Logo
শিরোনাম

টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১০৬জন দেখেছেন
Image

প্রথম টেস্টে আশা জাগিয়েও হার। পোর্ট এলিজাবেথে আজ (শুক্রবার) দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে খেলতে নামছে বাংলাদেশ।

সিরিজ বাঁচানোর মিশনে টসভাগ্য সহায় হয়নি টাইগার অধিনায়ক মুমিনুল হকের। টস জিতে বাংলাদেশকে ফিল্ডিংয়ে পাঠিয়েছেন প্রোটিয়া দলপতি ডিন এলগার।

ডারবানে সিরিজের প্রথম টেস্টে বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে চতুর্থ ইনিংসে ২৭৪ রানের জয়ের লক্ষ্য পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয়ের স্বপ্ন জলাঞ্জলি দেয় টাইগাররা।

প্রোটিয়া স্পিনার কেশভ মহারাজের ঘূর্ণিতে (৭/৩২) মাত্র ১৯ ওভারে ৫৩ রানেই গুটিয়ে যায় মুমিনুল হকের দল। হারে ২২০ রানের বড় ব্যবধানে।


আরও খবর



বাংলাদেশে বাড়ছে মরুভূমির ত্বীন ফলের চাষ

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

মো. হাবিবুর রহমান

ত্বীন মূলত মরুভূমির সুস্বাদু ফল। এ ফলের স্বাদ হালকা মিষ্টি। এটি দেখতে কিছুটা ডুমুর ফলের মতো। বাংলাদেশে ত্বীন ফল ড্রাই ফ্রুটস হিসেবে আমদানি করা হয়। কিন্তু বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে ও ব্যক্তি উদ্যোগে দেশের আনাচে-কানাচে এ ফলের চাষ শুরু হওয়ায় দেশে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।

ত্বীন ফল মরুভূমিতে চাষ হলেও গত এক দশকের বেশি সময় থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ ফসলের চাষ শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এ ত্বীন ফলের বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়েছে।

কোরআন শরীফে বিভিন্ন ফল-মূল ও ফসলের বর্ণনা রয়েছে। যা মানব জাতির জন্যে সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে এক বড় উপহার ও জীবন নির্বাহের অন্যতম পাথেয়। ত্বীন ফলের নামে কোরআন শরীফের ত্রিশতম অনুচ্ছেদে ‘ত্বীন’ নামে একটি সূরার নামকরণ করা হয়েছে।

ত্বীন ফল নানান দেশে নানা নামে পরিচিত। ত্বীন ফলের গাছ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমান্বয়ে ফল দেওয়ার হারও বৃদ্ধি পায়। কৃষিবিদদের মতে, ত্বীন ফলের গাছে প্রথম বছরে ফল দেওয়ার হার ১ কেজি, দ্বিতীয় বছরে ৭ কেজি, তৃতীয় বছরে ২৫ কেজি। এভাবে ক্রমবর্ধমান হারে ৩৪ বছর পর্যন্ত ফল দেয়। ত্বীন ফলের গাছের আয়ু সাধারণত প্রায় ১০০ (একশত) বছর। তবে অবস্থা ও জাত ভেদে এ পরিসংখ্যানের তারতম্য হয়। বাংলাদেশে এ ফলটি ত্বীন নামে পরিচিত হলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশ যথাক্রমে মিশর, তুরস্ক, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং জর্দানে আঞ্জির নামে পরিচিত।

ঢাকার গাজীপুরেও ত্বীন ফলের চাষ করা হয়। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বারতোপা গ্রামে ‘মর্ডান এগ্রো ফার্ম এন্ড নিউট্রিশন’ নামের একটি ফার্মে ত্বীন ফলের চাষ করা হয়। এ ফার্মটির প্রতিষ্ঠাতা মো. আজম তালুকদার ২০১৪ ও ২০১৫ সালের দিকে থাইল্যান্ড থেকে গাছ নিয়ে আসেন।

এছাড়াও তিনি তুরস্ক থেকে গাছের কাটিং সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রোপাগেশন সেন্টারে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় রেখে বারতোপা নামক স্থানে বাণিজ্যিকভাবে ত্বীন চারার গাছ উৎপাদন শুরু করেন। এ ফার্মটি আয়তনের দিক থেকে দেশের বৃহৎ ত্বীন এগ্রো ফার্ম হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রায় সাত বিঘা জমিজুড়ে ত্বীন ফলের চাষ করা হয়। এ ফার্ম থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় সবচেয়ে বেশি ত্বীন চারা গাছ ও ফল বিক্রি করা হয়। শ্রীপুরের এ ফার্ম থেকে উদ্যোক্তা ও ত্বীন চাষি চারা গাছ তাদের ফার্মের জন্যে নিয়ে যান। ফার্মের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য মতে, এ ফার্ম থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কেজি পর্যন্ত ত্বীন ফল বিক্রি করা হয়।

