Logo
শিরোনাম

ওয়ালটনে ৮ জনের চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২০ মার্চ ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১১৫জন দেখেছেন
Image

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিতে ‘ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি
বিভাগের নাম: সার্ভিস পয়েন্ট

পদের নাম: ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার
পদসংখ্যা: ০৮ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০১-০৪ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৮-৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৮ এপ্রিল ২০২২


আরও খবর

চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এসিআই

বৃহস্পতিবার ০৭ এপ্রিল ২০২২




ঈদের দিনের করণীয় ও প্রস্তুতি

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

রমজানের রোজা পালনের পর মুসলিম উম্মাহর ঘরে ঘরে এলো খুশির ঈদ। রোজা যেমন আল্লাহর বিধান; রোজাদারের জন্য ঈদের বিধানও আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধাারিত। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য ঈদ উৎসবের করণীয় নির্ধারণ করেছেন। ঈদের চাঁদ দেখা থেকে শুরু করে পরবর্তী সব কাজেই রয়েছে সুন্নাতের দিকনির্দেশনা। কী সেই সব দিকনির্দেশনা?

ঈদ কী?
ঈদ (عِيْد) আরবি শব্দ। বাংলায় খুশি বা আনন্দ-উৎসবকে বোঝায়। আর ফিতর অর্থ রোজা ভাঙা, খাওয়া ইত্যাদি। তাহলে ঈদুল ফিতর এর অর্থ দাড়ায় রোজা শেষ হওয়ার খুশি বা আনন্দ-উৎসব।

ঈদুল ফিতর
আল্লাহ তাআলার একান্ত রহমত, মাগফেরাত ও নাজাত পেতে মাসব্যাপী রোজা পালনের পর মুসলিম উম্মাহর দরজায় এসে উপস্থিত হয়েছে - 'ঈদুল ফিতর'। একজন রোজাদারের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয় হলো আল্লাহ তাআলার আদেশ অনুযায়ী মাসব্যাপী রোজা রাখতে পারা। আল্লাহ তাআলা যাকে তাওফিক দিয়েছেন।

রমজানের রোজা রাখার এ খুশি প্রকাশ করতেই শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদের আনন্দে মিলিত হয় মুমিন মুসলমান। আর এই দিনটির মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা মুমিনের জন্য সব বৈধ খাবার-পানীয় ও কাজ-কর্ম আগের মতো হালাল করে দিয়েছেন। রোজা রাখার কারণে যা থেকে দিনের বেলা বিরত ছিলেন মুমিন মুসলমান।

মুসলিম উম্মাহ বছরে দুইটি ঈদ পালন করে থাকে। তাহলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা। রমজানের একমাস রোজা পালনের পর ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়। আর অপরটি হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামের স্মৃতিবিজড়িত হজের মাসের ১০ জিলহজ পশু কারবানির মাধ্যমে উদযাপন করা হয়।

ঈদের চাঁদ দেখা ও দোয়া পড়া
মুসলমানদের জন্য ঈদের চাঁদ অত্যন্ত আনন্দের মহূর্ত। কারণ চাঁদের হিসাবেই ঈদ পর্ব শুরু হয়। রমজান মাসের শেষ দিন মুসলমান মাত্রই হোক সে বৃদ্ধ, যুবক কিংবা শিশু, চাঁদ দেখা বা চাঁদের খবর নিতে উৎসুক দেখা যায়। আমাদের প্রিয় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও ঈদের চাঁদ দেখার জন্য উৎসুক থাকতেন। এমনকি তিনি চাঁদ দেখা মাত্র এই দোয়া করতেন-
اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।’
অর্থ : ’আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
আজ ঈদ 'তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম'। রমজানের রোজা পালনের পর মুসলিম উম্মাহর ঈদের দিন আজ। এ দিনে সব রোজাদার মুমিন মুসলমানকে জানাই- 'ঈদ মোবারক : তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম'।
হজরত জুবাইর ইবনু নুফাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবাগণ ঈদের দিন পরস্পর সাক্ষাৎ হলে বলতেন-
تَقبَّلَ اللهُ مِنَّا وَ مِنْكُمْ
উচ্চারণ : ‘তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়ামিন কুম’
অর্থ : ‘আল্লাহ আমার এবং আপনার যাবতীয় ভাল কাজ কবুল করুক।’ (ফাতহুল কাদির)

