Logo
শিরোনাম

যাত্রীবেশে বাসে উঠে ডাকাতি, সর্বস্ব লুট

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
Image

ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কোটালীপাড়াগামী স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাসে যাত্রীবেশে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অস্ত্রধারী ডাকাতদল যাত্রীদের মারধর করে মালামাল, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুটে নিয়ে যায়।

রোববার (২৯ মে) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার ধুসর বটতলা এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু নাঈম মোহাম্মদ মোফাজ্জেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্টার লাইন পরিবহনে যাত্রীর ছদ্মবেশে থাকা সাতজনের একটি ডাকাতদল মহাসড়কের ধুসর বটতলা এলাকায় বাসটিকে থামিয়ে ক্ষুর, চাকুসহ দেশীয় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালক ও যাত্রীদের জিম্মি করে মালামাল, নগদ টাকা, মোবাইল নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, রাস্তায় হট্টগোল শুনে আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারি। এ সময় বাসে থাকা সকল যাত্রীর মোবাইল নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করি। বাসটিতে মোট ২১ জন টিকিটধারী যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে ৬ জন যাত্রী ফরিদপুরে নেমে যান। পরে ১৫ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসার পর বাসটিতে ডাকাতি হয়। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের মোবাইল নম্বরে কল করলে নম্বরগুলো বন্ধ পাই। জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

বাসচালক মোহাম্মাদ আল বলেন, ভাঙ্গায় যাত্রী নামিয়ে বাস চালাতেই পেছন থেকে ডাকাতরা এসে আমার গলা চেপে ধরে উঁচু ফেলে। আমাকে ইঞ্জিন কভারে টেনে তুলে তারা বাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এরপর আমার কাছে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে আমাকে বাসের পেছনের সিটে বসিয়ে রাখে।

বাসযাত্রী বিকেএসপির কর্মচারী আব্দুল্লাহ বিন ওবায়েদ বলেন, আমি নবীনগর কাউন্টার থেকে বিকেল ৫টায় বাসে উঠি। বাস ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌঁছালে হঠাৎ করে ৬-৭ জন লোক বাসে উঠে বাস চালককে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। এরপর তিনজন লোক আমাদের কাছে থাকা জিনিসপত্র ও টাকা, স্বর্ণালংকার কেড়ে নিয়ে ধুসর এলাকায় এসে বাস থেকে নেমে যায়।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




এই মৃত্যু উপত্যকাই তবে আমার দেশ!

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

শনিবার রাত ১১টায় হঠাৎ কেয়ামত নেমে আসে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে। বেসরকারি বিএম কনটেইনার ডিপোতে প্রথমে আগুন। তারপর একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আশপাশের চার বর্গকিলোমিটার এলাকা। আর বেদনায় কেঁদে ওঠে সারাদেশ।

নিকট অতীতে এমন বেদনার রাত খুব বেশি আসেনি বাংলাদেশে। প্রথম যখন খবরটি পাই, তখন দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছিলাম। কিন্তু বিবরণ শুনেই বুঝে গিয়েছিলাম, এ ঘটনা বাংলাদেশকে অনেকদিন কাঁদাবে। ঘটনা শোনার সাথে সাথেই এটিএন নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার ফেরদৌস রহমান রওয়ানা হয়ে যান সীতাকুণ্ডের উদ্দেশ্যে। চট্টগ্রাম প্রতিনিধি মনিরুল পারভেজ ছিলেন ঘটনাস্থলে। ফেনী প্রতিনিধি দিদারকেও ডেকে আনা হয়। কিছুক্ষণ ডর রওয়ানা হয়ে যান এ কে আজাদ।

শুধু এটিএন নিউজ নয়, সব গণমাধ্যম তাদের সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রাম এবং আশপাশের সব জেলার কর্মীদের ডেকে আনে। ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সেনাবাহিনী। চট্টগ্রামে চিকিৎসকদের সব ছুটি বাতিল করা হয়েছে। অবশ্য ছুটি বাতিলের নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করেননি চিকিৎসকরা। খবর পেয়েই সবাই ছুটে এসেছেন।

