Logo
শিরোনাম

উত্তর কোরিয়ায় ‘জ্বরে’ ২১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৭জন দেখেছেন
Image

উত্তর কোরিয়ায় ‘জ্বরে’ ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। মাত্র দুদিন আগেই দেশটিতে করোনাভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরপরেই দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার নতুন করে আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪০ জন জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। কেসিএনএর কর্মকর্তারা ২১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে এদের মধ্যে কতজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনার অস্তিত্ব শনাক্ত হয়। এরপরেই তা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সে সময় এমনকি পরবর্তী প্রায় আড়াই বছরেও নিজ দেশে সংক্রমণের কথা স্বীকার করেনি উত্তর কোরিয়া। বরং শুরু থেকেই দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু অবশেষে দেশটিতে মহামারি আকারে সংক্রমণ ছড়ানোর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে পিয়ংইয়ং।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, গোটা দেশে লাখ লাখ মানুষের মধ্যে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। জ্বরে আক্রান্ত পৌনে দুই লাখেরও বেশি মানুষকে আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। উপসর্গ রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের মধ্যে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মে) উত্তর কোরিয়ায় ৬ ব্যক্তি জ্বরে ভুগে মারা গেছেন বলে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়। এ ছয়জনের মধ্যে একজনের শরীরে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়।


আরও খবর



হাত বাড়িয়ে ডাকছে তেঁতুলিয়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

উত্তরের প্রবেশদ্বার, সবুজ চায়ের সমাহার, হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া জুড়েই এখন চায়ের সৌন্দর্য। তিনদিকে ভারতীয় সীমান্ত বেষ্টিত শান্তিপ্রিয় এই ছোট্ট উপজেলা শহর যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি।

প্রতি ঈদে পর্যটকরা পরিবার নিয়ে তেঁতুলিয়ায় ঘুরতে যান। মহানন্দার পাড়ে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন ভারতের দার্জিলিং আর হিমালয়ের সৌন্দর্য। সুশীতল ছায়াঘেরা তেঁতুলিয়ার মনমুগ্ধকর বিভিন্ন পর্যটনস্পট ঘোরেন, মনে প্রশান্তি নিয়ে ফিরে যান পর্যটকরা। অনেকে ঈদের ছুটি কাটাতে বেছে নেন সমতলের চায়ের রাজ্য তেঁতুলিয়া।

jagonews24

পঞ্চগড় জেলা শহর থেকে মহাসড়কে মাত্র ৩৬ কিলোমিটার দূরত্বেই সর্বোত্তরের উপজেলা শহর তেঁতুলিয়া। ১৮৯.১২ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তেঁতুলিয়ায় প্রায় দেড় লাখ লোকের বসবাস। তেঁতুলিয়ার উত্তরে ভারতের শিলিগুড়ি, দক্ষিণে পশ্চিম দিনাজপুর এবং পশ্চিমে দার্জিলিং জেলা শহর। রয়েছে ঐতিহাসিক তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, রওশনপুরের আনন্দধারা, বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট। সুপ্রশস্থ সড়ক, উন্নত যোগাযোগ, বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন, খনিজ পাথর।

বিশেষ করে সমতলে চায়ের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকার পর্যটকদের কাছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া একটি আকর্ষণীয় নাম। ঈদে আগত পর্যটকরা তেঁতুলিয়া ছাড়াও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন পর্যটনস্পট ঘুরে বেড়ান।

jagonews24

পর্যটন সম্ভাবনাময় তেঁতুলিয়ায় সাধারণত চুরি, ছিনতাই আর খুনখারাবি নেই। ভ্রমণ পিপাসুদের অনেকে প্রতিবছর ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে ছুটে আসেন শান্তির শহর পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। তেঁতুলিয়া ছাড়াও জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান জেলার পর্যটনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

পঞ্চগড় জেলা শহর থেকে তেঁতুলিয়া উপজেলা সদর হয়ে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত সুবিশাল প্রশস্ত মহাসড়কও একটি পর্যটনস্পটে পরিণত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এই সড়কে চলাচলের সময় সড়কের দুই পাশের চা বাগানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্য পর্যটকদের মন কাড়ে।

jagonews24

তেঁতুলিয়া সদরের কাজীপাড়া এলাকার ইজিবাইক চালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রতি বছর ঈদে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পরিবারসহ অনেকেই ছুটি কাটাতে আসেন। আমরা ঐতিহ্যবাহী ডাকবাংলো ছাড়াও চা বাগান, কমলা বাগান, দার্জিলিং ব্রিজ, আনন্দধারা রিসোর্টসহ বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখাই। দুই বছর করোনার জন্য ঈদে তেমন ভিড় হয়নি। তবে এবার রমজানের শেষের দিকেও অসংখ্য পর্যটক তেঁতুলিয়ায় এসেছেন। তাই মনে হয় এবার ঈদে তেঁতুলিয়ায় পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে।