ঈদের দিন ফজরের নামাজ জামাতে পড়া
ঈদের দিনের আনন্দ যেন আমাদেরকে ফজর নামাজ থেকে গাফেল করে না দেয়। রোজাদারের প্রকৃত আনন্দই হবে ঈদের দিনের ফজরের নামাজ জামাআতের সঙ্গে আদায় করার মাধ্যমে। হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যদি তারা ইশা ও ফজর নামাজের মধ্যে কী আছে তা জানতো তবে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও এ দুটি নামাজের জামায়াতে উপস্থিত হতো। (বুখারি ও মুসলিম)

ঈদের দিন গোসল
ঈদের দিন সকালে ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জনে গোসল করা। হজরত ইবনে ওমর রাদিয়ালাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি ঈদ-উল-ফিতরের দিনে ঈদগাহে যাওয়ার আগে গোসল করতেন।

ঈদের দিন উত্তম পোশাক পরা
ঈদের আনন্দকে উপভোগ করতে ঈদের জামাআতে যাওয়ার আগে সর্বোত্তম পোশাক পরা। হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি দুই ঈদের দিনে সর্বোত্তম পোশাক পরতেন। (বায়হাকি)

সুগন্ধি ব্যবহার ও সাজ-সজ্জা গ্রহণ
এ দিনে সব মানুষ ঈদগাহে একত্রিত হয়, তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত হলো আল্লাহর নিয়ামাত এবং তাঁর শুকরিয়া আদায় স্বরূপ নিজেকে সর্বোত্তম সাজে সজ্জিত করা। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা তার বান্দার উপর প্রদত্ত নিয়ামাতের প্রকাশ দেখতে পছন্দ করেন।’

ঈদের তাকবির
ঈদের চাঁদ তথা শাওয়ালের চাঁদ দেখার পর প্রথম সুন্নাত কাজ তাকবির পড়া। এ তাকবির ঈদের দিন নামাজের সময় পর্যন্ত পড়তে হয়। তাহলো-
১. হজরত ইবনে মাসউদ রাদিয়া্ল্লাহু আনহু তাকবির পাঠ করে বলতেন-
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر لَا اِلَهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

২. হজরত ইবনে আব্বার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন-
اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَر اَللهُ اَكْبَروَلِلهِ الْحَمْد اَللهُ اَكْبَر وَأَجًلُّ اَللهُ اَكْبَر عَلَى مَا هَدَانَا
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ আল্লাহু আকবার ওয়া আঝাল্লু আল্লাহু আকবার আলা মা হাদানা।’

৩. অন্য এক বর্ণনায় এভাবে তাকবিরে পাঠের কথা এসেছে-
اَللهُ اَكْبَرْ كَبِيْراً اَللهُ اَكْبَر كَبِيْراً اَللهُ اَكْبَروَ أَجَلُّ اَللهُ اَكْبَر وَلِلهِ الْحَمْد
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আকবার কাবিরা, আল্লাহু আকবার কাবিরা, আল্লাহু আকবার ওয়া আঝাল্লু, আল্লাহু আবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

ঈদের আগে ফিতরা আদায়
ঈদের পূর্বে প্রত্যেক মুসলমান নর-নারী, শিশু এমনকি সদ্য জন্মলাভকারী শিশুর জন্যও নির্ধারিত ফিতরা আদায় করা জরুরি। ফিতরার টাকা দিয়ে গরিব, অসহায় দুঃস্থগণ অন্যান্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ করে থাকে। যেহেতু ফিতরার টাকা দিয়ে দুঃস্থ অসহায়গণ ঈদ করেন, তাই ঈদের কিছুদিন আগে এ টাকা আদায় করা সবচেয়ে উত্তম।

এ ফিতরা ঈদের নামাজের আগেই আদায় করা উচিত। কেননা গরিব রোজাদার যেন ফিতরার অর্থ দিয়ে ঈদের খুশিতে অংশগ্রহণ করতে পারে।

