Logo
শিরোনাম

ভিভো বাংলাদেশের কল সেন্টারে চাকরি

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৭৬জন দেখেছেন
Image

ভিভো বাংলাদেশে ‘এক্সিকিউটিভ, কাস্টমার সার্ভিস’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ভিভো বাংলাদেশ
বিভাগের নাম: কল সেন্টার

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ, কাস্টমার সার্ভিস
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০১ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ২৩-২৮ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (হেড অফিস)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২



আরও খবর

চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এসিআই

বৃহস্পতিবার ০৭ এপ্রিল ২০২২




প্রাথমিকে সংগীত-শারীরিক শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবে সম্মতি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৮জন দেখেছেন
Image

প্রাথমিকে নিয়োগ পাচ্ছেন সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে পাঁচ হাজার ১৬৬ জন শিক্ষক। আটটি শর্তে সহকারী শিক্ষকের এই পদ তৈরিতে সম্মতি দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন থেকে গত ৮ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় পাঁচ হাজার ১৬৬টি সহকারী শিক্ষক (সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা) পদ বছর বছর সংরক্ষণের ভিত্তিতে অস্থায়ীভাবে রাজস্ব খাতে সৃজনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মতি জ্ঞাপন করা হলো।

সম্মতি দেওয়া আট শর্তে বলা হয়েছে, এতে অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতি গ্রহণ করতে হবে। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগ হতে বেতন স্কেল নির্ধারণ করতে হবে।

প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটির সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে। যে তারিখে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে পদ সৃজনের সরকারি আদেশ জারি করা হবে, সেই তারিখ থেকে পদসমূহ সৃজিত হবে। অস্থায়ী পদের ক্ষেত্রে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০০৩ সালের ৩ মে’র সরকারি আদেশ অনুসরণ করতে হবে।

এছাড়া সহকারী শিক্ষক (সংগীত) ও সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) পদ নিয়োগ বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করে নিয়োগ দিতে হবে। পদ সৃজনের চূড়ান্ত আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সব শর্ত আবশ্যিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।

পদগুলো সৃজনে অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের কপি এবং প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের পদ সৃজনের সরকারি আদেশের পৃষ্ঠাঙ্কন করা কপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগে পাঠাতে হবে বলেও শর্তে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে শিগগির

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

পাম অয়েল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। আগে থেকেই উৎপাদন কম, মহামারিতে শ্রমিক ঘাটতি ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ভোজ্যতেলে বিদ্যমান সংকটের মধ্যে দেশটির এ ধরনের পদক্ষেপ বিশ্ববাজার পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। ইন্দোনেশীয় পাম অয়েলের ওপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোতে বেড়ে গেছে ভোজ্যতেলের দাম। এবার তাদের জন্য সুখবর- খুব শিগগির প্রত্যাহার হতে পারে ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা।

সোমবার (৯ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইন্দোনেশিয়ায় এরই মধ্যে পাম অয়েলের মজুত সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হওয়ার পথে। ফলে রপ্তানি শুরু না করলে উদ্বৃত্ত পাম অয়েল নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হবে দেশটিকে। তাছাড়া ইন্দোনেশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের একটি বড় অংশই আসে পাম রপ্তানি থেকে। নিষেধাজ্ঞার কারণে সেটিও বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘদিন রপ্তানি বন্ধ থাকলে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশটির অর্থনীতিতে। আর বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তো রয়েছেই!

ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার কারণে সৃষ্ট ‘বাণিজ্যিক বাধার’ বিষয়ে গত সপ্তাহে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত। গত এপ্রিলে খবর বেরিয়েছিল, ইন্দোনেশিয়ায় নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতের প্রায় তিন লাখ টন ভোজ্য পাম অয়েল আটকে গেছে।

pam3

মালয়েশিয়ার পর ইন্দোনেশিয়া থেকেই সবচেয়ে বেশি পাম অয়েল আমদানি করে ভারত। তবে প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ক্ষেত্রে পাম অয়েলের সবচেয়ে বড় যোগানদাতা ইন্দোনেশিয়া। দেশ দুটি চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি পাম অয়েল ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করে।

গত সপ্তাহে পাকিস্তান বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (পিভিএমএ) আশঙ্কাপ্রকাশ করেছে, দেশটিতে চলতি মাসেই পাম অয়েলের মজুত ফুরিয়ে যেতে পারে। এ কারণে পাকিস্তানের শিল্প ও উৎপাদন মন্ত্রণালয়কে দ্রুততম সময়ে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

অবশ্য পাম অয়েল আমদানিকারক দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে সেটি শুরু হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

