Logo
শিরোনাম

যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই উন্নয়ন আর উন্নয়ন: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

শেখ হাসিনার সরকারের যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই উন্নয়ন আর উন্নয়ন। পদ্মা সেতু সরকার বিরোধী সব ষড়যন্ত্রের জবাব। মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেলসহ দেশের নানান প্রান্তে নির্মিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো কয়েক বছরের মধ্যেই দেশকে বদলে দেবে।

শনিবার (১৮ জুন) সকালে প্রবীণ প্রকৌশলীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এ মন্তব্য করেন। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) উদ্যোগে সংগঠনটির মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশে-বিদেশে সরকারের বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেসব ষড়যন্ত্র সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন। ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হবে সব ষড়যন্ত্রের মুখ্য জবাব। বাঙালি জাতির অহংকারের মতো আরেকটি বিষয় হলো পদ্মা সেতু। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ও আইইবির সাবেক সভাপতি মো. আবদুস সবুর, আইইবির বর্তমান সভাপতি মো. নূরুল হুদা, সহ-সভাপতি (এইচআরডি) মো. নূরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাৎ হোসেন (শীবলু) প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন আইইবির সাবেক সভাপতি ও পদ্মা সেতু তৈরির বিশেষজ্ঞ কারিগরি কমিটির প্রধান অধ্যাপক ড. এম. শামীম-উজ-জামান বসুনিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবি, ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান মোল্লা মোহাম্মদ আবুল হোসেন। সঞ্চালনায় ছিলেন আইইবি, ঢাকা কেন্দ্রের সম্পাদক কাজী খায়রুল বাশার।


আরও খবর



নেত্রকোনায় পানিবন্দি ৫ লাখ মানুষ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনার কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও বারহাট্টা উপজেলায় বন্যা হয়েছে। এরমধ্যে কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার সবগুলো গ্রাম বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। অসংখ্য রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, ব্যবসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হয়েছে। জেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন পাঁচ লক্ষাধিক মানুষ।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলমাকান্দা উপজেলা শহরের চাঁনপুর, নদীপাড়, পশ্চিমবাজার, পূর্ববাজার, কলেজ রোডসহ বেশকিছু এলাকায় এখন হাঁটুপানি থেকে কোমরসমান পানি। মানুষের বাড়িঘর, দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে বন্যার পানি। উপজেলার সঙ্গে সব ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঠিক একই অবস্থা দুর্গাপুরে।

jagonews24

কলমাকান্দা উপজেলা মোড় এলাকার রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী প্রণয় তালুকদার বলেন, বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। সকাল ৭টার দিকে এসে দেখি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে ৪০০ বস্তা সিমেন্ট নষ্ট হয়ে গেছে। গত দুই বছর আগের চেয়ে এবারের বন্যার ব্যাপকতা আরও বেশি বলে জানান তিনি।

উপজেলার বাসাউড়া গ্রামের বাসিন্দা ও কলমাকান্দা সরকারি কলেজের প্রভাষক রোপণ সাহা বলেন, ‘কলমাকান্দার আটটি ইউনিয়নের প্রায় সবগলো গ্রামই প্লাবিত হচ্ছে। উপজেলার দুই লাখ ৪৫ হাজার মানুষের মধ্যে ৮৫ শতাংশ মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। পানি বাড়ছে, মানুষজন আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছেন।’

নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সৈকত জানান, ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কংস, মোমেশ্বরী, ধনু, উব্দাখালিসহ ছোট-বড় সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। বেশকিছু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে।

jagonews24

কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল হাসেম বলেন, ‘কলমাকান্দার সব এলাকাই এখন বন্যার পানি। অবস্থা তেমন ভালো নয়। ইউএনও কার্যালয়, উপজেলা পরিষদসহ শহরে হাঁটুপানি থেকে কোমরসমান পানি। মানুষ আশ্রয় নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ৪০০ প্যাকেট শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার অবস্থা ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। প্রচুর মানুষ পানিবন্দি। সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসন থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে বন্যাকবলিত প্রতিটি উপজেলায় ২০ মেট্রিক টন করে চাল ও নগদ দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শুকনা খাবারসহ ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত আছে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




সবাই এগিয়ে আসুন, সহযোগিতায় বাঁচতে পারে প্রাণ: মাশরাফি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কন্টেইনারের ডিপোতে লাগা আগুনে বাড়ছে লাশের সারি। প্রায় ১৭ ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পরও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন। ধ্বংসস্তুপ থেকে একের পর এক লাশ বের করে আনছেন উদ্ধারকর্মীরা, গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হচ্ছে আরও অনেককে।