ফিতরা দেয়া কারও ওপর কোনো প্রকার অনুগ্রহ নয়। এটা আমাদের জন্য ইবাদতের অংশ। এমনকি যে ব্যক্তিকে ফিতরার সাহায্য দেয়া হয়, তার নিজের পক্ষ থেকেও ফিতরা দেয়া কর্তব্য। সবার অংশগ্রহণের ফলে সদকাতুল ফিতরের ফান্ডটি একটি সাধারণ ফান্ডে পরিণত হয়। যার ফলে এ থেকে যারা উপকৃত হয় তাদের মনে হীনমন্যতার ভাব সৃষ্টি হয় না।

মূল বিষয় হলো ফিতরা আদায়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের গরিব ভাইদের দুঃখ-কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারি এবং তাদেরকেও ঈদের আনন্দে অন্তর্ভূক্ত করি। যাদেরকে আল্লাহ তাআলা ধন-সম্পদ দিয়েছেন তারা আল্লাহর রাস্তায় এবং গরিব অসহায়দের প্রতি যতই দান করুক না কেন এতে কিন্তু তার ধন-সম্পদে কমতি দেখা দিবে না বরং বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া
ঈদের দিন নামাজ আদায়ের জন্য ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া। যদি ওজর থাকে তা ভিন্ন কথা। কেননা ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া সুন্নাত।

এক পথে গিয়ে অন্য পথে আসা
ঈদগাহে এক পথে গিয়ে অন্য পথে ফিরে আসা সুন্নাত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদের দিনে পথ বিপরীত করতেন। (বুখারি) অর্থাৎ যে পথে ঈদগাহে যেতেন সে পথে ফিরে না এসে অন্য পথে বাড়ি ফিরে আসতেন। এটার হিকমত হচ্ছে- যাতে উভয় পথের লোকদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা যায়।

ঈদের তোহফা
পবিত্র ঈদ উপলক্ষে ঈদী বা ঈদের উপহার বিতরণ করা মুসলমানদের মধ্যে চালু হয়ে আসছে। ঈদের খুশিতে আত্মীয়-অনাত্মীয় পরস্পরকে তোহফা বিনিময় করে থাকে, এটি একটি ভাল রীতি। এতে পরস্পরের আন্তরিকতা সৃষ্টি হয়, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় হয়। কাপড়-চোপড়, দ্রব্যাদি, টাকা-পয়সা ইত্যাদি ঈদের তোহফা হিসাবে বিতরণ করা হয়ে থাকে।

অনেকে তৈরি খাবার, মিষ্টি বিতরণ করে থাকেন। অনেকে বাড়ি বাড়ি ঘুরে কুশলাদি বিনিময় ও তোহফা বিতরণ করে থাকেন। আর এসবের মাঝেই একজন আল্লাহপ্রেমিক খুঁজে পায় তার রবের স্বাক্ষাত।

ঈদের নামাজ
ঈদের নামাজের মাধ্যমেই ঈদের প্রকৃত আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঈদের সব প্রস্তুতি মূলতঃ আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে শুকরিয়াস্বরূপ দুই রাকাআত নামাজ পড়ার মাধ্যমে। সকাল-সকাল খোলা মাঠে অথবা মসজিদে এই দুই রাকাআত নামাজ আদায় করতে হয়।

ঈদের নামাজে আজান ও আকামত নেই। দুই রাকাআত নামাজে অতিরিক্ত ৬/১২ তাকবির (আল্লাহু আকবার) দিতে হয়। প্রথম রাকাআতে তাকবিরে তাহরিমা ও ছানা পড়ার পর সুরা ফাতেহার আগে অতিরক্তি ৩/৭ তাকবির (আল্লাহু আকবার) দিতে হয়। তারপর যথারীতি ১ম রাকাআত সম্পন্ন করে দ্বিতীয় রাকাআতে সুরা ফাতেহা ও কেরাত পড়ার পর রুকুর আগে ৩/৫ তাকবির (আল্লাহু আকবার) দিতে হয়। তার পর যথারীতি নামাজ সম্পন্ন করতে হয়।

এরপর সমসাময়িক বিষয়ের ওপর আলোচনা ও নসিহতমূলক খুতবা প্রদান করতে হয়। খুতবা শেষ হলে ইজতেমায়ি দোয়া করে সবাই পরস্পরের সঙ্গে মোলাকাত করতে থাকে।

