Logo
শিরোনাম

টিকে থাকার লড়াইয়ে মুখোমুখি কলকাতা-হায়দরাবাদ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩০জন দেখেছেন
Image

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স, এই দুই দলের একটির বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে আজ হয়তো। আজ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে উই দুই দল। যে জিতবে তার সম্ভাবনা টিকে থাবকে, আর হেরে গেলেই বিদায় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে।

তবে, বলা যায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের পিঠ একেবারে দেয়ালে ঠেকে আছে। তারা এরই মধ্যে ১২টি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। ১২ ম্যাচে অর্জন হলো ১০ পয়েন্ট। অন্যদিকে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পয়েন্টও ১০। তবে তারা ম্যাচ খেলেছে ১১টি।

আজকের ম্যাচ শেষ হলে হায়দরাবাদের ম্যাচ বাকি থাকবে ২টি। কেকেআরের ম্যাচ বাকি থাকবে ১টি। কেকেআর জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ১২। শেষ ম্যাচটিতেও তাদের প্লে-অফে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু হেরে গেলে, বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে। কারণ, শেষ ম্যাচটি জিতলেও তাদের আর কোনো লাভ হবে না।

অন্যদিকে হায়দরাবাদ হেরে গেলে, তাদের ম্যাচ বাকি থাকবে আরও দুটি এবং সেই দুই ম্যাচে জিততে পারলেও প্লে-অফে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। যদিও, কেকেআরের কাছে আজ হেরে গেলে হায়দরাবাদের প্লে-অফে যাওয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে।

৫ ম্যাচ জয়ের পর টানা চার ম্যাচ হেরেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তারওপর তাদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ইনজুরিতে। টি নটরাজন এবং ওয়াশিংটন সুন্দর। এমন পরিস্থিতিতে হায়দরাবাদের জন্যও ম্যাচটা হতে পারে কঠিন।

সুতরাং, কেকেআর এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদ - দুই দলের জন্যই আজকের ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্লে-অফের জন্য টিকে থাকতে হলে অবশ্যই জিততে হবে। কিন্তু জিতবে তো একটি দলই। সে দল কোনটি?


আরও খবর



হাসপাতাল থেকে প্রসূতিকে বের করে দিলেন আয়া, রাস্তায় প্রসব

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২২জন দেখেছেন
Image

লক্ষ্মীপুরে সিজারের জন্য মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র (মাতৃমঙ্গল) থেকে জোর করে শিল্পী আক্তার নামে এক রোগীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে হাসপাতালের সামনের রাস্তায় সন্তান প্রসব করেন ওই নারী।

বুধবার (১৮ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছেন, স্বজনরাই সিজারের জন্য রোগীকে নিয়ে যায়।

শিল্পী লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সমসেরাবাদের জোড়দিঘিরপাড় এলাকার ফল দোকানের শ্রমিক আজগর হোসেনের স্ত্রী। তারা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তেরবেকি এলাকায় বাসা ভাড়ায় থাকেন।

প্রসূতির মা নুরজাহান বেগম জানান, প্রসব যন্ত্রণা উঠলে শিল্পিকে সদর হাসপাতাল সংলগ্ন মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। মাগরিবের নামাজের আগে তার ব্যথা বেড়ে যায়। সেখানে থাকা দায়িত্বে থাকা স্টাফ রৌশন আরা ইফতার করতে যান। এসময় কর্তব্যরত আয়া শারমিন আক্তার স্বাভাবিক প্রসব হবে না বলে প্রসূতিকে বাইরে সদর হাসপাতাল কিংবা কোনো প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে সিজার করতে চাপ দেন। একপর্যায়ে প্রসূতিকে বের করে দেওয়া হয়। এতে বের হতেই রাস্তায় পড়ে যায় প্রসূতি। পরে রাস্তায় প্রসূতি একটি শিশুর জন্ম দেন।

তার মামতো বোন রুনা আক্তার জানান, ঘটনা শুনে আমি সেখানে যাই। বাচ্চা মাথা দেখা গেলেও আয়া শারমিন তাদের প্রতিষ্ঠানে আমার বোনকে রাখতে রাজি হয়নি। আয়া বারবারই বলছিলেন বাইরে কোনো হাসপাতালে নিয়ে সিজার করাতে। কিন্তু কোনো হাসপাতাল নেওয়ার সুযোগ হয়নি। রাস্তাতে আমার বোন সন্তানের জন্ম দেন। মা ও নবজাতকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে জেলা পরিবার ও পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. আশফাকুর রহমান মামুন জানান, ঘটনাটি শুনে তিনি এসে নার্স, আয়া ও অন্যান্য রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ওই প্রসূতির স্বজনরাই সিজার করার জন্য চাপ দিয়েছে। নার্স ও আয়া বলেছিল স্বাভাবিক প্রসব হবে। কিন্তু প্রসূতির স্বজনরা তা মানতে নারাজ ছিলেন। এতে তারা নিজেরাই সিজার করার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যান।

এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন আহম্মদ কবির বলেন, প্রতিষ্ঠানটি আমার অধীনে নয়। এখানে আমার কিছু করার এখতিয়ার নেই। ঘটনা যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে নার্স ও আয়ার অবহেলা ছিল। ঘটনাটি দুঃখজনক।


আরও খবর



বাংলাবাজারে তীব্র গরমে অসহনীয় অপেক্ষা

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

বরগুনার যাত্রী শিফাত হোসেন। পরিবার নিয়ে ঈদের আগের দিন বাড়ি যান ঈদ করতে। বাড়ি যাওয়ার পথে ভোগান্তি ছিল অনেক। রোববার অফিস খোলা। সেই ভেবে এবার কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন শুক্রবার রাতে। বাংলাবাজার ঘাটে এসে পৌঁছান যথা সময়ে। এসে দেখেন মাত্র ৫টি ফেরি দিয়ে বাংলাবাজার ঘাট চালু রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

ঘাটের দায়িত্বে থাকা পুলিশ তাদের টার্মিনালে ঢুকিয়ে দেন। আর পেছনে সিরিয়াল বাড়তে থাকে। শনিবার সকাল গড়িয়ে দুপুর প্রায় শেষ। কিন্তু শিফাতের প্রাইভেটকারটি আর সামনের দিকে এগোয়নি। শুধু ভিআইপি আর ভিআইপি পরিবহন পার হচ্ছে।

কেবল শিফাতই নয়। এমন অভিযোগ ঘাটে আটকে থাকা শতাধিক প্রাইভেটকারের চালক ও যাত্রীদের। এদের মধ্যে অনেকেই ফেরিঘাটে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন। কিন্তু কোনোভাবেই ফেরি পার হতে পারছেন না। স্বল্প সংখ্যক ফেরি দিয়ে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট পরিচালনা করার বিষয়টিকে দোষারোপ করছেন ব্যক্তিগত পরিবহনের চালক ও যাত্রীরা।

বরিশালের আরেক যাত্রী আনায়ারুল হক জানান, ফেরি সংখ্যা বাড়াতে না পারলে এই রুটে ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখলেই ভালো হতো। কারণ ফেরি চলার কারণে ভিআইপিরা ঠিকই পার হচ্ছেন। আর সাধারণ জনগণ চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। শনিবার সকাল থেকেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট হয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের কর্মস্থলমুখো যাত্রীর চাপ শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী চাপও বৃদ্ধি পায়। দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে বিভিন্ন যানবাহনে যাত্রীরা বাংলাবাজার ঘাটে আসেন। বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়াগামী প্রতিটি ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোটই ছিল যাত্রীতে ভরপুর। অল্প সংখ্যক ফেরি চলাচল করায় ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

jagonews24

এদিকে যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। তবে ঘাট এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাব, ফায়ার সার্ভিসসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।

বরিশালের যাত্রী আরাফাত জানান, কর্মস্থলমুখী যানবাহন ও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শিমুলিয়া থেকে খালি লঞ্চ-ফেরি-স্পিডবোট এনে চাপ সামাল দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন পড়েছে সকাল থেকেই।

অপরদিকে লোডমার্ক অনুযায়ী লঞ্চগুলো যাত্রী পারাপার করতে পারছে না। দুপুরে বাংলাবাজার ঘাটে লঞ্চের সংখ্যা হঠাৎ কমে যায়। শিমুলিয়া থেকে লঞ্চ আসতে অনেক বিলম্ব হওয়ায় বাংলাবাজার ঘাটে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় দেখা যায়। তবে ঘাট এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র্যাবসহ পর্যাপ্ত সংখ্যক আইন শৃংখলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করছেন।

বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, সীমিত সংখ্যক ফেরি চলাচল করায় ঘাট এলাকায় যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পারাপারের অপেক্ষায় ঘাট এলাকায় দুই শতাধিক যানবাহনের লাইন সৃষ্টি হয়েছে। ঘাটে তীব্র গরমে দীর্ঘসময় আটকে থেকে নারী, শিশুসহ যাত্রীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ঘাটের ম্যানেজার সালাউদ্দিন জানান, ফেরিগুলোতে সাধারণ যাত্রী, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহন, কাঁচামালবাহী গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। তবে সীমিত সংখ্যক ফেরি চলাচল করায় ঘাট এলাকায় যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। পারাপারের অপেক্ষায় ঘাট এলাকায় দুই শতাধিক যানবাহনের লাইন সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বাংলাবাজার ঘাট দিয়ে ৫টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ ও শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে।


আরও খবর



বাড়লো স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

যুদ্ধ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য মুদ্রার দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৪৯ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৮ হাজার ২৬৫ টাকা হয়েছে।

আগামীকাল বুধবার থেকে স্বর্ণের এই নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিস্তারিত আসছে...


আরও খবর



বোরো সংগ্রহ সফল করতে ১৩ নির্দেশনা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

সরকারের বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম সফল করতে ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) এই নির্দেশনা দিয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

খাদ্য সচিব মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ মৌসুমে ইতোমধ্যে ছয় লাখ ৫০ হাজার টন ধান ও ১১ লাখ টন সেদ্ধ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার উপজেলাওয়ারি বিভাজন মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া চলতি বোরো সংগ্রহ মৌসুমে ধান ও চাল সংগ্রহ সফল করতে ১৩টি নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

নির্দেশনাগুলো হলো-
১. ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে অবিলম্বে জেলা ও উপজেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভা সম্পন্ন করতে হবে। কৃষকের অ্যাপের বাইরের উপজেলায় লটারি করে ধান সংগ্রহ দ্রুত শুরু ও শেষ করতে হবে। কৃষকের অ্যাপভুক্ত উপজেলায় রেজিস্ট্রেশন দ্রুত সম্পন্ন করে ওই সিস্টেমে লটারি করে কৃষক নির্বাচন করে দ্রুত ধান সংগ্রহ করতে হবে।

২. ধান সংগ্রহের বার্তাটি মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, স্থানীয় কেবল টিভি স্ক্রলে প্রদর্শনের মাধ্যমে বহুল প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩. যেহেতু চলমান চাল সংগ্রহ মৌসুমে মিলের পাক্ষিক ছাঁটাই ক্ষমতা অপেক্ষা বরাদ্দ কম তাই আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ৭০ শতাংশ, জুলাইয়ের মধ্যে ৯০ শতাংশ এবং আগস্টের মধ্যে শতভাগ চাল সংগ্রহ সম্পন্ন করার জন্য (তারিখ, পরিমাণ, সময়ভিত্তিক সিডিউল প্রস্তুতপূর্বক) জেলা, উপজেলা ও গুদামভিত্তিক রোডম্যাপ তৈরি করে সেই অনুযায়ী সংগ্রহ সম্পন্ন করতে হবে।

৪. সংগৃহীত চালের প্রতিটি বস্তায় সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী স্টেনসিল প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৫. ১৬ মে'র মধ্যে চাল সংগ্রহের জন্য মিলারদের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। চুক্তি সম্পাদনের মেয়াদ কোনোক্রমে বাড়ানো হবে না। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই মিলারদের অনুকূলে চুক্তি করা পরিমাণ চালের বরাদ্দপত্র ইস্যু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুলিপি দিয়ে নিজ নিজ জেলার ওয়েবসাইট বা ওয়েব পোর্টালে প্রকাশ করতে হবে।

৬. ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম যুগপৎভাবে বাস্তবায়ন ও ত্বরান্বিত করতে হবে।

৭. ধান ও চাল সংগ্রহের জন্য ‘অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা, ২০১৭’ অনুসারে ২০২২ সালে উৎপাদিত বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। এর ব্যত্যয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৮. খাদ্য গুদামে কৃষকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কৃষক যেন কোনোক্রমেই হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. গুদামে স্থান সংকুলান না হলে ‘চলাচল সূচি প্রণয়ন নীতিমালা, ২০০৮’ অনুসারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স্ব-স্ব অধিক্ষেত্রে বিধিমোতাবেক স্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে চলাচল সূচি জারি করবেন।

১০. ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের নিবিড় মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।

১১. প্রতিদিন বিকেল ৫টার মধ্যে সব আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে ধান ও চাল সংগ্রহের তথ্য ই-মেইলে খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ বিভাগে পাঠাতে হবে।