কিছু কিছু দুর্যোগ আছে, আমাদের আরও বেশি মানবিক করে, আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করে। ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে হাজার হাজার মানুষ তৈরি স্বেচ্ছায় কাজ করার জন্য, রক্ত দেওয়ার জন্য। সবাই উদগ্রীব, কিছু না কিছু করতে চান। গোটা বাংলাদেশের সবার নজর সীতাকুণ্ডের দিকে, সবার প্রার্থনা মৃত্যুর সংখ্যা যেন আর না বাড়ে, আহতরা যেন দ্রুত সেরে ওঠেন। কিন্তু সবার সম্মিলিত চেষ্টা, সম্মিলিত প্রার্থনা সত্ত্বেও অসহায়ভাবে মানুষের মৃত্যু দেখা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার ছিল না। কখনো কখনো কিছু কিছু দুর্যোগের সামনে মানুষ হিসেবে নিজেদের বড্ড ক্ষুদ্র মনে হয়।

রানা প্লাজার ঘটনার সময় উদ্ধারকর্মীরা যেভাবে আগপিছ না ভেবে সুড়ঙ্গে নেমে যাচ্ছিল, তা দেখে আমি শঙ্কিত হয়েছি। উদ্ধার করতে গিয়ে অনেকে আহত হয়েছেন, মারাও গেছেন। তখনই আমি বলেছিলাম, বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে এভাবে ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুমতি পেতো না। বাংলাদেশের মানুষ আসলে হৃদয় দিয়ে কাজ করে। সীতাকুণ্ডের ঘটনায়ও এই লেখা পর্যন্ত অন্তত ৯ জন ফায়ার কর্মী প্রাণ দিয়েছেন। সীমিত সামর্থ্য নিয়েও আমাদের ফায়ার কর্মীরা নিজের জীবনের কথা না ভেবে উদ্ধারকাজে নেমে যায়।

আমাদের দেশে মানুষ বেশি। তাই যেন মানুষেরও জীবনের দামও কম। বাংলাদেশে কোনো একটা দুর্ঘটনা ঘটলেই মৃত্যুর মিছিল লেগে যায়। ভবনধস, আগুন, সড়ক দুর্ঘটনা, লঞ্চডুবি- যাই ঘটুক মৃত্যু শত, হাজার ছাড়িয়ে যায়। সড়কে তো প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিল। সাংবাদিকদের মূল কাজ যেন লাশ গোনা। গোটা বাংলাদেশই যেন এক মৃত্যু উপত্যকা। এই মৃত্যু উপত্যকাই যেন আমাদের দেশ!

অধিকাংশ ঘটনায় দেখা যায়, কোনো না কোনো মানুষের লোভের কারণে বলি হয় নিরীহ সাধারণ মানুষ। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই, বেপরোয়া গতি, দুর্বল ভিত্তির ওপর ভবন নির্মাণ, যথাযথ অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকাই দুর্ঘটনার কারণ। নিরাপত্তামূলক সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে অল্পকিছু বাড়তি ব্যয় হতো, সেটা না করে মানুষের জীবন নিয়ে আমরা জুয়া খেলি, ব্যবসা করি।

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে একসঙ্গে এতগুলো বিপজ্জনক কনটেইনার রাখার কি অনুমতি ছিল? কমনসেন্স বলে অনুমতি ছিল না, থাকা সম্ভব নয়। এমন বিপজ্জনক রাসায়নিকের কনটেইনার একসাথে রাখতে হলে পর্যাপ্ত ও যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখার কথা। কিন্তু বিএম ডিপোর মালিক সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে, তাতে এসব নিয়মকানুন, অনুমতির তোয়াক্কা তার করার কথা নয়।

বিএম ডিপোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান দৈনিক ‘পূর্বদেশ’র সম্পাদক। একই সঙ্গে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। আর কী চাই। সরকারি দলের পান্ডা এবং পত্রিকার সম্পাদক। তিনি কেন আইন মানবেন, অনুমতির তোয়াক্কা করবেন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে মালিকের উপস্থিতি খুবই দরকার ছিল। তিনি জানেন কোথায় কী আছে, কোন কনটেইনারে কোন রাসায়নিক আছে, কোনটার আগুন নেভাতে কী ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু মালিককে না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কাজ করতে হয়েছে অন্ধকারে। কিন্তু ঘটনার ২০ ঘণ্টা পর এই লেখা পর্যন্ত আগুনও নেভেনি, মালিকও আসেননি।

এই লেখা পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪৯। আমরা যতই প্রার্থনা করি, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর মূল উদ্ধারকাজ শুরু হবে। তখন কী দৃশ্য দেখতে হবে বাংলাদেশকে, সেটা ভেবেই আমার মন খারাপ হয়ে যায়, কেবলই মন খারাপ হয়ে যায়। আহারে মানুষের জীবনের দাম বুঝি এতই কম।
৫ জুন, ২০২২