জেলা প্রশাসক মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, চায়ের সবুজে ভরা শান্তিপূর্ণ জেলা পঞ্চগড়কে আমরা উত্তরের প্রবেশদ্বার বলছি। জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা ঈদের ছুটি কাটানোর জন্য একটি উপযুক্ত জায়গা। প্রতিবছর এখানে ঈদের ছুটি কাটাতে জেলার বাইরে থেকে পর্যটকরা আসেন। এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ বেশ ভালো। তেঁতুলিয়ার সমতলের চা বাগান, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ছাড়াও উপজেলা সদরের মহারাজার দীঘি, আটোয়ারীর শাহী মসজিদ, দেবীগঞ্জের বদ্বেশ্বরী মন্দির এ জেলার পর্যটনকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আশা করি এবার ঈদে তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে।


আরও খবর



সয়াবিনের দাম নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন প্রধানমন্ত্রী, আশা সুমনের

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

আইনজীবীদের ২০তম ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে বর্তমানে মরক্কোর মারাকাশ শহরে আছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সেখান থেকে বাংলাদেশে সয়াবিন তেলের দাম পুনর্বিবেচনা করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৬ মে) মরক্কোর একটি সুপার শপ থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ আহ্বান জানান।

ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কিন্তু সয়াবিন তেলকে শুল্কমুক্ত করলেন। এতেও কোনো লাভ হলো না। আসলে সরকারের কিছু লোকজন সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের কাছে পরাজিত।

‘এতো দাম একদিনে, যেটা মরক্কো থেকেও বেড়ে গেছে! এটা তো হওয়ার কথা ছিল না। আশা করি এ ব্যাপারে আপনি (প্রধানমন্ত্রী) একটা ব্যবস্থা নেবেন।’

মরক্কোর সঙ্গে বাংলদেশের সয়াবিন তেলের দামের পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আপনাদের মরক্কোতে সয়াবিন তেলের দাম দেখাতে চাই। এখানে এক লিটার তেলের দাম ১৯ দশমিক ৫০ দিরহাম, বাংলাদেশি টাকায় যা ১৬৮ টাকা। আর বাংলাদেশে সেটি ১৯৮ টাকা, মরক্কোর চেয়ে প্রায় ৩০ টাকা বেশি!

‘সুতরাং এটা বলা যাবে না যে, বিশ্ববাজার থেকে আমাদের তেলের দাম কম। মরক্কোর মারাকাশ শহর একটি পর্যটন এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এখানে সয়াবিনের দাম বাংলাদেশ থেকে কম।’

তিনি আরও বলেন, আমাদের মতো এরকম গরীব মানুষের দেশে সয়াবিন তেলের লিটার ১৯৮ টাকা! এটা তো চিন্তাই করা যায় না। বাড়াতে বাড়াতে কতো দূর বাড়িয়ে ফেলছেন। এরপরও আপনাদের যুক্তি হচ্ছে, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আপনারা বাড়াচ্ছেন।

দেশের দুর্নীতি নিয়ে সুমন বলেন, একটা কথা বলতে চাই। ধরে নিলাম বাস্তব, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তেলের দাম বাড়াচ্ছেন। কিন্তু বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্নীতি কি কমাতে পেরেছেন।

‘বিভিন্ন জায়গায় নেতা বা মন্ত্রী এমপিরা যে দুর্নীতিতে আবদ্ধ হয়ে গেছেন, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছেন তাদের কয়জনকে আপনারা ধরতে পেরেছেন?’

