Logo
শিরোনাম

স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়লো ১৭৫০ টাকা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১০৭জন দেখেছেন
Image

স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটে দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) থেকে স্বর্ণের এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

ভালো মানের স্বর্ণের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের স্বর্ণের দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ২২৪ টাকা থেকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি সোমবার (১১ এপ্রিল) বৈঠক করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম এ হান্নানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বুলিয়ান মার্কেটে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ১২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৩৪৯ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২২৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৮২৯ টাকা।

স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত মার্চে দুই দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। এর মধ্যে সর্বশেষ গত ২২ মার্চ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে করা হয় ৭৭ হাজার ৯৯ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৭৩ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৩ হাজার ১০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ৫২ হাজার ৬০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

তার আগে ১৬ মার্চ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ১৪৯ টাকা করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে ৭৪ হাজার ৬৫০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৬৪ হাজার ৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৯৯ টাকা কমিয়ে ৫৩ হাজার ৬৩ টাকা করা হয়।

অবশ্য দুই দফা দাম কমানোর আগে চলতি বছরে দেশের বাজারে তিন দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। এর মধ্যে গত ৯ মার্চ ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৭৯ হাজার ৩১৫ হাজার টাকা।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার ৬৯৯ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১৬ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৯৬৮ টাকা করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬৪২ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫৪ হাজার ৬২ টাকা।

তার আগে গত ৩ মার্চ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭৪ হাজার ৭৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ৫৩ হাজার ৪২১ টাকা করা হয়।

আর ১০ ফেব্রুয়ারি সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এক হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৬৭৫ টাকা করা হয়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮১৪ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৬১ হাজার ৮১৯ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২৯১ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৫১ হাজার ২০৫ টাকা।


আরও খবর



চার মামলায় আদালতে হাজির নূর হোসেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ চার মামলায় নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনসহ তার ১০ সহযোগী নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাবিনা ইয়াসমিনের আদালতে হাজিরা দেন তারা। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় চারজনের সাক্ষ্য নিয়ে যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আগামী ৪ জুলাই রায়ের দিন ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজি মামলায় আদালত তাকেসহ চার সহযোগীকে খালাস প্রদান করেছেন।

এছাড়া অপর দুই মাদক ও চাঁদাবাজি মামলায় নূর হোসেনসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও এদিন আদালতে কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে আসেনি। আদালত পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন আগামী ১৪ জুলাই।

jagonews24

নুর হোসেনের সহযোগীরা হলেন- শাহ জালাল বাদল, শাহ জাহান, জামাল, নূর উদ্দিন, শানাউল্লাহ, রিপন ওরফে ভ্যানিজ রিপন, হারুন অর রশিদ ও আলী মোহাম্মদ। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি মো. সালাহ উদ্দীন সুইট বলেন, এদিন নূর হোসেনের বিরুদ্ধে দুইটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও কোনো সাক্ষী দিতে সাক্ষ্য দিতে আসেনি। ফলে আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। একইসঙ্গে আরেকটি চাঁদাবাজি মামলায় তাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। অস্ত্র মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ধার্য করেছেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, চার মামলায় বিচারকি কার্যক্রম শেষে দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জ থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়েছে নূর হোসেনকে। এর আগে সকালে কড়া নিরাত্তার মধ্য দিয়ে তাকে নারায়ণগঞ্জে আনা হয়।


আরও খবর



মানুষের আস্থা অর্জন করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়: মন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

ভূমি মন্ত্রণালয় আজ একটি পর্যায়ে এসেছে, মানুষের আস্থা অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘ভূমি সেবা সপ্তাহ- ২০২২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেছেন, আজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত তিনটি আইন মন্ত্রিপরিষদে পাস হয়েছে। সবার সহযোগিতায় ভূমি মন্ত্রণালয় আজ একটি পর্যায়ে এসেছে, অর্জন করেছে মানুষের আস্থা। ভূমি মন্ত্রণালয় ভূমি কর্মকর্তাদের পারফরমেন্স মনিটরিং করা শুরু করেছে। অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতায় পরিবেশ সৃষ্টি কয়েছে। তিনি এসময়ের ভালো কাজের স্বীকৃতিসরূপ ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২২-এ পুরস্কার প্রাপ্ত ভূমি কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান।

ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. মকবুল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রেকর্ডেড শুভেচ্ছা বার্তা প্রদর্শন করা হয়। বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যেন ঘরে বসে ১৬১২২ নম্বরে ফোন করে, কিংবা land.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ভূমিসেবা নিতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন সাধারণ মানুষের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করে দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য। আওয়ামী লীগ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। আপনারা ভূমি সেবা পেতে এ দুটি প্ল্যাটফর্মের সহায়তা নিতে পারেন। দক্ষ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ভূমি সেবা প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের অঙ্গীকার।’

এবার হতে প্রতি বছর ভূমি সেবা সপ্তাহে স্বচ্ছ, দক্ষ, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক ভূমিসেবা প্রদান ও বাস্তবায়নে বিশেষ কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মাঠপর্যায়ে ভূমি অফিসে কর্মরতাদের পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অনুপ্রেরণা, উৎসাহ ও উদ্দীপনা এবং ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ ৮ বিভাগ থেকে আটজন শ্রেষ্ঠ সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নিজ পদবির ক্যাটাগরিতে ‘বিভাগীয় পর্যায়ে সেরা সহকারী কমিশনার (ভূমি)’ হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হয়।

আগামী ২২ মে সহকারী কমিশনার (ভূমি), কানুনগো, সার্ভেয়ার, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার, চার্জ অফিসার, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার, উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এবং সেটেলমেন্ট সার্ভেয়ারদের মধ্যে থেকে জেলা ও জোনাল পর্যায়ে নিজ নিজ পদবির ক্যাটাগরিতে সেরা ভূমি কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হবে।

উল্লেখ্য, পুরস্কারের জন্য এবার একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।


আরও খবর



৪০ যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো ৩ ট্রাফিক পুলিশকে পুরস্কৃত করলো ডিএমপি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর জুরাইন রেল ক্রসিং এলাকায় রেললাইনের ওপর বন্ধ হয়ে যাওয়া বাসের ৪০ যাত্রীর প্রাণ বাঁচানো ট্রাফিক পুলিশদের পুরস্কৃত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১০ মে) ডিএমপি সদর দপ্তরে ট্রাফিক ওয়ারী জোনের তিনজনকে তাদের দুঃসাহসিক কাজের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন- ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) বিপ্লব ভৌমিক, অ্যাসিসট্যান্ট টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) উত্তম কুমার দাস ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্য রমজান আলী।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোবিন্দ চন্দ্র পাল ও সহকারী পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার রায়।

গত ৫ মে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে আনন্দ পরিবহনের একটি বাস যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জুরাইন রেল লাইনের ওপর ওঠামাত্র বন্ধ হয়ে যায়। চালক অনেক চেষ্টা করেও বাসটি চালু করতে পারছিলেন না।

DMP-Award-1.jpg

আর ঠিক সেই মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি কমিউটার ট্রেন ঢাকার দিকে আসছিলো। সে সময় আশেপাশের লোকজনের চিৎকারে বাসে থাকা তিন-চার জন যাত্রী জানালা দিয়ে লাফিয়ে পড়েন।

ওই অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে বাসচালকও গাড়ি রেখে জানালা দিয়ে লাফ দেয়। তাৎক্ষনিক কোনো উপায় না পেয়ে ট্রাফিক ওয়ারী জোনের টিআই বিপ্লব ভৌমিক তার সঙ্গে থাকা এটিএসআই উত্তম কুমার দাস, ট্রাফিক পুলিশ সদস্য রমজান আলীসহ পথচারী ও অন্যান্য গাড়িচালকদের সহায়তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধাক্কা দিয়ে বাসটিকে রেললাইনের ওপর থেকে সরিয়ে দেন।