লেখক: বার্তাপ্রধান, এটিএন নিউজ।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




চট্টগ্রামে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে রাজস্ব আয়

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেট। এসময় রাজস্ব আয় হয়েছে ৯৭৯ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ কোটি টাকা বেশি। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৫১ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম বন্ড কমিশনারেট সূত্রে জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৮ কোটি টাকা এবং আগের বছরের চেয়ে ১৭৮ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে। প্রবৃদ্ধির হার ২২ দশমিক ২২ শতাংশ। আগের ২০২০-২১ অর্থবছরেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৫১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছিল সরকারি এই প্রতিষ্ঠানটি। ওই বছর ৮০১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়।

পাশাপাশি ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০২১-২২ অর্থবছরে ৯১টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২২০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা রাজস্ব দাবির মামলা হয়। এর মধ্যে আদায় করা হয় ২০৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা। একই সময়ে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজার ১৪৮ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার বিষয়টি উদঘাটিত হয়।

চট্টগ্রাম কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের কমিশনার এ কে এম মাহবুবুর রহমান বলেন, বন্ড কমিশনারেটের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস চেষ্টায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি আরও বেশি আদায় করতে সক্ষম হয়েছি। নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি বন্ডেড ওয়্যারহাউজ পরিদর্শনসহ প্রতিরোধমূলক তৎপরতা বাড়ানোর কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিরোধমূলক তৎপরতার মাধ্যমে ২০৯ কোটি টাকার রাজস্ব এসেছে, যা মোট রাজস্ব আয়ের ২১ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

দেশের রপ্তানি আয়কে আরও গতিশীল করার জন্য রপ্তানিকারকদের বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা নিশ্চিতে বন্ড কমিশনারেট নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




রাজবাড়ীতে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

রাজবাড়ীর কালুখালীতে ফয়েজুর রহমান (৫০) নামের এক ইউপি সদস্যকে (মেম্বার) গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সাওরাইল ইউনিয়নের কুম্বুলমাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ফয়েজুর রহমান পাশের পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের বিলমণ্ডপ গ্রামের আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে উপজেলার বাহের মোড় নামক বাজারে ছিলেন ফয়েজুর রহমান। ওই সময় তার মোবাইলে একটি কল আসলে তিনি বাজার থেকে একটি ভ্যান গাড়িতে করে রওনা দেন। গাড়িটি কুম্বলমাঠ এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন মুখোশধারী তার গতিরোধ করে ভ্যান থেকে নামিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। এর আগেও তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়।

পাট্টা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুর রব মুনা বিশ্বাস বলেন, ২০১২ সালের দিকে ফয়েজুর রহমানসহ আরও এক মেম্বারকে গুলি করা হয়। ওই সময় দেবেশ নামের একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। ফয়েজুর গুলিবিদ্ধ হলেও সৌভাগ্যবশত প্রাণে বেঁচে যান। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হন।

তিনি আরও বলেন, ফয়েজুর সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সাধারণত সরকারি দলের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলাফেরা করতেন। তবে এ হত্যাকাণ্ডের বিষয় বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।

রাজবাড়ীর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) সুমন কুমার সাহা জানান, মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




পেট্রল-ব্যাটারি দুটোতেই চলবে যে গাড়ি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

টয়োটা নতুন এক গাড়ি আনার ঘোষণা দিয়েছে সম্প্রতি। টয়োটা হাইরাইডার নামের গাড়িটি টয়োটা ও সুজুকির যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়েছে। আনুষ্ঠানিক লঞ্চ হতে পারে অগাস্টে। গাড়িটি পেট্রল ও ব্যাটারি দুই মাধ্যমেই চলবে। এমনকি ব্যাটারি বাইরে থেকে চার্জ করতে হবে না চলতে চলতে তা নিজে থেকেই শক্তি সঞ্চয় করবে।

টয়োটা হাইরাইডারে থাকছে ১.৫ লিটার শক্তিশালী সেলফ চার্জিং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন। গাড়িটি পেট্রলের পাশাপাশি চলবে ইলেকট্রিক মোটর ও ব্যাটারিতে। পিওর পেট্রল, হাইব্রিড, এবং পিওর ইভি (শুধু ইলেকট্রিকে) ড্রাইভ মোডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় ভাবে গাড়ির চালিকা শক্তির উৎস পরিবর্তন করা যাবে।