সিঙ্গাপুরের এস রাজারত্নম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (আরএসআইএস) সহযোগী ফেলো জেমস গিল্ড বলেন, আমার সন্দেহ নেই যে, আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ আসবে। বিশেষ করে, ইন্দোনেশিয়া যেহেতু এ বছরের শেষের দিকে জি২০ সম্মেলন আয়োজন করতে চলেছে। একটি নির্ভরযোগ্য বাণিজ্য অংশীদার বা জি২০র সভাপতির দায়িত্বে থাকা একটি দেশের কাছ থেকে এটি সঠিক আচরণ নয়।

তিনি বলেন, তবে কারোরই বেশি কিছু করার নেই। ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম পাম অয়েল উৎপাদক। তাই সব তাস তাদের হাতে এবং ইন্দোনেশীয় সরকারও তার দেশীয় লক্ষ্য অর্জনের স্বার্থে কূটনৈতিক চাপ গ্রহণ করতে রাজি বলে মনে হচ্ছে।

pam3

অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম কমানোর লক্ষ্যে দাবি করে গত ২২ এপ্রিল ঘোষিত এ নিষেধাজ্ঞাকে বৈধতা দিয়েছেন ইন্দোনেশীয় প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো। দেশীয় বাজারে পাম অয়েলের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, এই নিষেধাজ্ঞা স্বল্পমেয়াদী।

জাকার্তার সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) অর্থনৈতিক বিশ্লেষক এগা কুর্নিয়া ইয়াজিদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য মূলত স্থানীয় পাম অয়েল কোম্পানিগুলোকে বার্তা দেওয়া যে, বড় অংকের রপ্তানি মুনাফা ত্যাগ করে হলেও দেশীয় বাজারকে তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ইন্দোনেশীয় এ বিশেষজ্ঞ বলেন, এটি ইন্দোনেশিয়ার ভোক্তাদের আশ্বস্ত করারও বিষয় যে, সরকার ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে কিছু অন্তত করছে। সরকার যখন মনে করবে, এসব বার্তা পৌঁছানো হয়ে গেছে, তখনই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। সুতরাং সেই দৃষ্টিকোণ থেকে, এটি পুরোপুরি স্থানীয় রাজনীতি ও অর্থনীতির বিষয়। রাষ্ট্রের কৌশলগত হিসাবে অভ্যন্তরীণ এসব লক্ষ্য অর্জন স্বল্পমেয়াদে বৈশ্বিক পরিস্থিতি জটিল করা ও বাণিজ্য অংশীদারদের বিরক্ত করার চেয়ে মূল্যবান।

তবে এতে ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি আয়ে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, ২০২০ সালে দেশটি ৩ কোটি ৪০ লাখ টন পাম অয়েল রপ্তানি করে ১ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি আয় করেছে।

গ্রিনপিস ইন্দোনেশিয়ার প্রচারক এরি রোম্পাস বলেন, নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পুরোপুরি অনুমান করা কঠিন। কারণ এতে কতটা কাজ হবে এবং তা কতদিন স্থায়ী হবে তা অস্পষ্ট। এরই মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় অপরিশোধিত পাম অয়েল মজুতের সক্ষমতা পূর্ণ হয়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছে। তাই সম্ভবত খুব শিগগির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।


আরও খবর



ভোজ্যতেলে মানুষের নাভিশ্বাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২০জন দেখেছেন
Image

ভোজ্যতেলের চড়া মূল্যে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তেল নিয়ে তেলেসমাতি চলছেই। দেশের একশ্রেণির অসৎ মুনাফাখোর মজুতদারের কারসাজি ও বেশি লাভের আশায় প্রচুর পরিমাণ ভোজ্যতেল মজুত করে রাখার ফলে দেশে সয়াবিন তেলের বাজারে চরম অস্তিরতা বিরাজ করছে।

সরকার বলছে দেশের মানুষের নাকি মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু বাস্তবে খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা তাদের পরিবারের ব্যয় মেটাতে হিমসিম খাচ্ছে। দেশে তেলের সংকট আছে সত্য। তাই বলে শুধু অতিমুনাফার লোভে যারা ভোজ্যতেল মজুত করে রেখেছে প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে হলেও তাদের দৃশ্যমান কঠোর শাস্তির আওতায় আনা না গেলে মজুতদারদের দৌরাত্ম্য আরও বাড়বে।