পণ্যের দাম বাড়ানো-কমানো নিয়ে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, মানুষ যে বাস্তবতা মেনে নিবে কোন বিবেচনায় মেনে নিবে? আপনারা এমন কোনো পণ্যের কথা কি বলতে পারবেন যার দাম কমেছে। পণ্যের দাম কমিয়ে প্রেস কনফারেন্স করে বলছেন না তো যে, আমরা দাম কমিয়েছি। আমরা সফল হয়েছি।

সিন্ডিকেটের বিষয়ে সুমন বলেন, আপনারা দাম বাড়ানোর সময় প্রেস কনফারেন্স করেন। তাও আবার আপনারা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কাছে বাধ্য হয়ে সেটি করছেন।

‘আমি মনে করি যে, রীতিমতো আপনারা আত্মসমর্পণ করেছেন। তা নাহলে কোনোভাবেই এতো টাকা বাড়ানো যায় না। বাংলাদেশে একবার জিনিসের দাম বাড়লে, পরে কতবার সেটি কমানোর উদাহরণ সৃষ্টি করতে পেরেছেন?’

দেশে তেলের দাম বাড়ার বিরূপ প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, আমি সরকারের কাছে দাবি জানাবো, পর্যাপ্ত পরিমাণ যুক্তি যদি মানুষকে দেখাতে না পারেন তবে তেলের দাম বাড়াবেন না।

‘এই তেলের দাম বাড়ালে আমাদের মধ্যবিত্তরা শেষ হয়ে যাবে। যারা লুটপাটকারী, ঘুসখোর, সুদের ব্যবসায়ী এবং যারা বড় বড় চাকুরিজীবী তাদের জন্য কিন্তু সমস্যা হবে না। বিপদে পাড়ে যাবে মধ্যবিত্ত শ্রেণিটা।’


আরও খবর



আইয়ামে বিজসহ শাওয়াল মাসের ৬ রোজা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৯জন দেখেছেন
Image

আইয়ামে বিজসহ শাওয়াল মাসের ৬ রোজা রাখার সেরা সুযোগ আসছে! ১২-১৭ মে রোজা রাখার মাধ্যমে একাধিক সুন্নাতের ওপর আমল করা হবে। সপ্তাহিক, মাসিক ও বছরজুড়ে রোজার সওয়াব পাওয়ার সুযোগগুলো কী?

বছরজুড়ে রোজার সাওয়াব পাওয়ার মাস শাওয়াল। এ মাসে ৬টি রোজা রাখলেই মিলবে এ সুযোগ। রমজানের রোজাদারদের জন্য এমন ঘোষণা দিয়েছেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হাদিসে পাকে এসেছে-

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের সব ফরজ রোজাগুলো রাখলো; এরপর শাওয়াল মাসে আরও ছয়টি রোজা রাখলো, সে যেন সারাবছর ধরেই রোজা রাখলো।’ (মুসলিম)

যারা রমজান মাস কষ্ট করে রোজা পালন করেছেন। তাদের জন্য শাওয়ালের ৬ রোজা একটি মহাসুযোগ। রমজানের রোজা শেষে ঈদ-আনন্দ করার পর শাওয়াল মাসে ৬টি রোজা রাখলেই তারা পাবে সারাবছর রোজা রাখার সুযোগ। এ সুযোগে নতুনমাত্রা যোগ করেছে আইয়ামে বিজসহ সাপ্তাহিক সুন্নাত রোজা। তাহলো-

৬ রোজার সুবর্ণ সুযোগ

আরবি চাঁদের হিসাবে মাসিক সুন্নাত রোজাসহ (আইয়ামে বিজ) দুইটি সপ্তাহিক রোজা পালনের মাধ্যমে ৬ রোজা রাখার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। যারা ৬ রোজা রাখার মাধ্যমে বছরজুড়ে রোজা রাখার সওয়াব পাওয়ার প্রত্যাশী তাদের জন্য ১২-১৭ মে রোজা রাখার সুবর্ণ সুযোগ। তারিখগুলো তুলে ধরা হলো-

১ রোজা :  ১২ মে (১০ শাওয়াল) বৃহস্পতিবার (সাপ্তাহিক রোজা)

২ রোজা : ১৩ মে (১১ শাওয়াল) শুক্রবার

৩ রোজা : ১৪ মে (১২ শাওয়াল) শনিবার

৪ রোজা : ১৫ মে (১৩ শাওয়াল) রোববার (আইয়ামে বিজের রোজা শুরু)

৫ রোজা : ১৬ মে (১৪ শাওয়াল) সোমবার (সাপ্তাহিক রোজা)

৬ রোজা : ১৭ মে (১৫ শাওয়াল) মঙ্গলবার (আইয়ামে বিজের শেষ রোজা)