আবার এই গাড়ির কমদামী বেস ভ্যারিয়েন্টে মাইল্ড হাইব্রিড প্রযুক্তি থাকবে। ট্রান্সমিশন অপশনে ম্যানুয়াল এবং অটোমেটিক ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে গাড়িটি। গাড়িটিতে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা, ভেন্টিলেটেড ফ্রন্ট সিট, হেড আপ ডিসপ্লে, ইলেকট্রিক সানরুফ, বড় ফ্লোটিং টাচস্ক্রিনসহ নানা আকর্ষণীয় ফিচার থাকবে।

হাইরাইডার-এর হাত ধরে তীব্র প্রতিযোগিতা চলা কম্প্যাক্ট এসইউভির বাজারে প্রবেশ করছে টয়োটা। এখনো গাড়িটির দাম সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানায়নি সংস্থাটি। তবে ধারণা করা হচ্ছে টয়োটা হাইরাইডারের দাম ১০ লাখ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ই-ক্যাব নির্বাচন শনিবার, হারানো গৌরব ফেরাতে চান সবাই

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

রাত পোহালেই ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন। দুই বছরের জন্য ই-কমার্স খাতের নেতৃত্ব দিতে অগ্রগামী, দ্য চেঞ্জ মেকারস ও ঐক্য নামে তিনটি প্যানেলে ২৭ জনসহ মোট ৩১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ই-ক্যাবের ৭৯৫ ভোটারের ভোট পেতে প্রার্থীরা লড়বেন ৯টি পদের বিপরীতে।

গত বছর বিতর্কিত কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে খাতটিতে যে আস্থার সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা থেকে উত্তরণ, ই-কমার্সের উন্নয়ন, উদ্যোক্তাদের প্রতিবন্ধকতা দূর করা, স্থায়ী কার্যালয় স্থাপন ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রার্থীরা। তবে সব প্যানেলেরই লক্ষ্য ই-কমার্স-বান্ধব পরিবেশ তৈরি ও ই-কমার্সে আস্থার সংকট দূর করা।

শেষ সময়ে প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। ফোন দিয়ে, ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে ভোট চাইছেন তারা। নিজেদের ফেসবুকেও দিচ্ছেন নানান ধরনের পোস্ট।

গত ২ জুন নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে অগ্রগামী প্যানেল। এই প্যানেলের প্রার্থীরা হলেন- ধানসিঁড়ি ডিজিটাল লিমিটেডের শমী কায়সার, কমজগৎ টেকনোলজিসের মোহাম্মাদ আবদুল ওয়াহেদ, ডায়াবেটিস স্টোর লিমিটেডের মোহাম্মাদ সাহাব উদ্দিন, রেভারি করপোরেশন লিমিটেডের নাসিমা আক্তার, ব্রেকবাইটের আসিফ আহনাফ, ডিজিটাল হাব সলিউশনস লিমিটেডের মোহাম্মাদ সাইদুর রহমান, ফোকাস ফ্রেমের মো. রুহুল কুদ্দুস, পেপারফ্লাই প্রাইভেট লিমিটেডের শাহরিয়ার হাসান ও ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের সৈয়দা আম্বারীন রেজা। এ প্যানেলের বেশিরভাগ সদস্যই গত কমিটিতে ছিলেন।

ইশতেহারে তারা ই-ক্যাবের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, উদ্যোক্তাবান্ধব নীতি তৈরির জন্য সরকারকে সহযোগিতা, নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়নে প্রশিক্ষণ, নতুন উদ্যোগ বা স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে বিনিয়োগ ও পরামর্শসেবা সহ ৭টি বিষয়ে অগ্রধিকার দিয়েছেন।

এই প্যানেলের প্রার্থী এবং উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরামের (উই) প্রতিষ্ঠাতা নাসিমা আক্তার নিশা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা নারী উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করবো। তাদের পণ্য রপ্তানীমুখী করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবো। আগামী দুই বছরে দেশি ই-কমার্সকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতেও কাজ করবো।