বিশ্ব বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। কারণ হিসেবে জানা যায় যে, তেল উৎপাদনকারী দেশের তালিকার শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে দুটি দেশ হলো রাশিয়া এবং ইউক্রেন। এই খাত থেকে তাদের রপ্তানি আয় যথাক্রমে ৩০১ মার্কিন ডলার এবং ২২৪ মার্কিন ডলার। যুদ্ধের কারণে বর্তমানে রাশিয়া এবং ইউক্রেন থেকে সয়াবিন তেল রপ্তানি সম্পূর্ণ বন্ধ। সূর্যমুখী তেল উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম হলো ইউক্রেন আর দ্বিতীয় হলো রাশিয়া। তাদের বার্ষিক গড় উৎপাদন যথাক্রমে ৪৪ লাখ মেট্রিক টন এবং ৪১ লাখ মেট্রিক টন। ইউক্রেন তার উৎপাদনের ৮৮ শতাংশ রপ্তানি করে আর রাশিয়া রপ্তানি করে প্রায় ৮৫ শতাংশ।

বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তাদের রপ্তানি প্রায় শতভাগ বন্ধ। সরিষা বীজ বা সরিষা তেল উৎপাদনে নেপাল বিশ্বে প্রথম হলেও পরের দুটি দেশ হলো রাশিয়া ও ইউক্রেন। এই দুটি দেশ তাদের মোট সরিষা তেল বা বীজ উৎপাদনের প্রায় ৯৩ শতাংই রপ্তানি করে। যুদ্ধের কারণে সেটাও পুরোপুরি বন্ধ।

পাম তেল বা ভেজিটেবল অয়েল উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম ইন্দোনেশিয়া এবং দ্বিতীয় অবস্থানে মালয়েশিয়া। তাদের বার্ষিক গড় উৎপাদন যথাক্রমে ২৪.৫ কোটি মেট্রিক টন এবং ৯.৯ কোটি মেট্রিক টন। ইন্দোনেশিয়া তাদের মোট উৎপাদনের প্রায় অর্ধেক রপ্তানি করে। মার্চ ২০২২ এর শেষ সপ্তাহ থেকে তারা পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধ রেখেছে। মালয়েশিয়াও রপ্তানি বন্ধের পরিকল্পনা করছে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ভোজ্যতেলের মোট চাহিদা প্রায় ২০ লাখ টন। বাংলাদেশ ২০২১ সালে ২৭ লাখ ৭১ হাজার টন ভোজ্যতেল আমদানি করেছিল। বাংলাদেশে উৎপাদিত সব প্রকার তেলবীজ থেকে প্রাপ্ত তেল দিয়ে দেশে চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশও পূরণ হয় না। মোট চাহিদার ৯০ ভাগই আমদানি করতে হয়।

এখানে নির্মম সত্যটা হলো রাশিয়া- ইউক্রেন- ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি বন্ধের কারণে সারা পৃথিবীতে ভোজ্যতেল জোগানে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে টাকা থাকলেও বাংলাদেশ তেল কিনতে পারছে না, বেশি দাম দিয়ে হলেও না। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ যদি আরও দীর্ঘায়িত হয় তা হলে এ সংকট দিন দিন বাড়তেই থাকবে।

বিশ্বে ভোজ্যতেল উৎপাদনের আরেকটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দেশ হলো আর্জেন্টিনা। তারাও তাদের উৎপাদিত তেল রপ্তানি সীমিত করবে বলে চিন্তাভাবনা করছে। যদি সেটা সত্য হয় তাহলে বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট আরও চরম আকার ধারণ করবে।

সুতরাং এই পরিস্থিতিতে দেশেই তেলবীজ তৈরিতে কৃষকদের উৎসাহিত করতে হবে। আগামী মৌসুমে বেশি করে তেলবীজ চাষ করার জন্য কৃষি বিভাগকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দেশে সরিষা ও সূর্যমুখীর চাষাবাদ বৃদ্ধি করা না গেলে ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরশীলতা থেকে বের হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব হবে না।

মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত দুই বছরে ভোজ্যতেলের বাজার মোটেই স্থিতিশীল ছিল না। এছাড়া মহামারি করোনার কারণে উৎপাদন হ্রাসের পাশাপাশি ডলারের দাম বেড়ে গেছে। এমন অস্থিরতার কারণে গত দুই বছরে অন্তত একাধিকবার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। মূলত ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন তেল আমদানি করা হয়। তুলনামূলক কম দামের কারণে দেশে সয়াবিন তেলের বিকল্প হিসেবে পাম অয়েল ব্যবহৃত হয়।

ভোজ্যতেল ছাড়াও খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পাম ওয়েল ব্যবহার হয়ে আসছে। এর মূল উৎপাদক দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। সেখান থেকেই এই তেল আমদানি করা হয়। আগেই বলেছি, দেশে ভোজ্যতেলের চাহিদা বছরে প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন। যার ৯০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। ফলে প্রতি বছর আমাদের ভোজ্যতেল আমদানি বাবদ কয়েক হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যয় মেটাতে হয়। অথচ সরিষার তেল হতে পারতো অন্যতম বিকল্প ভোজ্যতেলের উৎস।