রেললাইনের ওপর থেকে সরানোর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কমলাপুরগামী কমিউটার ট্রেনটি জুরাইন রেল ক্রসিং অতিক্রম করে। তবে রক্ষা পায় বাসে থাকা ৪০ যাত্রীর প্রাণ।


আরও খবর



বরিশালে ভোজ্যতেলের সংকট, নিত্যপণ্যের দামেও উত্তাপ

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

দাম বাড়লেও বরিশালের বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট কাটেনি। বাড়তি দাম দিয়েও ক্রেতারা তেল কিনতে পারছেন না। অন্যদিকে সবজিসহ অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও চড়া। মাছের দাম ও ব্রয়লার মুরগির দামেও উত্তাপ। এছাড়া ঈদুল ফিতরের আগে বেড়ে যাওয়া গরু এবং খাসির মাংসের দামও কমেনি। ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।

শনিবার (৭ মে) সকালে নগরীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফুলকপি প্রতিপিস ৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৭০ টাকা, বেগুনের কেজি ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৩০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৬০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, ঢেঁড়শ ৩০ টাকা, গাজর ১০০ টাকা ও আলু ১৮-২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের শাকের আঁটি ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মসুর ডাল, আদা, পেঁয়াজ, রসুন, চিনি ও আটা-ময়দার দামে কোনো হেরফের নেই। দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৩০ টাকা, দেশি আদা ৯০ টাকা, চায়না আদা ১২০ টাকা, দেশি রসুন ৬০ টাকা, চায়না রসুন ১২০ টাকা, বড় দানার মসুর ডাল ৯৫ টাকা, ছোট দানার মসুর ডাল ১৩০ টাকা, খোলা চিনি ৮০ টাকা, প্যাকেট চিনি ৮৫ টাকা, প্যাকেট আটা ৪৫ টাকা ও প্যাকেট ময়দা ৫৫-৬০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, বাড়তি দামেও সয়াবিন তেল দোকানে পাওয়া যাচ্ছে না বলে বেশ কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করেছেন।

নগরীর পুরান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা শহিদুল ইসলাম বলেন, বাসায় সয়াবিন তেল নেই। বাজারেরও সয়াবিন পাওয়া যাচ্ছে না। সয়াবিনের বদলে কী তেল কিনবো ভাবছি।

মো. শাহিন নামে আরেকজন ক্রেতা জানান, অনেক খুঁজে তিনি এক দোকানে সয়াবিন তেল পেয়েছেন। তবে বোতল পাননি। খোলা সয়াবিন কেজি হিসেবে কিনেছেন। তিনি ১ কেজি খোলা সয়াবিন কিনেছেন ২১০ টাকায়।

অন্যদিকে, ঈদুল ফিতরের আগে বেড়ে যাওয়া গরু, খাসি ও ফার্মের মুরগির দাম কমেনি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৬৫ টাকা, সোনালি মুরগির কেজি ৩০০ এবং কক বা লেয়ার ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭০০ টাকা এবং খাসির মাংস ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের দাম প্রতি হালি ৩৭-৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে চাহিদার তুলনায় মাছের সরবরাহ কম। তাই মাছের দাম চড়া। আকারভেদে চাষের শিং মাছ প্রতি কেজি ৬০০-৬৫০ টাকা, রুই ৪০০-৫০০ টাকা, চাষের পাঙ্গাশ ১৮০-২০০ টাকা, কাতলা ৪০০-৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, সাগরের ঢেলা ৩৪০-৩৬০ টাকা, আকারভেদে আইড় ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা, দেশি শিং ৯৫০-১০০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর পুরান বাজারের নিউ আজাদ স্টোরের মালিক সৈয়দ আজাদ আহম্মেদ জাগো নিউজকে বলেন, ঈদুল ফিতরের আগে থেকেই ভোজ্যতেল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা চাহিদামতো তেল সরবরাহ করছেন না। এরপর ঈদের পর থেকে এ পর্যন্ত এক বোতল সয়াবিন তেলও তারা সরবরাহ করেননি। এ কারণে দোকানে সয়াবিন তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। বাজারের প্রায় সব দোকানেই সয়াবিন তেল নেই। দু’এক জনের কাছে হয়তো খোলা সয়াবিন থাকতে পারে। তাও অপ্রতুল।


