলে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এটিকে নতুন দুর্যোগ হিসেবে চিহ্নিত করে ব্যাপক আলোচনা ও পর্যালোচনা করে। এক পর্যায়ে বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে তালগাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা নেয় সরকার।

বজ্রপাত প্রতিরোধে তালগাছ লাগানোর পরিকল্পনা বাতিল

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি তালগাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ৩৮ লাখ তালগাছ লাগানোর পর দেখা গেলো যত্নের অভাবে গাছগুলোর বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। এরপর আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এটা বাতিল করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, একটা তালগাছ উঁচু হতে ৩০-৪০, ৫০ বছরও লাগে। বজ্রপাত প্রতিরোধে এটা ততোটা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে না। এখন বজ্রপাত প্রতিরোধে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি প্রবর্তন হয়েছে। আমরা সেটাকেই এখন আমাদের দেশে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, আসন্ন বাজেটে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ১০ হাজার ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।


আরও খবর



আইন মেনেই হাজী সেলিমের বিদেশযাত্রা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড নিয়ে বিদেশ যাওয়া হাজী সেলিম আইন মেনেই বিদেশ গেছেন ও ফিরেও এসেছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি (হাজী সেলিম) খুব ইমার্জেন্সি চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক গিয়েছিলেন। আবার ফেরত চলে এসেছেন। আইনগতভাবে যেটুকু প্রশ্ন আসে ও আমাদের হাইকোর্ট থেকে যে নির্দেশনা ছিল সেটিকে সামনে রেখেই তিনি গিয়েছিলেন। নিশ্চয়ই তিনি একজন সংসদ সদস্য ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন মাথায় রেখেই তিনি গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন হাইকোর্টের রায় আছে, সেটি অফিসিয়ালি ইমপ্লিমেন্ট হওয়ার আগেই তিনি গেছেন, আবার চলে এসেছেন।

দুর্নীতির মামলায় ১০ বছরের দণ্ড নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় থাইল্যান্ডের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজি মোহাম্মদ সেলিম। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশে ফিরেন তিনি।


আরও খবর



ফতুল্লায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ইজদাইল এলাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে ধ্রুব চন্দ্র দাস (১৫) নামের এক কিশোর নিহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) রাত সাড়ে আটটার দিকে ওই কিশোরকে ছুরিকাঘাত করেন দুর্বৃত্তরা। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সোয়া দশটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ধ্রুব চন্দ্র দাসের বাবা মাধব চন্দ্র দাস জানান, ধ্রুব রাবেয়া হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা তার পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। পরে তার চিৎকারে আমরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।


আরও খবর



২০২১ সালে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এলো ইতালি থেকে

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

ইতালিতে অবস্থানরত বিদেশিদের মধ্যে ২০২১ সালে সবচেয়ে বেশি বৈদশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন বাংলাদেশিরা। ভেনিসের গবেষণা সংস্থা ফুন্দাসিওনে লিওনে মোরেসা এই তথ্য জানায়।

সংস্থাটি জানায়, ২০২১ সালে ইতালি থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর পরিমাণ তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২০ সালের তুলনায় শতকরা ১২ দশমিক দুই ভাগ বেড়েছে। ২০২১ সালে ইতালিতে অবস্থানরত বিদেশিরা দেশে মোট ৭৭০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিজ দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশিরা। ইতালিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা ২০২১ সালে ৮৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার নিজ দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশিদের পাঠানো এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ইতালি থেকে বিভিন্ন দেশে যাওয়া মোট রেমিট্যান্সের শতকরা ১১ দশমিক তিন ভাগ।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন পাকিস্তানিরা ও তৃতীয় অবস্থানে ফিলিপিনোরা। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ইতালিতে বসবাসরত ৫২ লাখ বিদেশির প্রত্যেকে প্রতি মাসে গড়ে একশ ৩০ ডলার করে নিজ দেশে পাঠিয়েছেন।

তথ্য অনুযায়ী, বিদেশিদের মধ্যে জনপ্রতি টাকা পাঠানোর হারেও এগিয়ে বাংলাদেশিরা। গবেষণাটি বলছে, ২০২১ সালে ইতালিতে অবস্থানরত প্রতিজন বাংলাদেশি গড়ে চারশ ৭৭ ডলার করে পাঠিয়েছেন।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে সেনেগালিরা। প্রতিমাসে তারা গড়ে তিনশ ৮৪ ডলার করে নিজ দেশে পাঠিয়েছেন। এই সময়ে ইতালির উত্তরের লোম্বার্দি অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে বলে জানায় গবেষণাটি। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লাইজো অঞ্চল।

সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস


আরও খবর