রংপুর বিভাগেও ত্বীন ফলের চাষ শুরু হয়েছে। ধীরে ধীরে ত্বীন ফলের চাষ এ অঞ্চলেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলা শাল্টি গোপালপুরের চৌপথী বাজার সংলগ্ন ত্বীন ফলের এ বাগানটি অবস্থিত।

jagonews24

মূলত মিঠাপুকুর-ফুলবাড়িয়া মহাসড়কের মাঝে মুসলিম বাজার থেকে ২০০ গজ পশ্চিমে ত্বীন এগ্রো ফার্মটি দেখা যাবে। এ বাগানের জন্যে ত্বীন ফলের চারা গাছ ঢাকার গাজীপুর থেকে আনা হয়েছিল। এ এগ্রো ফার্মটি প্রায় এক বিঘা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রায় ৩০০ অধিক গাছ এখানে রয়েছে।

খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ত্বীন ফলের চাষ করা হয়। সাতক্ষীরায় ছাদবাগানেও ত্বীন ফলের চাষ হয়। সাতক্ষীরা শহরের কাটিস সরকার পাড়ায় একটি ফার্ম রয়েছে। ত্বীন চাষি মো. আসিফুর রহমান তার বাগান শুরু করেন মিসরের এক বন্ধু থেকে ত্বীন গাছ এনে। এছাড়াও চট্টগ্রাম, যশোর, রাজশাহী, বগুড়া, ও ঠাকুরগাঁওসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ত্বীন ফলের চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

প্রতিটি ত্বীন ফলের বাগানে ত্বীন ফল চাষি সাধারণত দুই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করে। প্রথমত চারা গাছ বিক্রি করে। দ্বিতীয়ত ত্বীন ফল বিক্রি করে। সাধারণত ত্বীন গাছ নির্দিষ্ট পরিমাণ বড় হলে ফল দেয়। পরবর্তীতে ফল দেওয়া শেষ হলে গাছ ছাঁটাই করে ফেলা হয়। অধিকাংশ ত্বীন ফল চাষি বাগানে ফল চাষের পাশাপাশি ত্বীন ফলের গাছ থেকে গুটি কলম করেন। পরবর্তীতে এখানেই গাছের কলপ দিয়ে চারা গাছের সংখ্যা বাড়ানো হয়। প্রতিটি চারা গাছের দাম তার আকার ও কেনার পরিমাণের উপর নির্ধারিত হয়। প্রতিকেজি পাকা ত্বীন ফলের দাম সহস্র টাকার বেশি হয়ে থাকে। উভয় ক্ষেত্রে পাইকারি এবং গাছের পরিমাণ বাড়ানোর উপর দামের পার্থক্য হয়।

সাধারণত গুটি কলম থেকে ত্বীন ফলের চারা গাছ উৎপাদন করা হয়। মূল গাছ থেকে গুটি কলম তৈরি করা হয়। গুটি কলমের পর তিন মাস সময় অতিক্রম হলে ফল দেওয়া শুরু হয়। অঞ্চলভেদে ত্বীন চারা গাছের দাম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। রংপুরে একটি ত্বীন গাছের দাম ৫০০-৬০০ টাকা। আর কেউ যদি বাগান করতে চাইলে প্রতিটি ত্বীন ফলের গাছের দাম ৩০০-৩৫০ টাকা পর্যন্ত। অন্যদিকে গাজীপুরের ফার্মে দুই মাস বয়সী চারা গাছ পাইকারি ৫২০-৭২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

ত্বীন গাছে ফল ধরার এক সপ্তাহের মধ্যে তা খাওয়ার উপযোগী হয়। একটা ফলের ওজন সাধারণত ১০০ গ্রাম হয়। অন্যদিকে একটি গাছে এক রাউন্ডে ৫ কেজি পর্যন্ত উৎপাদন হয়। প্রতিটি গাছে বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে সত্তর থেকে আশিটি ফল ধরে। প্রায় বছরব্যাপী নির্দিষ্ট সময় পর পর ফল পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছ ৬ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

আবার কারো কারো মতে, ত্বীন ফলের জাত অনুযায়ী ৮-১০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানে এ ফল পাকতে শুরু করে। ত্বীন ফল পাকতে শুরু করলে ফলের রং ক্রমান্বয়ে লাল, খয়েরি, গোলাপি ও হলুদ রংয়ের আকার ধারণ করে। পরিপূর্ণ পাকলে তা রসে ঠাসা ও মিষ্টি স্বাদ অনুভূত হয়। সাধারণত গাছে ত্বীন ফলটি পাকলে বেশি দিন রাখা যায় না। গাছ থেকে তাজা তাজা সংগ্রহ করে তা খেতে খুব সুস্বাদু লাগে। সে জন্যে গাছে পাকলে চাষি তা সংরক্ষণের উদগ্রীব হয়ে উঠে এবং বাজারজাত করে।