ঈদ আনন্দে একে অপরকে বুকে টেনে নেয়। বুকে বুক মিলিয়ে প্রত্যেকেই আন্তরিকতায় একাকার হয়ে যায়। তবে এই কাজটি থেকে এবার আমাদেরকে বিরত থাকতে হবে। আমরা দূরুত্ব বজায় রেখে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করব।

নামাজের পর খুতবা শোনা
ঈদের নামাজ জামাআতে আদায়ের পর খুতবা বাধ্যতামূলক শুনতেই হবে এমন কথা নেই। তবে খুতবা শুনা সওয়াবের কাজ। কারণ দুই খুতবায় আল্লাহর গুণগান, প্রশংসা, তাকবির পাঠ করা হয়। তা শ্রবণ করলে এবং পাঠ করলে অধিক সওয়াব পাওয়া যায়। হাদিসে এসেছে, হজরত আব্দুল্লাহ বিন সায়েব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করলাম। যখন তিনি ঈদের নামাজ শেষ করলেন, তখন বললেন, আমরা এখন খুতবা দেব। যার ভাল লাগে সে যেন বসে আর যে চলে যেতে চায় সে যেতে পারে। (আবু দাউদ)

ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে খাবার বা মিষ্টান্ন খাওয়া
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদ-উল- ফিতরের দিন কিছু খেজুর না খেয়ে বের হতেন না। কোনো কোনো বর্ণনা এসেছে তিনি বিজোড় সংখ্যায় খেঁজুর খেতেন। সুতরাং ঈদ-উল-ফিতরের দিনে নামাজ আদায় করতে যাওয়ার আগে খেজুর, মিষ্টান্ন বা খাবার গ্রহণ করা।

ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য মূলতঃ মহান আল্লাহ পাকের কৃতজ্ঞতা আদায় করা। আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি হাসিল করে তার ইবাদতের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করতে এটাকে বাস্তবে প্রকাশ করা।

তাই এই আনন্দ শুধু খুশি বা মজার জন্য নয় বরং আপন প্রভুর বান্দা হিসাবে স্থায়ীভাবে ইবাদত প্রতিষ্ঠায় রত থাকা। আমরা যেন ঈদের আনন্দে আল্লাহর সন্তুষ্টিতে সর্বদা জীবনের জন্য স্থায়ী ইবাদত হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে নেই। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সদা সর্বদা তার শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



উৎসব আনন্দে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

এক মাস সিয়াম সাধনা এবং আত্মশুদ্ধির ঐকান্তিক প্রচেষ্টার পর মুসলমানদের সর্ববৃহৎ উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে দেশজুড়ে। তবে সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হওয়ায় সেই আনন্দে কিছুটা ভাটা পড়েছে। দেশের অধিকাংশ এলাকায়ই ঈদ জামাতের সময় বৃষ্টি হয়েছে। ফলে মসজিদেই পড়তে হয়েছে ঈদের নামাজ। তবে রাজধানী ঢাকায় প্রধান জামাতগুলো শেষ হওয়ার পর বৃষ্টি শুরু হয়।

ঈদের দিন বেশিরভাগ মানুষ নতুন পোশাক পড়েছেন। সাধ্য অনুযায়ী ঘরে ঘরে খাবার রান্না হয়েছে। ছোটরা ঈদ সালামির জন্য বড়দের কাছে যাচ্ছে। আর গ্রামে গ্রামে বসেছে মেলা। সেই মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন সামগ্রীসহ নানা ধরনের খেলনা, বাঁশি, ঘর সাজানোর সামগ্রী, বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন বিক্রি হচ্ছে। শিশুতের হাতে হাতে রঙিন বেলুন। নাগরদোলায় দুলে কেউ কেউ আনন্দ উপভোগ করছে।

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি গেছেন অসংখ্য মানুষ। তাই ঢাকার রাস্তাঘাট এখন ফাঁকা। ফাঁকা ঢাকায় বইছে নির্মল বাতাস।