১২. জাতীয়ভাবে ২৮ এপ্রিল একযোগে সারাদেশে আট বিভাগে ধান ও চাল সংগ্রহের উদ্বোধন করায় স্থানীয়ভাবে পুনরায় কোনো আনুষ্ঠানিকতার অজুহাতে কোনোক্রমেই সংগ্রহ কার্যক্রম বিলম্বিত করা যাবে না।

১৩. খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ১৯ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিলের স্মারকের নির্দেশনা মোতাবেক জিংকসমৃদ্ধ ধান ও চাল সংগ্রহ করতে হবে। সংগৃহীত জিংকসমৃদ্ধ ধান ও চাল রাখতে পৃথকভাবে খামাল গঠন করতে হবে।


আরও খবর



ম্যানসিটির বিপক্ষে রিয়ালের জয়, বিশ্বাসই হচ্ছিল না মেসির!

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

৪-৩ গোলে নিজেদের মাঠে জয়েও স্বস্তি ছিল না ম্যানচেস্টার সিটির। একহালি গোল দিলেও যে ব্যবধানটা ছিল খুব কম! নিজেদের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদ অবিশ্বাস্যভাবে সেই ব্যবধান ঘুচিয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়েই উঠে গেলো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে।

৯০ মিনিট পিছিয়ে থেকেও ৩টি গোল দিয়ে তারা ফাইনালে চলে গেলো। এ নিয়ে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগেস্বপ্নের প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস লিখলো রিয়াল। আর রিয়াল মাদ্রিদের এই স্বপ্নময় প্রত্যাবর্তন দেখে বিশ্বাসই হচ্ছিল না সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসির। তিনি ভেবেছিলেন, স্রেফ মজা করা হচ্ছে।

মেসির এই রহস্য আবার ফাঁস করেছেন তারই সাবেক সতীর্থ, বন্ধু সার্জিয়ো আগুয়েরো। আর্জেন্টিনারই এক সময়ের সতীর্থ কার্লোস তেভেজের সঙ্গে লাতিন আমেরিকার একটি টিভি চ্যানেলে আলোচনায় বসেছিলেন তিনি।

সেখানেই আগুয়েরো বলেন, রিয়ালের তৃতীয় গোলের পরেই মেসি তাকে বার্তা পাঠান। সেখানে লেখেন, ‘মজা করা বন্ধ করো। এটা কখনও সত্যি হতে পারে না।’ আগুয়েরো তাকে পাল্টা বার্তা পাঠিয়ে জানান, ‘এটাই সত্যি।’

কার্লোস তেভেজও এ সময় নিজের বিস্ময় ধরে রাখতে পারেননি রিয়ালের এই প্রত্যাবর্তন দেখে। সাবেক সিটি স্ট্রাইকার তেভেজ বলেন, ‘এটা তো স্রেফ পাগলামি। আপনি তো একইভাবে আরও একটি ম্যাচ জিততে পারেন না।’

কিছু দিন আগে মেসি নিজেই রিয়ালের প্রত্যাবর্তন চোখের সামনে দেখেছেন। শেষ ষোলর ম্যাচে প্যারিসে গিয়ে হারার পর ফিরতি পর্বে ঘরের মাঠে তাদের ৩-১ গোলে তাদেরকে হারিয়েছিল রিয়াল। হ্যাটট্রিক করেন করিম বেনজেমা। মেসি মাঠে থেকেও কিছুই করতে পারেননি। বার্সেলোনায় খেলার সময়েও রিয়ালকে কাছ থেকে দেখেছেন তিনি।

এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে চেলসির মাঠে জিতে আসলেও নিজেদের মাঠে চেলসির কাছে প্রায় হেরেই যাচ্ছিল রিয়াল। কিন্তু হেরে গেলেও শেষ মুহূর্তে বেনজেমার গোলে সেমিতে উঠে যায় রিয়াল।

বুধবার ম্যাচের আগে আগুয়েরো শঙ্কায় ছিলেন, সিটি শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রাখতে পারবে কি না। সেই শঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। সিটি এবং রিয়াল মাদ্রিদ ম্যাচ শুরুর আগে একটি অনুষ্ঠানে আগুয়েরো বলেছিলেন, ‘আমি বলতে চাই, সত্যিই আমি নার্ভাস। আমি জানি না কেন এমন হচ্ছে। কিন্তু সত্যিই আমি নার্ভাস।’


আরও খবর