সাধারণত উঁচু মাটিতে, বাড়ির আঙ্গিনায় এবং ইমারতের ছাদে ত্বীন ফল চাষ করা যায়। অনেকে শখেরবশে ত্বীন ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এ ফল গাছটি চাষ করার জন্যে মাটিতে জৈব ও কমপোস্ট সার মিশিনো হয়। রোদ পড়ে এমন স্থানে এ ফল চাষ করা ভালো। গাছের পরিচর্যা হিসেবে সপ্তাহে ২ দিন স্প্রে করা হয়। গাছে গোবর, সার ও পরিমিত পানি দিতে হয়।

মাঝেমাঝে কৃষিবিদদের পরামর্শক্রমে কীটনাশক ঔষধ ব্যবহার করা ভালো। ফার্মের উপর আলাদা নেট বা জাল ব্যবহার করা হয় যাতে পশু-পাখি থেকে গাছ ও ফলকে রক্ষা করা যায়। গাছে কোনো শুকনা পাতা ও ঢাল থাকলে, তা কেটে ফেলে দিতে হয়। বাসার ছাদে রোদ পড়ে এমন স্থানে ত্বীন ফল উৎপাদন করা যায়। বছরব্যাপী এ ফল উৎপাদন করা গেলেও শীত ও বর্ষা মৌসুমে এর ফলন কিছুটা কম হয়। গ্রীষ্মকালে ত্বীন ফলের ফলন সবচেয়ে বেশি হয়।

লেখক: কবি ও কলামিস্ট


আরও খবর



লিভিংস্টোনের ১১৭ মিটারের চেয়েও বড় ছক্কা রয়েছে আইপিএলে

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪১জন দেখেছেন
Image

মঙ্গলবার রাতে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে পাঞ্জাব কিংসের জয়ের চেয়ে লিয়াম লিভিংস্টোনের ১১৭ মিটার লম্বা ছক্কাটার আলোচনাই বেশি হচ্ছে এখন। এবারের আইপিএলে শুরু থেকেই বিশাল বিশাল ছক্কা হাঁকাতে দেখা যাচ্ছিল লিভিংস্টোনকে। ১০০ মিটারের বেশি ছক্কা হাঁকিয়েছেন অনেকগুলো। কিন্তু তাই বলে, ১১৭ মিটার দীর্ঘ ছক্কা!

গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫.১ ওভারে মোহাম্মদ শামির বলে ১১৭ মিটারের বিশাল ছক্কাটি হাঁকান লিভিংস্টোন। ম্যাচে ১১৭ মিটার লম্বা ছক্কা হাঁকিয়ে দুর্দান্ত এক জয় এনে দিলেন লিভিংস্টোন। সব মিলিয়ে ১০ বল খেলে তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। বাউন্ডারি মেরেছেন ২টি। মোট রান করেছেন ৩০। জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন তিনি।

তবে লিভিংস্টোনের এই ছক্কাই আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে লম্বা ছক্কা নয়। তালিকাটা কিন্তু অনেকটাই বড়।

আইপিএলের ইতিহাসে সবেচেয় বড়, ১২৫ মিটারের লম্বা ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যালবি মরকেল। প্রাভিন কুমার মেরেছিলেন ১২৪ মিটারের লম্বা ছক্কা। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট মেরেছিলেন ১২২ মিটার, রবিন উত্থাপ্পা ১২০ মিটার, ক্রিস গেইল ১১৯ মিটার, যুবরাজ সিং ১১৯ মিটার, রস টেলর ১১৯ মিটারের ছক্কা হাঁকিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। লিভিংস্টোনের মতো ১১৭ মিটারের ছয় হাঁকিয়েছেন গৌতম গম্ভির এবং বেন কাটিংও।

তবে এবারের আইপিএলে লিভিংস্টোনর ১১৭ মিটারের ছক্কাই সবচেয়ে লম্বা। এর আগে এই আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ১১২ মিটারের বিশাল ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।

লিয়াম লিভিংস্টোন নিজেও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ১০৮ মিটার লম্বা ছক্কা হাঁকান। তিনি নিজে আরও একবার, সানরাজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে পরে ১০৬ মিটারের লম্বা ছক্কার মার মারেন।