এরই মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ২৫টি ইউনিট একসঙ্গে কাজ করছে সেখানে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনীও। তবু নেভানো যাচ্ছে না আগুন, বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। এমতাবস্থায় দেশের মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ক্রিকেটাররা।

নিজের ফেসবুক পেজে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা লিখেছেন, ‘চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনারের ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং যারা আহত হয়েছে তাদের প্রতি রইল সমমর্মিতা।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি চট্টগ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষদের অনুরোধ করি যেন হতাহতদের সাহায্যে এগিয়ে আসে। শুনেছি প্রচুর রক্তের প্রয়োজন। সবাই এগিয়ে আসুন। আপনার একটু সহযোগিতা, এক ব্যাগ রক্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি প্রাণ, হাসি ফোটাতে পারে একটি পরিবারকে। সকলে প্রার্থনা করি।’

চট্টগ্রামের সন্তান জাতীয় দলের বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরপরই তিনি লিখেন, ‘চট্টগ্রামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সকলকে অনুরোধ করবো চট্টগ্রাম মেডিকেলে অবস্থান করার জন্য। সীতাকুণ্ডের কন্টেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা অনেক, প্রচুর পরিমাণ রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘দয়া করে যে যেখানে আছেন সাধ্যের মধ্যে থাকলে এক্ষুনি ছুটে যান, আপনার এক ব্যাগ রক্ত হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি প্রাণ। আপনার পরিচিত রক্তযোদ্ধা বন্ধুদেরও আসার জন্য অনুরোধ করুন। মানুষ মানুষের জন্য।’

আজ দুপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তামিম। সেখানেও আসে এই প্রসঙ্গ। যেখানে তামিম বলেন, ‘যা হয়েছে তা অসম্ভব দুঃখজনক। আমাদের সবার দোয়া যারা আক্রান্ত হয়েছে তাদের সঙ্গে, তাদের পরিবারের সঙ্গে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যখনই এরকম কোনো কিছু হয় আমরা দেশ হিসেবে একসঙ্গে এগিয়ে আসি। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যে জায়গায় আছি না কেন ঢাকা, খুলনা...আমাদের সবাইকে নিজ দিক থেকে যতটুক পারি ছোট বড় যা সহযোগিতা করতে পারি এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি তারা সেরা চিকিৎসা সেবা পাবে, তারা সেরা সহযোগিতা পাবে সবার কাছ থেকে। তারা সুস্থ হয়ে উঠবে। আমাদের সকলের দোয়া তাদের সঙ্গে আছে।’

জাতীয় দলের আরেক সাবেক অধিনায়ক ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার মুশফিকুর রহিম নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘চট্টগ্রামের খবরটি শুনে আমি খুবই মর্মাহত। আক্রান্তদের পরিবারের জন্য অনেক দোয়া। শক্ত থাকো সীতাকুণ্ড। আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।’


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সনাতনী ও গতানুগতিক: শামসুল আলম

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন ও বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবে গ্যাসের দাম প্রায় ২৩ শতাংশ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কমিশনের দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত ‘সনাতনী ও গতানুগাতিক’ বলে মন্তব্য করেছেন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ক্যাব) উপদেষ্টা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম।

তিনি বলেছেন, বিইআরসি গতানুগতিক ও সনাতনী পদ্ধতি অবলম্বন করে মূল্যহার বৃদ্ধির আদেশ দিয়ে দিলো। বিইআরসি আক্ষেপের জায়গাটা আরও শক্ত করলো।

রোববার (৫ জুন) বিকেলে প্রাকৃতিক গ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। নতুন এ দাম ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাগো নিউজকে তিনি এসব কথা বলেন।

গ্যাস উত্তোলন ও বিতরণ কোম্পানিগুলোর ১১৭ শতাংশ দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের পর থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল ক্যাব। গত ২১ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি করে বিইআরসি। সে সময় গ্যাসের মূল্য না বাড়িয়ে বরং কমানোর প্রস্তাব করেন এম শামসুল আলম।

কীভাবে গ্যাসের দাম কমানো যায় তার পক্ষেও যুক্তি উপস্থাপন করেন তিনি।

শুনানির দিন উত্থাপিত প্রস্তাবের বিষয়ে অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, আমরা দাম না বাড়িয়ে যে বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছিলাম, তা বিইআরসি গ্রহণ করেনি। কেন গ্রহণ করেনি সে ব্যাখ্যাও তারা দেয়নি। ব্যাখ্যা দিলে তাদের বিশ্লেষণে তারা প্রকাশ করতো। আমার প্রতিক্রিয়া একটাই। তারা ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকিতে মূল্যহার বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছিল। ভোক্তা পর্যায়ে প্রায় ২৩ শতাংশ বাড়ালো। আর আমরাও ওই একই ভর্তুকিতে প্রস্তাব করেছি যে, মূল্যহার কীভাবে কমানো যায়। এই দুটো ব্যাপক পার্থক্যের জায়গাটায় আমাদের সবারই দৃষ্টি আকর্ষণ করা উচিত। আমরা সে জায়গাটাই খতিয়ে দেখছি।

অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, আমরা বলেছি গ্যাস সাপ্লাই চেনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে অযৌক্তিক ব্যয় দেখিয়েছে, সে অযৌক্তিক ব্যয় এবং লুণ্ঠন বৃদ্ধির কারণেই ঘাটতি বেড়েছে। সেই ঘাটতি সমন্বয়ের জন্য ভর্তুকি বৃদ্ধি বা মূল্যবৃদ্ধি না করে ভর্তুকি বৃদ্ধির প্রবণতা কমানো এবং মূল্যহার বৃদ্ধি না করার পরামর্শ দিয়েছি। মুনাফা নিয়ন্ত্রণ করা, সরকারের রাজস্ব নিয়ন্ত্রণ করা। এসব বহুমুখী পদক্ষেপের কথাই আমরা বলেছিলাম। তাতে দেখা যাচ্ছে, বিইআরসি ব্যয় যৌক্তিক করতে চায় না। লুণ্ঠনমূলক ব্যয় প্রতিরোধ করতে চায় না। এগুলো তাদের আদেশে অব্যাহত থাকছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশনের এই উপদেষ্টা বলেন, বিইআরসির মূল্যবৃদ্ধির আদেশ ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারে না। এখানে ভোক্তাদের স্বার্থ ভয়ংকর রকমের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভোক্তাদের জ্বালানি অধিকার বিপন্ন হয়েছে। জ্বালানির যে নিরাপত্তা সেটাও অনিশ্চিত হচ্ছে, যদি এই অবস্থা অব্যাহত থাকে।

এর আগে গণশুনির দিনে ‘এ ধরনের শুনানিতে আর আসব না। আমরা বললে কিছু হচ্ছে না’, বলে আক্ষেপ করেছিলেন ক্যাবের এই উপদেষ্টা।

সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, আজ গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বিইআরসি সেই আক্ষেপের জায়গাটা বড় বেশি শক্ত করে দিলো। আক্ষেপটাকে প্রতিষ্ঠিত করলো।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




নিষেধাজ্ঞায় সমুদ্রে মাছ শিকার, জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেলেন ১০ জেলে

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সমুদ্রে মাছ ধরার অপরাধে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার ১০ জেলেকে ৭৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (৭ জুন) বিকেলে কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন চ্যানেল থেকে জাল ও মাছসহ তাদের আটক করে নৌপুলিশ। দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেন।

কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতার মোর্শেদ জাগো নিউজকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সমুদ্রে অভিযান চালিয়ে মাছ ধরার ট্রলার থেকে ১০ জেলেকে আটক করে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে মৎস্য কর্মকর্তা ভ্রাম্যমাণ পরিচালনার মাধ্যমে ৭৪ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জব্দ মাছগুলো এতিমখানায় বিতরণ এবং জালগুলো মুচলেকা রেখে ট্রলার মালিকদের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞায় সমুদ্রে মাছ শিকার, জরিমানা দিয়ে ছাড়া পেলেন ১০ জেলে

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জাগো নিউজকে বলেন, ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে সব ধরনের মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। সরকারি এ আইন বাস্তবায়নে আমরা সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছি। যাদের জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাদের পরবর্তীতে পেলে আরও কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




মাজারের পুকুরে ভেসে উঠলো মানুষের মাথা

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে এবার মানুষের একটি দেহহীন মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (৩ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দাউদনগর বন্দেগী শাহ সৈয়দ দাউদ (রহঃ) ও বন্দেগী সৈয়দ মহিব উল্লা (রহঃ) মাজারের গজার মাছের পুকুরে পুরুষের দেহবিহীন একটি মাথা পানিতে ভেসে ওঠে।

স্থানীয় লোকজন খবর দিলে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহবিহীন মাথাটি উদ্ধার করে। মাথাটি দেখার জন্য এলাকার শত শত মানুষ পুকুরপাড়ে ভিড় জমায়।

মাজারের পুকুরে ভেসে উঠলো মানুষের মাথা

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাজারের পুকুর থেকে দেহবিহীন মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (২ জুলাই) মাথাবিহীন একটি মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর থানা পুলিশ। ধারণা করছি এটি ওই মরদেহের মাথা। আমরা তদন্ত করছি।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২