সকাল সাড়ে ৯টা বঙ্গভবনের দরবার হলে ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এবারও সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাষ্ট্রপতি পরিবারের সদস্য ও বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপতি নামাজ শেষে দেশবাসীর উদ্দেশে ঈদের শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। করোনাভাইরাসের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, মো. আবদুল হামিদ তাই চলাফেরা ও জীবনযাপনে সাবধানতা অবলম্বন না করলে যেকোনো সময় করোনা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে। আনন্দ করতে গিয়ে যেন আমরা বিপদ ডেকে না আনি। তাই আসুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উৎসব পালন করি, দেশকে করোনামুক্ত রাখি।

তিনি বলেন, আজ খুশির দিন, পবিত্র ঈদুল ফিতর। আমি ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র বিশ্ববাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। শুধু নিজেকে বা পরিবারকে নিয়ে নয় বরং আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশি, বন্ধু-বান্ধব সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে উদযাপনের মধ্যেই ঈদের প্রকৃত আনন্দ। আমি দেশবাসীকে ধনি-দরিদ্র নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে উপভোগের আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃষ্টির পর ভিড় রাজধানীর দর্শনীয় স্থানগুলোতে

মেঘ কেটে যাওয়ার পর পর নতুন পোশাক পরে রাস্তায় রেব হতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী। কেউ যাচ্ছেন আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে। কেউবা আবার হাতিরঝিল, ঢাকা চিড়িয়াখানাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে।

দুই বছর পর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত

দীর্ঘ দুই বছর করোনা মহামারির কারণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা এবং করোনা মহামারি থেকে মানবজাতির মুক্তিতে পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাত শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করা হয়।

eid-celeb-3.jpg

আগের দুই বছর করোনা মহামারির কারণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। এবার করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ঈদের জামাতে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি অংশ নেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ঈদ উপহার

অন্যান্য উৎসবের ন্যায় প্রধানমন্ত্রী তার ঈদ শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে রাজধানীর মোহাম্মদপুরস্থ গজনবী রোডে যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে (মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১) বসবাসরত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জন্য ফুল, ফলমূল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু এবং প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ বি এম সরওয়ার-ই-আলম সরকার সকালে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এসব উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেন।

বৃষ্টিতে ভিজে শোলাকিয়ায় লাখো মুসল্লির নামাজ আদায়

দেশের অন্যতম বৃহত্তম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। এবার ১৯৫তম ঈদ জামাতে ইমামতি করেন শহরের হয়বতনগর মসজিদের ইমাম শোয়াইব বিন আব্দুর রউফ। সকাল ৯টায় শুরু হয় মুষলধারে বৃষ্টি। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ঈদের জামাত শুরু হয় সকাল ১০টায়। এর আগেই ভোর থেকে দলে দলে মুসল্লিরা আসতে থাকেন ঈদগাহে। ১০টার আগেই বিশাল মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়।


আরও খবর



গরমে যে পানীয় হতে পারে বিপজ্জনক

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

তাপমাত্রার পারদ উপরে উঠতে শুরু করলেই শারীরিক বিভিন্ন সমস্যাও বেড়ে যায়। গরমে ছোট-বড় সবাই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভোগেন। এর অন্যতম কারণ হলো ভুল খাবার খাওয়া।

গরমে বেশ কিছু খাবার শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তার মধ্যে বেশিরভাগই হলো মুখোরোচক পানীয়। যেগুলো কমবেশি সবাই পান করেন।

প্রচণ্ড গরমে বেশ কয়েকটি পানীয় পান করার ফলে পেট ফুলে যাওয়া, পেটে ব্যথা, বমি কিংবা ডায়রিয়ার মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এ বিষয়ে ভারতের সরকার জনসাধারণের জন্য একটি স্বাস্থ্য উপদেষ্টা প্রকাশ করেছে। যার মধ্যে প্রচণ্ড গরমে নিরাপদ থাকার জন্য করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে তাপপ্রবাহের সময় কোন পানীয় পান করা বিপজ্জনক, তা জেনে নিন-

>> চা
>> মদ
>> কফি
>> প্যাকেটজাত চিনিযুক্ত পানীয়।

অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন উভয়ই মূত্রবর্ধক। এসব পানীয় শরীরকে পানিশূন্য করে তোলে। তাই যতটা সম্ভব এগুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা উচিত। এমনকি কোমল পানীয় ও প্যাকটজাত জুসও পানিশূন্যতার সৃষ্টি করে।