আরও খবর



বাড়ি ছেড়ে হোটেলে থাকতে চান শ্রীলঙ্কার কিছু এমপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২১জন দেখেছেন
Image

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের জেরে দেখা দিয়েছে মারাত্মক জ্বালানি সংকটও। পেট্রল পাম্পগুলোতে রোজ তৈরি হচ্ছে দীর্ঘ লাইন। জ্বালানি তেল পাওয়া যেন সোনার হরিণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মানুষের কাছে। এর মধ্যেই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে সম্প্রতি শুরু হয়েছে সংসদীয় অধিবেশন। কিন্তু গাড়ির জ্বালানি সংগ্রহ কঠিন হয়ে যাওয়ায় অধিবেশনে যোগ দিতে সমস্যায় পড়ছেন লঙ্কান সংসদ সদস্যরা (এমপি)। এ অবস্থায় অধিবেশন চলাকালে বাড়ির বদলে হোটেলে থাকার বন্দোবস্ত করে দিতে আবেদন জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বেশ কয়েকজন এমপি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) লঙ্কান পার্লামেন্টের স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্ধনে জানিয়েছেন, সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে জ্বালানির ব্যবস্থা না করা গেলে এ সপ্তাহ কোনো হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন কিছু এমপি।

এর আগে গত সোমবার শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে বলেছিলেন, দেশটিতে পেট্রল প্রায় ফুরিয়ে গেছে এবং জরুরি পণ্যের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো ডলার তাদের হাতে নেই। দেউলিয়া শ্রীলঙ্কা আগামী দিনগুলোতে আরও কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

সেদিন বিক্রমাসিংহে বলেন, পেট্রল প্রায় ফুরিয়ে গেছে। এই মুহূর্তে আমাদের মাত্র একদিনের পেট্রল রয়েছে। তেলের তিনটি চালানের মূল্য পরিশোধে ডলার জোগাড় করতে পারেনি সরকার। তেল নিয়ে কলম্বো উপকূলে দাঁড়িয়ে রয়েছে জাহাজগুলো। মূল্য পরিশোধ করা হলেই তেল খালাস হবে।

শ্রীলঙ্কায় স্বাধীনতা-উত্তর সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের জেরে জনগণের তোপের মুখে পড়েছে দেশটির সরকার। প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রী তো বটেই, জনরোষ থেকে ছাড় পাচ্ছেন না লঙ্কান মন্ত্রী, এমপি, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারাও। সম্প্রতি পথ আটকে তাদের ওপর যেমন শারীরিক আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে, তেমনি আগুন লাগানো হয়েছে অর্ধশতাধিক নেতার বাড়িগাড়িতে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, গত ৯ মে রাতে শাসক দলীয় নেতাদের অন্তত ৩৩টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। নেতাদের সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে অভিযোগে বেশ কিছু বেসরকারি সম্পত্তিতেও হামলা চালানো হয়েছে। ওই রাতে বেছে বেছে ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বাড়ি-গাড়িতে হামলা চালায় ক্রুদ্ধ জনতা। এর মধ্যে পদত্যাগকারী লঙ্কান প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসের মেদামুলনায় অবস্থিত পৈতৃক বাড়ি এবং কুরুনেগালায় অবস্থিত বাসভবনে আগুন দিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা।


আরও খবর