এছাড়া দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে একই ম্যাচে দু'টি বিশাল ছক্কা মারেন রাজস্থান রয়্যালসের জস বাটলার। তার একটি ছক্কায় বল গিয়ে পড়ে ১০৭ মিটার দূরে। অপর ছক্কাটি ছিল ১০৫ মিটারের।


আরও খবর



টিভিতে দেখুন আজকের খেলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩২জন দেখেছেন
Image

ক্রিকেট

আইপিএল
কলকাতা-হায়দরাবাদ
সরাসরি, রাত ৮টা
টি স্পোর্টস

ফেয়ারব্রেক টি-টোয়েন্টি
ফ্যালকন-স্পিরিট
সরাসরি, সন্ধ্যা ৬টা
টি স্পোর্টস ডিজিটাল

বার্মি আর্মি-টর্নেডোস
সরাসরি, রাত ১০টা
টি স্পোর্টস ডিজিটাল

ফুটবল

ইংলিশ এফএ কাপ, ফাইনাল
চেলসি-লিভারপুল
সরাসরি, রাত ৯-৪৫ মিনিট
সনি টেন টু


আরও খবর



নোয়াখালী পৌর পার্ক থেকে ১০ কিশোর-কিশোরী আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২০জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী পৌরসভার পার্কে বসে আড্ডা দেওয়ার সময় ১০ কিশোর-কিশোরীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামের নির্দেশে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ এ অভিযান চালায়।

পরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের ফেসবুকে আটকদের মুখঢাকা ছবি দিয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। তবে এতে আটকদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘আপনার সন্তানের দিকে খেয়াল রাখুন। স্কুল কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। আপনার সন্তান স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে মোবাইল আড্ডা বা মাদকাসক্ত হচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন।’

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নোয়াখালী পৌর পার্কে কিশোর-কিশোরীরা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে বলে স্থানীয় লোকজন পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামের কাছে অভিযোগ করে আসছিল। এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের অত্যাচারে পার্কে আগত সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিনা প্রয়োজনে পার্কে অহেতুক আড্ডা দেওয়া ১০ কিশোর-কিশোরীকে থানায় নিয়ে আসে। পরে কিশোর-কিশোরীদের বয়স বিবেচনায় ভবিষ্যতে সংশোধনের স্বার্থে অভিভাবকদের ডেকে তাদের জিম্মায় তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, পার্কে অনেক সময় কিশোর-কিশোরীরা নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি দেখে অনেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়। তাই অভিযানের মাধ্যমে তাদের আটক করা হয়েছিল।

পৌর পার্ক, হাউজিং বালুর মাঠ, মিনি চাইনিজের নামে ছোট ছোট খোপের রেস্তোরাঁ, বিভিন্ন মার্কেটে ক্লাস চলাকালে স্কুল শিক্ষার্থীদের ঘুরে বেড়ানোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

এদিকে কোম্পানীগঞ্জে এক সপ্তাহে নবম-দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৩ কিশোরী প্রেমের টানে পালিয়ে গেছে বলে তথ্য দিয়েছে থানা পুলিশ। এ নিয়ে বুধবার (১৮ মে) জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘কোম্পানীগঞ্জে এক সপ্তাহে ১৩ স্কুলছাত্রী উধাও’ সংবাদ প্রকাশ হলে সর্বত্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে ‘প্রেমের টানে পালানোর ’ ক্ষতিকর দিক বোঝাতে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ।


আরও খবর



অর্থপাচার মামলায় বরকত-রুবেলের অভিযোগ গঠনের শুনানি ১২ জুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২২জন দেখেছেন
Image

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এ দিন ধার্য করেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় আদালত অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৭ মার্চ আসামিদের নির্দোষ দাবি করে আইনজীবী শাহিনুর রহমান অব্যাহতির আবেদন করেন। এরপর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আদালত দিন ধার্য করেন।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, আসিকুর রহমান ফারহান, খন্দোকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, এ এইচ এম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।

২০২১ সালের ৩ মার্চ বরকত ও রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) উত্তম কুমার বিশ্বাস আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

২০২০ সালের ২৬ জুন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে অর্থপাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দুই হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বরকত ও রুবেল। এছাড়া তারা মাদক কারবার ও ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসি ও নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ডাম্পট্রাক, বোল্ডার ও পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন। সেই সঙ্গে দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন তারা।

এতে আরও বলা হয়, প্রথম জীবনে দুই ভাই রাজবাড়ীর এক বিএনপি নেতার সঙ্গী ছিলেন। তখন তাদের সম্পদ বলতে কিছুই ছিল না। ১৯৯৪ সালের ২০ নভেম্বর ওই এলাকায় এক আইনজীবী খুন হন। ওই হত্যা মামলার আসামি ছিলেন বরকত ও রুবেল।


আরও খবর