দেশে সরিষার চাষাবাদ জনপ্রিয় করার জন্য কৃষক পর্যায়ে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণ করা গেলে কৃষকরা একদিকে যেমন লাভবান হতো অন্যদিকে সরিষা চাষে কৃষকরা উৎসাহিত বোধ করতো। পাশাপাশি ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরশীলতা কমানো যেত। এছাড়া আমাদের দেশে বহু অটো রাইস মিল রয়েছে। অটো রাইস ব্র্যান ব্যবহার করেও এক ধরনের স্বাস্থ্যসম্মত ভোজ্যতেল (রাইস ব্র্যান অয়েল) উৎপাদন করা যায়। আমরা আমদানি তেলের বিকল্প হিসেবে এ ধরনের তেল উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করতে পারি। বিষয়টি সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা ভেবে দেখতে পারেন। এছাড়া আমরা দেশে প্রচুর পরিমাণে সূর্যমুখী চাষাবাদ করে তা থেকেও তেল উৎপাদন করতে পারি। যেভাবেই হোক আমাদের ভোজ্যতেলের ওপর থেকে আমদানি নির্ভরশীলতা কমাতেই হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও মহামারি করোনার কারণে গত দুই বছরে দেশে অন্তত ৯ দফায় ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির ফলে ক্রয়ক্ষমতা হারাচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষ। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় সব দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে উঠেছে। এতে টিসিবির ট্রাকে ভোক্তাদের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।

ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি, পথেঘাটে চাঁদাবাজি পণ্য উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে অধিকাংশ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। আয়ের সাথে ব্যয় মেটাতে খেটে খাওয়া মানুষ হিমসিম খাচ্ছে। এর মধ্যেই যোগ হয়েছে একশ্রেণির অসাধু মুনাফাখোর ব্যবসায়ীর অনৈতিক মজুতদারি ও কারসাজি।

সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনায় অসাধু কারবারিদের কঠোর হাতে দমন করতে হবে। তাদের অসাধু কারসাজি থেকে দেশবাসীকে বাঁচাতে হবে। আর তা করতে হবে এখনই।

লেখক: প্রফেসর, আইবিএ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]


আরও খবর



টিভিতে আজকের খেলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ক্রিকেট
আইপিএল
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু-পাঞ্জাব কিংস
রাত ৮.০০টা
সরাসরি টি স্পোর্টস

ফুটবল
স্পেশাল ফিচার
প্রিমিয়ার লিগ টুডে
বিকেল ৩.০০টা
সরাসরি স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

প্রিমিয়ার লিগ ফ্যানজোন
সন্ধ্যা ৭.০০টা
সরাসরি স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২


আরও খবর



রাবাদার তোপে অল্পেই আটকা টেবিল টপার গুজরাট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

প্রথম নয় ম্যাচে পাঁচটি হেরে যাওয়ায় প্লে-অফ খেলার সম্ভাবনা বেশ কঠিন হয়ে গেছে পাঞ্জাব কিংসের। সেরা চারে থাকতে ঘুরে দাঁড়ানোর বিকল্প নেই তাদের সামনে। সেই মিশনে টেবিল টপার গুজরাট কিংসকে অল্পেই আটকে রাখলো পাঞ্জাব।

মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রানের বেশি করতে পারেনি গুজরাট। একা লড়ে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছেন সাই সুদর্শন। আগুনঝরা বোলিংয়ে ৪ উইকেট শিকার কাগিসো রাবাদার।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সুদর্শন ছাড়া গুজরাটের আর কোনো ব্যাটার তেমন সুবিধা করতে পারেননি। তিন নম্বরে নেমে পাঁচ চার ও এক ছয়ের মারে ৫০ বলে ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন সুদর্শন। তার ব্যাটে ভর করেই বলার মতো সংগ্রহ পেয়েছে গুজরাট।

এছাড়া ঋদ্ধিমান সাহা ১৭ বলে ২১, ডেভিড মিলার ১৪ বলে ১১ ও রাহুল তেয়াতিয়া ১৩ বলে ১১ রান করেছেন। আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি।

পাঞ্জাবের পক্ষে বল হাতে ৩৩ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন রাবাদা। এছাড়া আর্শদিপ সিং, রিশি ধাওয়ান ও লিয়াম লিভিংস্টোন নিয়েছেন একটি করে উইকেট।


আরও খবর