শাওয়াল মাসের ৬ রোজা পালনের মাধ্যমে বছরজুড়ে রোজা রাখার সওয়াব পাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ এটি। মুমিন মুসলমান মাত্রই এ দিনগুলোর সুযোগ গ্রহণ করা জরুরি। কারণ  এতে সাপ্তাহিক, আইয়ামে বিজসহ শাওয়ালের গুরুত্বপূর্ণ ৬ রোজাও আদায় হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বিশেষ দিনক্ষণসহ ফজিলতপূর্ণ এ রোজাগুলো পালনের তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



অন্তঃসত্ত্বা নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যা, লাপাত্তা খুমেকের আরএমও

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৫জন দেখেছেন
Image

খুলনায় মন্দিরা নামের এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক তরুণীকে আত্মহত্যার প্ররোচনায় করার অভিযোগে মামলার পর থেকে পলাতক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরএমও ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার। এ ঘটনায় তার বোন সিঁথি মনি হালদার গ্রেফতার হলেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে। গত ২৮ এপ্রিল আত্মহত্যার করেন ওই তরুণী।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানায়, শিক্ষানবিশ চিকিৎসক মন্দিরা মজুমদারের আত্মহত্যার পর থেকে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুহাস রঞ্জন হালদার লাপাত্তা। তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা চলছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, গত ২ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন সুহাস রঞ্জন। এরপর থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে খুলনা গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন মন্দিরা। বাসায় থেকে বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর আগে, ওই চিকিৎসকের বাবা অসুস্থ হয়ে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হলে আরএমও ডা. সুহাস রঞ্জন হালদারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তারা শারীরিক সম্পর্কও স্থাপন করেন।

মন্দিরার পরিবারের অভিযোগ, সুহাসের বড় বোনের বাসায় গিয়ে তারা শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতেন। অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানান মন্দিরা। সবকিছু জেনে বাবা খুমেক হাসপাতালের আরএমও সুহাসের কাছে যান। তবে বিষয়টির কোনো সমাধান না হলেও আত্মহত্যা করেন শিক্ষানবিশ ওই নারী চিকিৎসক। গত ২৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাসায় কেউ না থাকায় নিজ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।

মামলাটির তদন্ত করছেন সোনাডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত দাস। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকেসুহাস রঞ্জন আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে শুক্রবার রাতে তার বোন সিঁথি মনি হালদারকে মোংলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


আরও খবর



মা হওয়া মুখের কথা নয়: মিথিলা

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা। সম্প্রতি মা দিবস (৮ মে) নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি। মিথিলা বলেছেন, মাতৃত্ব যেমন আনন্দের, গর্বের, আবার সময় বিশেষে সেটি বিড়ম্বনারও। মাতৃত্ব দায়িত্ব নিতে শেখায়। মাতৃত্ব যন্ত্রণাও দেয়।

একা বাড়িতে একমাত্র সন্তান আয়রাকে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে ব্যস্ত সময় পার করছেন মিথিলা। যদিও তিনি জ্বরে আক্রান্ত, তাও মেয়ের দেখভালো করতে গিয়ে বিশ্রাম নিতে পারছেন না তিনি। মেয়ের খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ঘুমানোর সুযোগই পাচ্ছেন না মিথিলা।

মা দিবসের আগে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে মিথিলা বলেন, মা হওয়া মুখের কথা নয়। মা হওয়ার অনেক জ্বালা। অসুস্থতার সময়েও মায়েদের বিশ্রাম নেওয়ার ক্ষেত্রে যেন অলিখিত নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

‘কেউ হয়তো কিছুই বলবেন না। তার সন্তানও হয়তো চুপ থাকবে। তবু অজানা অপরাধ তাকে (মা) দিয়ে হাজার অসুস্থতার মধ্যেও কাজ করিয়ে নেয়।’

মিথিলার দাবি, এই অপরাধবোধ সমাজের চাপিয়ে দেওয়া। তার মতে, প্রত্যেক মা ‘মাল্টিটাস্কার’ (একসঙ্গে অনেক কাজ করা) হতে বাধ্য। কারণ, এছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই।

মা দিবস উপলক্ষে পৃথিবীর সব মায়েদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মিথিলা। তিনি বলেন, এসব মায়েরা প্রতি মুহূর্তে নিজেদের অস্তিত্ব বুঝতে না দিয়ে সংসার টেনে চলেছেন নীরবে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা


আরও খবর