চিনি ও ক্যাফেইন উপাদান ঘামের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া তরলকে প্রতিস্থাপন করে না। অর্থাৎ এটি শরীরের কোনো ক্ষতিপূরণ করে না বরং তা আরও ক্ষতি করে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, এসব পানীয় পান করলে শরীর থেকে বেশি তরল ক্ষয় হয়। ফলে পেট ফাঁপার সমস্যা গুরুতর হতে পারে।

গরমে আরও যা যা করা উচিত নয়-

>> দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রোদে বের হবেন না।
>> বিকেলে বাইরে থাকলেও কঠোর কার্যকলাপ এড়িয়ে চলুন।
>> এ সময়ে খালি পায়ে বাইরে যাবেন না।
>> দুপুরের গরমে রান্নাঘরে বেশি সময় কাটাবেন না।
>> উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার ও বাসি খাবার একেবারেই খাবেন না।

হাইড্রেটেড থাকতে কী পান করবেন?

এ সময় বাড়িতে অবস্থানকালেও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। এর পাশাপাশি ওরাল স্যালাইন, তাজা ফলের রস ও তাজা শাকসবজি বেশি করে খেতে ভুলবেন না।

সূত্র: হার জিন্দেগি


আরও খবর

কাঁচা কাঁঠালের কাবাব

শুক্রবার ২০ মে ২০22




আড়াইহাজারে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৯ ডাকাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ ৯ ডাকাতকে আটক করেছেন র‍্যাবের সদস্যরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি ককটেল, দুটি রামদা, ১৬টি ছুরি, দুটি শাবল, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি কাটার, দুটি তরবারি, ৪০৫টি টেঁটা ও ১০টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (১৩ মে) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক তানভীর মাহমুদ এ তথ্য জানান।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ মে) দিনগত রাতে উপজেলার মারাবাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

jagonews24

আটকরা হলেন- সবুজ (২৮), সাখাওয়াত হোসেন রনি (২৪), সোহেল ওরফে ইসমাইল (৩০), আবুল কাশেম (৩৩), মিজান (২২), ওমর ফারুক (২৫), সোহেল (২৮), মোহাম্মদ রবিউল শেখ (২৪), জাহাঙ্গীর সিকদার (৩৮)।

র‍্যাব-১১ এর অধিনায়ক তানভীর মাহমুদ পাশা বলেন, ডাকাত চক্রটি গত ৬ এপ্রিল এবং ২৪ এপ্রিল আড়াইহাজার থানা এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ছিল। আটকদের বিরুদ্ধে এরআগে আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ থানায় একাধিক ডাকাতি ও মাদক মামলা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আটকরা দীর্ঘদিন যাবত আড়াইহাজার থানা এলাকায় বিভিন্ন প্রবাসীদের বাড়িতে, বিভিন্ন ব্যবসায়ী বা আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবারগুলোকে টার্গেট করে পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি কার্যক্রম করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



এক লিটার তেলে ৪০ টাকা বেশি রাখায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

এক লিটার সয়াবিন তেলের বোতলে মূল্য লেখা ছিল ১৬০ টাকা। ক্রেতার কাছ থেকে নেওয়া ২০০ টাকা। ৪০ টাকা বেশি রাখায় ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বুধবার (১১ মে) দুপুরে অভিযান পরিচালনা করে ময়মনসিংহের ত্রিশালে মেসার্স তামিম এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিককে এ জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিশাত মেহের।

jagonews24

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, সম্প্রতি এক ক্রেতার কাছ থেকে মেসার্স তামিম এন্টারপ্রাইজ ১৬০ টাকার সয়াবিন তেলের বোতলে ২০০ টাকা দাম রাখে। পরে ওই ক্রেতার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার জরিমানা করা হয়। অভিযোগকারী ক্রেতাকে জরিমানার ২৫ শতাংশ ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে সহযোগিতায় ছিলেন র‌্যাব ১৪-এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আখের মুহম্মদ জয়, সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আবু বকর ছিদ্দিক প্রমুখ।


আরও খবর