অন্যদিকে দ্য চেঞ্জ মেকার্স প্যানেলের সদস্যরা হচ্ছেন—সিপরোকো কম্পিউটারস লিমিটেডের শাফকাত হায়দার, বাংলামেডস ফার্মেসি লিমিটেডের ওয়াসিম আলিম, ক্লিনফোর্স লিমিটেডের মো. তাসদীখ হাবীব, আরটিএস এন্টারপ্রাইজের জিসান কিংশুক হক, কিনলে ডটকমের মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, নিজল ক্রিয়েটিভের আবু সুফিয়ান, ই-কুরিয়ার লিমিটেডের বিপ্লব ঘোষ, সেবা ডট এক্সওয়াইজেডের মো. ইলমুল হক এবং হুর নুসরাতের নুসরাত লোপা।

তাদের ইশতেহারের মধ্যে রয়েছে- অত্যাধুনিক সুবিধাসহ সদস্যদের জন্য নিজস্ব অফিস করা, সচিবালয়কে শক্তিশালী করতে ২০২৩ সালের মধ্যে একজন নির্বাহী পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া, সদস্যদের আর্থিক সংস্থানের জন্য কমপক্ষে ছয়টি ব্যাংক থেকে জামানতবিহীন ঋণ বা বিনিয়োগের ব্যবস্থা করা, ইক্যুইটি ফাইন্যান্সিং নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করা, ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন, বছর শেষে একটি ই-কমার্স এক্সপো করা, ৫০+ সদস্য হলে জেলা উইং খোলা, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, কমপক্ষে ৮০% সদস্যকে সক্রিয় করে তোলা।

নিজেদের কাজের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্যানেলের সদস্য ই-কুরিয়ারের প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লব ঘোষ রাহুল জাগো নিউজকে বলেন, আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে প্রান্তিক পর্যায়ে দ্রততম সময়ে ই-কমার্সের সেবা পৌঁছে দিতে অবকাঠামো নির্মাণ ও পলিসি নির্ধারণে ই-ক্যাবের মাধ্যমে ভূমিকা রাখতে চাই। দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তার কাছে এই বার্তা দিতে চাই যে দেশের ই-কমার্স খাত নিরাপদ। খাত সংক্রান্ত করনীতি বাস্তবায়ন ও প্রণয়ণে শক্তিশালী অবস্থান নিতে চাই।

এছাড়া ঐক্য প্যানেলের ইশতেহারে ই-কমার্সের বাজার সম্প্রসারণ, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ, ই-কমার্সবান্ধব বাজেট ও নীতি প্রণয়নে জোরালো ভূমিকা রাখা, উদ্যোক্তা ও গ্রাহকদের জন্য কল সেন্টার চালু, বিদেশে ই-কমার্সের বাজার সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তাদের উন্নয়ন ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে।

এই প্যানেলের সদস্যরা হলেন—যাচাই ডটকম লিমিটেডের আবদুল আজিজ, মেনসেন মিডিয়ার তৌহিদা হায়দার, স্কুপ ইনফোটেক লিমিটেডের আরিফ মোহাম্মদ আবদুস শাকুর চৌধুরী, পরান বাজারের মো. আরিফুল ইসলাম, এস এম ইন্টারন্যাশনালের মো. ছোফায়েত মাহমুদ, ক্রাফটস ম্যান সল্যুশনের মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম, র্যাপিডো ডেলিভারিসের সামদানী তাব্রীজ, আই এক্সপ্রেস লিমিটেডের মো. তাজুল ইসলাম এবং নুরতাজ বাংলাদেশ লিমিটেডের মো. সেলিম শেখ।

ঐক্য প্যানেলের সদস্য আবদুল আজিজ বলেন, ই–ক্যাবকে সদস্যবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সংগঠনটির জন্য স্থায়ী কার্যালয় চালুর উদ্যোগে নেওয়া হবে। এছাড়া ই-কমার্সবান্ধব আইন, বাজেট ও নীতি প্রণয়নে জোরালো ভূমিকা রাখতে চাই।

তিন প্যানেলের ২৭ প্রার্থীর বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আদি বিডি লিমিটেডের ফাতিমা বেগম, বিডি এক্সক্লুসিভের মুহাম্মাদ ইসমাইল হুসাইন, যাচাই লিমিটেডের মাফিয়া নাহিদ এবং পাবলিক্স মেট্রো লিমিটেডের মো. আবদুল আলিম।

এই নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আমিন হেলালী। অন্য সদস্যরা হলেন- মো. আবদুর রাজ্জাক, এ এইচ এম বজলুর রহমান ও আবদুল আজিজ।

শনিবার ধানমন্ডি ৯ নম্বর সড়কের সাইয়্যেদানা কমিউনিটি সেন্টারে ই-ক্যাবের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২